Home » জাতীয় » করোনায় বেনাপোলে ফুলচাষী ও ব্যাবসায়ীদের বিক্রি কম; নেই যুবক যুবতীদের ভীড়

করোনায় বেনাপোলে ফুলচাষী ও ব্যাবসায়ীদের বিক্রি কম; নেই যুবক যুবতীদের ভীড়

এম এ রহিম, বেনাপোল :
আজ ১৪ ফেব্রয়ারি বিশ্ব ভালবাসা দিবস,এদিবস উপলক্ষে বেশী দামে ফুল বিক্রি করবে এমটা আশা ছিল চাষীদের। তবে করোনার কারনে এবার ফুলের কেনাবেচা কম হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন ফুল চাষী ও ব্যাবসায়িরা। বেশী লাভের আশায় স্থলবন্দর বেনাপোল ও বাজার এলাকায় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন প্রবেশ পথে ফুলের পসরা সাজিয়েছেন ভ্রাম্যমান ফুল ব্যাবসায়িরা। ভ্যানে করেও ঘুরে ফিরে বিক্রি করা হচ্ছে বিভিন্ন প্রজাতির ফুল। তবে এবার করোনার কারনে কেনাবেচা কম। কিছু উঠতি বয়েসের যুবক যুবতীরা নিচ্ছে গোলাপ গ্লাডলার্স ও জারবেরা ফুল-দিবেন তাদের পছন্দের ও প্রিয়জনকে। মো: রিওন কবির বলেন করেনার কারনে আয় উপার্যন কমে গেছে তাই অন্য বছরে পিতা মাতা ও সন্তান সহ শুভাকাঙ্খিদেল জন্য ফুল নিলেও এবার নিচ্ছেন স্ত্রীর জন্য।

আসফিয়া সুলতানা বলেন-আমার ভাই ও ভাবীর জন্য নিচ্ছি ফুল। অনেক দিনপর যাচ্ছেন বেড়াতে তাই ভালবাসা দিবসে ফুল নিচ্ছেন তিনি। চাষী আরমান আলী ও ফরিদ উদ্দিন বলেন ফুলের ব্যাপারী আসছেনা। গদখালি বাজারেও ফুলের দাম পাচ্ছেনা তারা। ক্রেতা বিক্রেতা ও ফড়েয়া সহ ফুল ব্যাবসায়িরা করোনার কারনে দাম দিচ্ছেন কম। ফলে এবার ফুল চাষে লোকসানের মুখে তারা। ফুল বিক্রেতা জায়দুল ইসলাম ও খোরসেদ আলম জানান,-অন্যবার ক্রেতায় জমজমাট থাকে বাজার এলাকায় ফুলনিয়ে বাড়ী ফেরেন সবাই। এবার করোনার কারনে নেই বিক্রি। স্কুল কলেজ খোলা না থাকায় ক্রেতা শুন্য বাজার। ফলে ফুলকিনে বিপাকে পড়েছেন তারা। এবার লোকসানে মুখে পড়েছেন ব্যাবসায়িরা। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সৌতম কুমার শীল জানান,উপজেলায় এবার ৮৫বিঘা জমিতে হয়েছে বিভিন্ন প্রজাতির ফুল চাষ। গত বছরে বিশ্ব ভালবাসা দিবসে বেশীদামে গোলাপ ও রজনী গন্ধা,জারবেরা ও গ্লাডুলাসসহ বিভিন্ন প্রজারি ফুল বিক্রি হলেও এবার কয়েকটি উৎসবে বেচাকেনা হয়েছে কম। তবে ২১ ফেব্রয়ারি কিছুটা ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে পারবেন চাষী দেখবেন লাভের মুখ। করোনার কারনে এবার কমেছে বেচাকেনা। ফুল সংক্ষনের উপর গুরুত্বদেন কৃষি কর্মকর্তা।

0 Shares