Home » আন্তর্জাতিক » আজ ৪০ এ পড়লেন প্রভাস

আজ ৪০ এ পড়লেন প্রভাস

 

দক্ষিণ ভারতের জনপ্রিয় এই অভিনেতার সাফল্যের রাস্তাটা খুব একটা সহজ ছিল না? তাহলে জেনে নিন, কেমন ছিল ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে প্রভাসের শুরু দিনগুলি!

আজ ৪০ এ পড়লেন প্রভাস। জন্মদিনে প্রিয় অভিনেতাকে অনুরাগীরা শুভেচ্ছা তো জানাচ্ছেনই। কিন্তু জানেন কি, দক্ষিণ ভারতের জনপ্রিয় এই অভিনেতার সাফল্যের রাস্তাটা খুব একটা সহজ ছিল না? তাহলে জেনে নিন, কেমন ছিল ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে প্রভাসের শুরু দিনগুলি!
প্রভাসের জনপ্রিয়তা বহুদিনের। কিন্তু বাহুবলী মুক্তির পর থেকে প্রভাসের জনপ্রিয়তা ছড়িয়ে পড়েছে আসমুদ্রহিমাচল। ‘ঈশ্বর’ ছবি দিয়ে কেরিয়ার শুরু করেন প্রভাস। কিন্তু এই ছবি বক্সঅফিসে আশানুরূপ ফল দিতে ব্যর্থ হয়। তবে দর্শক একেবারে মুখ ফিরিয়েও নেয়নি। তারপরই শুরু হয় দক্ষিণী তারকার আকাশ ছোঁয়ার অধ্যাবসায়।
২০০৩ এ ‘রাঘবেন্দ্র’ও দর্শকের মন ভরাতে পারেনি। অবশেষে ২০০৪ এ ‘বর্ষম ছবি’তে নজর কাড়ে প্রভাসের অভিনয়। শুরু হয় তার সাফল্য যাত্রা। এই ছবির জন্য ‘বেস্ট ইয়ং পারফর্মার’ পুরষ্কার পান প্রভাস।

কিন্তু প্রভাসের লড়াইয়ের ইতিহাস এখানেই শেষ নয়। ‘সে-বছরই মুক্তি পায় প্রভাস অভিনীত ‘অদভি রামুডু’। সেই ছবি বক্সঅফিসে মুখ থুবড়ে পড়া। ছবি নিয়ে সমালোচনাও হয় বিস্তর। তবে ইন্ডাস্ট্রিতে লড়াকু মানসিকতার জন্য প্রভাসের বরাবরের খ্যাতি। দাঁতে দাঁত চেপে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি। সেই সময়ই এস এস রাজামৌলির সুনজরে আসেন প্রভাস।
রাজামৌলির জহুরির চোখ তাঁকে চিনে নিতে ভুল করেনি। ২০০৫ সালে তাঁর নির্দেশনায় ‘ছত্রপতি’ মারকাটারি হিট হয়। এর শরণার্থীর ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন তিনি। প্রায় ১০০ দিন ধরে ৫৪টি সিনেমা হলে চলেছিল ছবিটি। কিন্তু তার ঠিক পরের বছরই প্রভাসের ভাল গেল না। ছবি হিটের মুখ দেখল না।

এরই মধ্যে তেলুগু ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে পা জমিয়ে ফেলেন প্রভাস। ‘যোগী’, ‘মুন্না’, ‘বিল্লা’, একের পর এক হিট। ২০১১ য় প্রভাস নজর কাড়েন ‘ডার্লিং’-এ। তারপরই মুক্তি পায় ‘মিস্টার পারফেক্ট’। সেটাও জবরদস্ত হিট। এই ছবিতে প্রভাসের কমেডি মন ছুঁয়ে যায়।
রোম্যান্স থেকে কমেডি, দুই ভিন্ন ধারার ছবিতেই ততদিন নিজেকে প্রমান করে ফেলেছেন এই দক্ষিণী শিল্পী। ২০১২ য় ‘রেবেল’ ছবিতে তিনি দেখিয়ে দিলেন অ্যাকশন হিরো হিসেবেও তিনি উপযুক্ত। এরপর মির্চিও দুরন্ত হিট।
২০১৪য় বলিউডে পা রাখেন প্রভাস। অজয় দেবগনের সঙ্গে ”অ্যাকশন জ্যাকশন” ছবিতে গেস্ট অ্যাপিয়ারেন্সেই নজর কেড়ে নেন সকলের।
এরপর ২০১৫ সালে মুক্তি পায় বাহুবলী। বাকিটা তো ইতিহাস। তামিল, মালয়লম, হিন্দি , তিনটি ভাষায় ডাব করা হয় ছবিটি। বাহুবলীর সিক্যুয়েলও একইরকম ভালবাসা এনেদিয়েছিল প্রভাসকে। আর বক্সঅফিসে তৈরি হয়েছিল হিটের ইতিহাস।
এবছর প্রভাস অভিনীত ‘সাহো’ ততটা সাড়া ফেলতে না পারলেও প্রভাসের জনপ্রিয়তা হ্রাস পায়নি এতটুকুও। (সুত্র abp আনন্দ)

নিউটার্ন.কম/AR

41 Shares