Home » আন্তর্জাতিক » চিনের ‘হংকং নিরাপত্তা আইনের’ সমালোচনায় যুক্তরাষ্ট্র

চিনের ‘হংকং নিরাপত্তা আইনের’ সমালোচনায় যুক্তরাষ্ট্র

 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
হংকংয়ে চিনের বিতর্কিত নিরাপত্তা আইন চালুর পরিকল্পনার সমালোচনা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও।

হংকং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে চিন সেখানে রাষ্ট্রদ্রোহ, বিচ্ছিন্নতা, দেশদ্রোহ নিষিদ্ধ করে এ নিরাপত্তা আইন চালুর চেষ্টা চালাচ্ছে।

পম্পেও বলেছেন, হংকংবাসী যে বিশেষ স্বাধীনতা ভোগ করে আসছেন তার মৃত্যুঘণ্টা বাজিয়ে দেবে এ আইন ।

হংকংয়ের মানুষ যে অধিকার ভোগ করছে তাও এতে ক্ষুণ্ন হবে, বলছেন সমালোচকরা।

চিন আইনটি পাস করার চেষ্টা চালাচ্ছে। আইনটি এরই মধ্যে চিনের পার্লামেন্ট ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেস (এনপিসি) তে পেশ করা হয়েছে।

হংকং সরকারও আইনটি পাসে সহযোগিতা করবে এবং এতে হংকংয়ের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হবে না বলে জানিয়েছে।

ওদিকে, প্রস্তাবিত এ আইনটির প্রতিবাদে শুক্রবারই গণবিক্ষোভের ডাক দিয়েছে হংকংয়ের গণতন্ত্রপন্থি আন্দোলনকারীরা। তারা এ আইনের বিরুদ্ধে পশ্চিমা সমর্থনও আহ্বান করেছে।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও এদিনই এক বিবৃতিতে হংকংয়ের স্বায়ত্ত্বশাসন, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান এবং মানুষের স্বাধীনতার প্রতি সম্মান দেখিয়ে বেইজিংকে এমন ধ্বংসাত্মক পদক্ষেপ নেয়ার বিষয়টি আবারো ভেবে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন।

হংকংয়ের ‘বেসিক ল’ অর্থাৎ, মিনি সংবিধানের আর্টিকেল ২৩ অনুযায়ী, চিন সরকারের বিরুদ্ধে কোনোরকম বিদ্রোহ প্রতিহত করতে এই জাতীয় নিরাপত্তা আইন চালুর বিধান আছে।

কিন্তু এতে মানবাধিকার এবং বাক স্বাধীনতার মতো অধিকারগুলো ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কার কারণে এ আইন সেখানে কখনো বাস্তবায়ন করা হয়নি।

হংকং সরকার এর আগে ২০০৩ সালে আইনটি চালু করতে গিয়ে বাধার মুখে পড়েছিল। রাস্তায় ৫ লাখ লোকের প্রতিবাদের পর ওই উদ্যোগ আর নেয়া হয়নি।

কিন্তু গতবছর থেকে হংকংয়ে সরকারের বিরুদ্ধে গণতন্ত্রপন্থি আন্দোলন মাথা চাড়া দিয়ে ওঠায় বিতর্কিত এই আইনটি আবার টেবিলে এসেছে।

চিন সরকার বলছে, হংকংয়ে ভবিষ্যতে বিক্ষোভ, সহিংসতা বন্ধ করা এবং এসবে জড়িতদের সাজা দেয়ার জন্য আইনটি চালু হওয়া প্রয়োজন।

0 Shares