Home » জাতীয় » কাকড়া খেয়ে জীবন যাপন অর্ধশতবর্ষী এক নারীর

কাকড়া খেয়ে জীবন যাপন অর্ধশতবর্ষী এক নারীর

 

এম এ রহিম,বেনাপোল:
বেনাপোলে কাকড়া খেয়ে জীবন যাপন করছেন অর্ধশতবর্ষী এক নারী। ফাঁকা মাঠের মধ্যেই রাস্তার পাশে রোদ ও ঝড় বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে ৬মাস ধরে করছেন বসবাস। মানুেষর কাছে হাত পেতে সাহার্য্য ও কারুনার পাত্র হতে চায়না সে। এমন এক পথভ্রষ্ট নারীকে দেখতে আসছেন অনেকে। এই নারী ও স্থানীয়রা শােনাচ্ছেন সব অবাক করা সব কথা।

আরও পড়ুন :

দেশকে উন্নত করতে হলে কৃষিকে উন্নত করতে হবে : কৃষি মন্ত্রী

সমালোচনাকারীদের আগে ভ্যাকসিন দেব : স্বাস্থ্যমন্ত্রী


স্বপ্ন সাধ ইচ্ছা থাকে সবার, জীবনে অনেক মানুষকে ভালবেসে কবিতা হয়েছেন লালসার সিকার। সুখের আশায় স্বামীর সংসারে জমিয়েছিলেন ৩লাখ টাকা। কষ্টে অর্জিত সে টাকা স্বামী দিয়েছে ভাবীকে। বিনিময়ে পেয়েছেন অপবাদ অবহেলা ও লাঞ্চনা। আজ অনেককিছু হারিয়ে নির্বাক ৫৩ বছর বয়সী নারী কবিতা। ভারতের ২৪ পরগনার স্বদেশ খালি গ্রামের শৌলেন ভাদ্রের মেয়ে। ৬মাস আগে ভারত থেকে পাগল বেসে আসে বেনাপোলে। সীমান্তের ৩ কিলোমিটার অভ্যান্তরে ভবারবেড় ও খড়িডাঙ্গা-মাঠের মধ্যে খোলা আকাশের নিচে থাকছেন তিনি। তার ভয় গ্রামে ও কোন বাড়ীতে গেলে খাবলে খাবে তাকে। নষ্ট হবে পরিবেশ ছড়াবে দুর্গন্ধ। তাই সে ফাঁকা নির্জন স্থানে করছেন অবস্থান। জীবন বাচাতে অধিকাংশ সময় কাকড়া খেয়ে করছেন জীবন ধারন। পথচারি ও স্থানীয়রা কারও সাহার্য্য ও সহযোগিতা চায়না এ নারী। মলীন মুখে নোংড়া বস্ত্রে কনকনে শীতে থাকেন মাঠে। নেইনা সবার সাহার্য্য। অবাক হন পথচারি ও স্থানীয়রা।


ফেসবুকে কাঁকড়া খাওয়ার পোস্ট দেখে কবিতার কাছে ছুটে আসেন শার্শার উদ্ভাবক মিজানুর রহমান। প্রথমে সহযোগিতা করতে চাইলে নেয়নি সে। তবে তাকে মা বলে ছেলের খাদ্য নেয়ার আকুতি জানালে দ্বিমত করেনি।
কবিতা আজ রাম নাম ছেড়ে দু হাত তুলে ডাকছেন আল্লাহকে পড়ছেন কলমা। শুনাচ্ছেন প্রেম ও ম্মৃতির গান। মায়ের সন্তান যাক স্বদেশে, পাক নিজ ঠিকানা বেচে থাকুক নুতুন স্বপ্নে এমনটাই দাবী স্থানীয়দের।

0 Shares