Home » জাতীয় » ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির মূল্য ২ লাখ টাকা

ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির মূল্য ২ লাখ টাকা

 

মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখানে এক মাদরাসা ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি করার অভিযোগ উঠেছে ৬৪ বছরের বৃদ্ধের বিরুদ্ধে। উপজেলার ইছাপুরা ইউনিয়নের একটি মহিলা মাদরাসার ছাত্রীর সাথে এ ঘটনা ঘটে।

রাজদিয়া গ্রামের মৃত হাবিবুল্লার ছেলে কাদির মাস্টার (৬৪) শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেন। পরে গ্রামের সালিশে কাদির মাস্টারকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

জানা যায়, গত ২৭ অক্টোবর ঐ মহিলা মাদরাসার এক ছাত্রী দুপুর ১টায় ছুটি শেষে কাদির মাস্টারের বাড়ীর পাশ দিয়ে যাওয়ার পথে ছাত্রীকে প্রলোভন দেখিয়ে ছাত্রীর হাত ধরে টানাটানি করে বাসার ভিতরে নেয়ার চেষ্টা করে। টানাটানির একপর্যায় কাদির স্পর্শকাতর স্থানে হাত দিলে ছাত্রী চিৎকার করলে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এসে মেয়েটিকে উদ্ধার করেন। এঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

ঘটনার পরদিন স্থানীয় ৬ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক স্বপন, এলাকার প্রভাবশালী ডা. খবির আলী খান ও মোতালেব গোপনে মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত মুহতামিম হাফেজ মাওলানা মাহফুজের বাসায় ছাত্রীর নিকটাত্মীয় নিয়ে একটি সালিশ বিচারের মাধ্যমে কাদিরকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করে।

কাদির মাস্টার জরিমানার টাকা না দিতে পারায় ন্যাশনাল ব্যাংক সিরাজদিখান শাখার এনএসবি-৩৯৪৭৫৮২ নম্বরের চেক প্রদান করে।

অভিযুক্ত কাদির জানান, আমি কোন অপরাধ করি নাই। আমি শুধু হাত ধরে বেল দিয়েছি। আমার কাছ থেকে জোর করে দুই লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। আমার কাছে টাকা নাই। তাই দুই মাসের সময় নিয়ে দুই লাখ টাকার ব্যাংক চেক দেই।

ইউনিয়ন ৬ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক স্বপন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, কোন টাকা লেনদেন হয়নি। ভবিষ্যতে যাতে এধরণের কোন ঘটনা না ঘটে তার জন্য সাদা কাগজে দুই লাখ টাকার মুচলেকা নেয়া হয়।

সিরাজদিখান থানার ওসি ফরিদ উদ্দন জানান, ঘটনাটি মেয়ের মা ফোনে আমাকে জানিয়েছেন। লিখিত অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। অভিযোগ না পেলে পুলিশ যাওয়ার কথা না।

নিউটার্ন.কম/AR

14 Shares