Home » জাতীয় » দু ঘণ্টার জন্যে খুলে যায় বেনাপোল-পেট্টাপোল সীমান্তের গেইট

দু ঘণ্টার জন্যে খুলে যায় বেনাপোল-পেট্টাপোল সীমান্তের গেইট

এম এ রহিম,বেনাপোল:
সোহার্দ্য সম্প্রীতি ও ভারত বাংলাদেশের মধ্যে বন্ধুত্ব বাড়াতে বিজিবি বিএসফ যৌথ আয়োজন করে । স্বাধীনতা ও সুবর্নজয়ন্ত্রী উদযাপন উপলক্ষে দু ঘণ্টার জন্যে খুলে যায় বেনাপোল ও ভারতের পেট্টাপোল সীমান্তের দু পারের গেইট। মিলেমিশে একাকার হয়ে যায় দু পারের মানুষ।

নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যে বেনাপোল পেট্টাপোল সীমান্তের জিরো লাইনে সু সজ্জিত বিজিবি বিএসএফের যৌথ প্যারেড প্রদর্শিত হয়। বাংলাদেশে স্বাধীনতা দিবস ও ভারতে প্রজাতন্ত দিবসে পালিত হয় অনুষ্ঠানটি। করোনা সুরক্ষা মেনেই বিজিবি বিএসএফের শারীরিক কসরত দেখে খুশি দর্শক ও স্থানীয়রা। পরে যৌথ বিউগলের সুরে নামানো হয় ভারত ও বাংলাদেশের পতাকা। জানানো হয় শ্রদ্ধা।


বিজিবি বিএসএফসহ ভারত ও বাংলাদেশের প্রশাসন জনপ্রতিনিধি সাংবাদিক ও সুধিরা উপভোগ করেন মুনমুগ্ধকর অনুষ্ঠানটি। শুক্রবার বিকালে বেনাপোল চেকপোস্টে বিজিবি বিএসএফ কর্মকর্তাসহ এমপি পৌঁছালে তাদেরকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়। প্যারেডে অংশগ্রহণকারী বিজিবি বিএসএফ প্রতিনিধিদেরকে দেয়া হয় সন্মাননা উপহার । ঈদ উৎসবের ন্যায় অনুষ্ঠিত হয় রিট্রেট শিরিমনি। সহস্রাধিক মানুষ উপভোগ করে প্রোগ্রামটি।
স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে পুরো সীমান্ত এলাকা সাজানো হয় নতুন সাজে। এসময় মিলন মেলায় রুপ নেই অনুষ্ঠানস্থল।
এসময় উপস্থিত ছিলেন যশোর রিজিয়ন্যাল কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সোয়ারাব হোসেন ভূইয়া,বিশেষ অতিথি এমপি শেখ আফিল উদ্দিন,খুলনা সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মোহাম্মদ গোলাম মহিউদ্দিন খন্দকার,যশোর ৪৯ বিজিবির সিও লে: কর্নেল সেলিম রেজা,ভারতের ১৫৮বিএসএফের কমাডেন্ট শ্রী অরুন কুমার,১৭৯বিএসএফের শ্রী সুনীর কুমারসহ বন্দর,কাস্টম ও প্রশাসনের বিভিন্ন স্থানের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


যশোর রিজিয়ন্যাল কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সোয়ারাব হোসেন ভূইয়া বলেন,সোহার্দ্য সম্প্রীতি ও ভারত বাংলাদেশের মধ্যে বন্ধুত্বকে আরো অনেকদূরে নিয়ে যেতে মুজিব বর্ষ ও স্বাধীনতা দিবসে বিজিবি বিএসফের যৌথ আয়োজন। ফলে দু দশের মধ্যে সম্পর্ক আরো অটুট হবে বলে জানান বিজিবি বিএসএফ কর্মকর্তা। বিশেষ দিনে অনুষ্ঠানটি দু দেশকে আরো কাছে টানবে। সীমান্ত সু রক্ষায় সজাগ রয়েছে বিজিবি বিএসএফ। উভয়ে আন্তরিক বলে জানান তিনি। ববঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা জানাতে করা হয় আয়োজন। বিশেষ আপ্যাায়িত হয় আমন্ত্রিতরাসহ সর্বসাধারণ।
অনুষ্ঠান দেখে আবেগ আপ্লত ভারত বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা দর্শনার্থীরা।
ভারত থেকে আসা বিনেশ দাসী ও কমলা বালা বলেন তার জীবনে একটি স্বরণীয় উপহার ও দর্শন অনুষ্ঠানটি। আবেগ আপ্লত তারা।r

0 Shares