Home » জাতীয় » দীর্ঘ ২মাস পর বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে এসেছে ২২০০টন পেয়াজ

দীর্ঘ ২মাস পর বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে এসেছে ২২০০টন পেয়াজ

 বেনাপোল প্রতিনিধিঃ বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে ২২শ টন পেয়াজ আমদানি করেছে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। ভারতীয় ৮৭ট্রাকে আসে পণ্য চালানটি। যার রফতানিকারক কনফিডেন্স ট্রেডার্স ভারত। খালাসকৃত পণ্য চালানটি রবিবার সকালে বন্দর থেকে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়েছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে নাভিশ্বাস ওঠা নিম্নআয়ের মানুষের মধ্যে কমদামে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য সরবরাহের অংশ হিসেবে ভর্তুকি দিয়ে পেঁয়াজ বিক্রি করবে সরকার। বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে আসা প্রতি কেজি পেঁয়াজ আমদানি খরচ ৩৩.৭০ টাকা পড়লেও সরকার ১৩ টাকা ৭০ পয়সা ভর্তুকি দিয়ে ২০ টাকা কেজিতে এসব পেঁয়াজ ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে বিক্রি করবে। এ পর্যন্ত বন্দর দিয়ে ৪ হাজার ৩২৫ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। বন্দর থেকে দ্রুত যাতে পেঁয়াজ ছাড় হয়ে দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে পৌঁছাতে পারে, সে জন্য সব ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে বলে জানান বেনাপোল বন্দর উপপরিচালক (ট্রাফিক) আব্দুল জলিল। -নিম্নআয়ের মানুষকে কিছুটা স্বস্তি দিতে দেশের ১ কোটি ১ লাখ পরিবারের কাছে সাশ্রয়ী মূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রি শুরু করেছে এতে প্রত্যেক পরিবারকে ২০ টাকা দরে ২ কেজি পেঁয়াজ, ৫৫ টাকা দরে ১ কেজি চিনি, ৬৫ টাকা দরে ২ কেজি মসুর ডাল ও ১১০ টাকা দরে ২ লিটার সয়াবিন তেল দেয়া হচ্ছে। পেঁয়াজের জোগান দিতে সরকার ৫ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে আমদানি করবে। বাংলাদেশ ভারত চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক মতিয়ার রহমান ও বেনাপোল আমদানি রফতানি কারক সমিতির সভাপতি মহাসিন মিলন বলেন.ভারত থেকে আসা পেয়াজের চালান বেনাপোল বন্দরে গভীর রাত পর্যন্ত খালাস করা হয়েছে। রবিবার সকালে বন্দর ছেড়ে যায় পেয়াজের চালান। এরফলে দেশের মসল্লার বাজারে কিছুটা ফিরবে স্বস্তি। কমবে দাম। দেশের পেয়াজ চাষিদের উৎসাহিত করতে ভারত থেকে পেয়াজ আমদানি বন্ধের ঘোষণা দেয় সরকার। চাষ বাড়াতে কৃষি অধিদপ্তরকে নির্দেশনা দেয় সংশ্লিষ্ট দফতর। বিদেশ থেকে খাদ্যশষ্য আমদানিতে নিরুৎসাহিত করে উৎপাদন বৃদ্ধিসহ সব ধরনের পণ্য রফতানিতে সরকার আন্তরিক বলে জানান ব্যবসায়ি নেতারা।

0 Shares