Home » জাতীয় » টানা ৫দিন আমদানি বন্ধে স্থবির স্থলবন্দর বেনাপোল

টানা ৫দিন আমদানি বন্ধে স্থবির স্থলবন্দর বেনাপোল

এম এ রহিম,বেনাপোল:-টানা চার দিন আমদানি বাণিজ্য বন্ধ থাকায় দেশের প্রধান স্থলবন্দর বেনাপোল স্থবির হয়ে পড়েছে। ওপারে আটকা পড়েছে রফতানিবাহি প্রায় ৪হাজার ট্রাক।ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পচন শীলপণ্য। ৫দিনেও কোন সুরাহা না হওয়ায় বন্দরের সাথে সংশ্লিষ্ট সাড়ে ৪হাজার শ্রমিক-কর্মচারীর দিন কাটছে মানবেতর। বন্দর ব্যাবহারকারি বিভিন্ন সংগঠনের অসহযোগিতার কারণে বেনাপোল-পেট্রাপোল স্থল বন্দর দিয়ে বন্ধ রয়েছে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য।
ভারতে পণ্য রপ্তানির দাবিতে বুধবার থেকে আমদানি বাণিজ্য বন্ধ রয়েছে স্থল বন্দর বেনাপোলে। ভারতের একতরফা নীতির কারণে বন্ধ রয়েছে আমদানি। এ কারণে খেয়ে না খেয়ে মানবতার দিন কাটাতে হচ্ছে অনেকের সুরাহা চান শ্রমিক ও কর্মচারীরা।
মহামারি ভয়াবহ কারোনার কারনে বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে ২২ মার্চ থেকে ভারতের সাথে বন্ধ হয়ে যায় আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যো। পরে দু দেশের প্রশাসন ও ব্যাবসায়ি সংশ্লিষ্টদের মধ্যে বৈঠক এবং সম্মতিতে ৭জুন শুরু হয় আমদানি বাণিজ্য। তবে রপ্তানি শুরু না হওয়ায় বিক্ষুদ্ধ হয়ে ওঠে এদেশের ব্যাবসায়ীরা । বেনাপোলের বিভিন্ন ব্যবসায়ি সংগঠনের প্রতিবাদে ও পণ্য রিসিভে অনিহার কারণে গত বুধবার থেকে ভারতীয় পণ্য আমদানি বন্ধ হয়ে যায়।এর প্রভাব পড়ে দেশের বিভিন্ন শিল্প কলকারখানাসহ নিত্য পণ্যের বাজারে।ভারতের পেট্টাপোল বন্দরে ও বনগাঁ কালিতলা পার্কে আটকা পড়েছে ৪হাজার পণ্যবাহী ট্রাক। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ঝাল পেঁয়াজ আদাসহ পচনশীল পণ্য। দুপারের ব্যাবসায়িরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব।
বন্দর কর্তৃপক্ষ স্থলবন্দর বেনাপোল উপ-পরিচালক ট্রাফিক,মোঃ আব্দুল জলিল জানান,ব্যবসায়ীদের দ্বন্দ্বের কারণে আমদানি চারদিন বন্ধ রয়েছে। তবে বেনাপোল বন্দরে পণ্য লোডিং হচ্ছে। খোলা রয়েছে কাস্টম ও বন্দর। বাণিজ্য সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী ও কর্তৃপক্ষের সাথে বৈঠকে সূরাহার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
তবে এসব বিষয়ে বেনাপোল সিএন্ডএফ স্টাফ এ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান জানান,দুই দেশের ব্যবসায়ীদের সাথে বৈঠকে সৃষ্ট ঘটনার মিমাংসার সম্ভাবনা রয়েছে। দু-একদিনের মধ্যে বিষয়টি সুরাহা হবে বলে আশা করেন তিনি।
বাংলাদেশ ভারত চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক মতিয়ার রহমান জানান,সোমবার ভারতের কলিকাতায় প্রশাসন ও ব্যাবসায়িদের মধ্যে আমদানি রফতানির বিষয়ে সুরাহের সম্ভাবনা রয়েছে। দু দেশের ব্যাবসায়ি নেতা ও সরকারের প্রতিনিধিরা দ্রুত সময়ে বাণিজ্য সচলে আন্তরিক বলে জানান তিনি।
বন্দর সংশ্লিষ্টরা জানান,সীমিত আকারে রফতানি পণ্য প্রবেশে সম্মত হয়েছে পেট্টাপোল বন্দর ব্যাবহারকারীরা।ফলে আমদানি রফতানি মঙ্গলবার থেকেই সচলের আশা করেন তারা।

0 Shares