Home » সারাদেশ » জরাজীর্ণ সাঁকো দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল

জরাজীর্ণ সাঁকো দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল

এম এ রহিম,বেনাপোল:-
আধুনিকতার এ যুগেও যশোরের ঝিকরগাছা ও শার্শা ২টি উপজেলা হাজার হাজার মানুষকে ভাগ করে রেখেছে বেলতা খাল। জরাজীর্ণ এই সাঁকো দিয়ে চরম ঝুঁকি নিয়ে চলছে মানুষ। পড়ছেন দুর্ভোগে। শিক্ষার্থী ও কৃষিকাজ সহ যাতায়াতে বাড়ছে ভোগান্তি।
বীর শ্রেষ্ট্র নুর মোহাম্মদের সমাধিস্থল শার্শা কাশিপুরে। এই গ্রামের পাশেই বেলতা খাল। উত্তরে চৌগাছা ও পূর্বে ঝিকরগাছা উপজেলা। পশ্চিমপাশেই শার্শার বেলতা খাল। স্থানীয়দের উদ্যোগে নির্মিত বাশ কাঠের এই সাঁকো দিয়ে প্রতিদিন চলাচল করে হাজার হাজার মানুষ। শিক্ষা স্বাস্থ্য কৃষি যোগাযোগসহ সব ক্ষেত্রেই বেড়েছে মানুষের জীবন যাত্রার মান। তবে কাশিপুর গ্রামে বেলতা খালটি দু পারের মানুষকে ভাগ করে রেখেছে দীর্ঘদিন। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ভাঙাচোড়া সাকো দিয়ে চলাচল করছেন তারা। প্রায় সময় ঘটছে দুর্ঘটনা। নষ্ট হচ্ছে বই খাতা। রোগী ও কৃষিকাজে বাড়ছে দুর্ভোগ। রাতে চলাচল করতে পারেনা তারা। এ থেকে পরিত্রাণ চান ভুক্তভোগী ও স্থানীয়রা। ডা: নুর ইসলাম বলেন, বিভিন্নভাবে বিষয়টি কর্তৃপক্ষ ও জন প্রতিনিধিকে অবগত করানো হয়েছে। তবে আশ্বাস পেলেও বাস্তবে যোগ হচ্ছে ভিন্ন মাত্রা। বাড়ছে ভোগান্তি। ঝড়ে পড়ছে শিক্ষার্থী। দুর্ভাগের যেন শেষ নেই। জীবনের ঝুঁকিনিয়ে চলছে মানুষ। দ্রুত এ থেকে পরিত্রাণ চান ভুক্তভোগীরা।
প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা । শিক্ষা স্বাস্থ্য ও কৃষিতে পড়ছে বিরুপ প্রভাব । নারী শিশু বৃদ্ধ ও শিক্ষার্থীরা চলছে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে । চরম দুর্ভোগে থেকে পরিত্রাণ চান তারা
জন গুরুত্বপূর্ণ বেলতা খালে ব্রিজ নির্মাণে ২০২০সাল থেক্ইে প্রস্তাবনা পাঠানো হচ্ছে। এ পর্যন্ত তিনবার প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। ১০০মিটার ব্রিজ নির্মাণ দ্রুত বাস্তবায়নের আশা করেন উপজেলা প্রকৌশলী এম এ মামুন।
জন দুর্ভোগ লাঘবে ৬ মাসের মধ্যে ব্রিজটির কাজ শুরুর হবে বলে আশ্বস্ত করেছে উপজেলা প্রকৌশলী অধিদপ্তর।

0 Shares