Home » আন্তর্জাতিক » পঞ্চগড় জেলার ইতিহাস ও দর্শনীয় স্থান ভ্রমণ !

পঞ্চগড় জেলার ইতিহাস ও দর্শনীয় স্থান ভ্রমণ !

 

পঞ্চগড় জেলার ইতিহাস ও ঐতিহ্য!
পঞ্চগড় জেলায় মানব বসতি স্থাপনের সঠিক দিনকালের হিসাব না থাকলেও; ইতিহাস ঘেঁটে বেশ কয়েকটি বিষয় জানা যায়। প্রাচীনকালের ‘পুন্ড্র’ নগরের একটা নগরী ছিল এই পঞ্চগড়, যাকে খুব সম্ভবত ‘পঞ্চনগরী’ ডাকা হত। তবে সবচাইতে বহুল প্রচলিত মত হচ্ছে, পাঁচটি গড়ের অবস্থানের কারণেই একে পঞ্চগড় বলে ডাকা হয়। গড়গুলো হচ্ছে ভিতরগড়, মীরগড়, হোসেনগড়, রাজনগড় এবং দেবেনগড়।

বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন জনপদ এই পঞ্চগড়। ইতিহাস বলে, এখনকার মতো অতীতেও এই এলাকা সীমান্তবর্তী এলাকা ছিল। পুন্ড্র সাম্রাজ্যই নয়, বরং গুপ্ত, পাল, সেন এবং মুসলিম শাসকগণের আয়ত্তাধীন ছিল এই নগরী। আরো জানা যায়, ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বিন খলজি তিব্বত আক্রমণের সময় এই জনপদ পেরিয়েই গিয়েছিলেন।

১৯৪৭ এ দেশবিভাগের পর দিনাজপুর জেলার ঠাকুরগাঁও মহকুমার অন্তর্ভুক্ত ছিল এই পঞ্চগড় থানা। ১৯৮০ সালের পহেলা জানুয়ারি ঠাকুরগাঁও মহকুমাকে পঞ্চগড় মহকুমা নামে অভিহিত করা হয়। পরবর্তীতে, ১৯৮৪ সালের পহেলা ফেব্রুয়ারি পঞ্চগড় মহকুমার পাঁচটি থানা তেঁতুলিয়া, পঞ্চগড় সদর, অটোয়ারী, বোদা এবং দেবীগঞ্জ নিয়ে তিনদিকে ভারতের সীমানা নিয়ে পঞ্চগড় জেলার সৃষ্টি হয়।

দর্শনীয় স্থান ভ্রমণ
বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট
হিমালয়ের কো’লঘেঁষে বাংলাদেশের সর্বোত্তরের উপজেলা তেঁতুলিয়া। এই উপজেলার ১নং বাংলাবান্ধা ইউনিয়নে অবস্থিত বাংলাদেশ মানচিত্রের সর্বোত্তরের স্থান বাংলাবান্ধা জিরো (০) পয়েন্ট ও বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর। এই স্থানে মহানন্দা নদীর তীর ও ভারতের সীমান্ত সংলগ্ন প্রায় ১০ একর জমিতে ১৯৯৭ সালে নির্মিত হয় বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর, নেপালের সাথে বাংলাদেশের পণ্য বিনিময়ও সম্পাদিত হয় বাংলাবান্ধা জিরো (০) পয়েন্টে। সম্প্রতি এ বন্দরের মাধ্যমে ভারতের সাথে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এ ছাড়া নেপাল ও ভুটানের সাথেও এ বন্দরের মাধ্যমে অর্থনৈতিক সম্পর্ক সুদৃঢ় হচ্ছে। এটি বাংলাদেশের একমাত্র স্থলবন্দর যার মাধ্যমে তিনটি দেশের সাথে সুদৃঢ় যোগাযোগ গড়ে উঠার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে। এখানে খুব শিঘ্রই ভারতের সাথে ইমিগ্রেশন চালু হতে যাচ্ছে। এটি চালু হলে পঞ্চগড় জেলা পর্যটকদের প্রাণকেন্দ্রে পরিণত হবে।হিমালয় কন্যা পঞ্চগড়ের বেশ কিছু সম্ভাবনার মাঝে তেতুলিয়া বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর অন্যতম।এই বন্দর সম্পূর্ণ চালু হলে শুধু তেতুলিয়া পঞ্চগড় নয় বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এর প্রভাবে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের দৃশ্যপট পাল্টে দিতে পারে।

কাজী এন্ড কাজী টি এস্টেট!
গেট দিয়ে ঢুকে হাতের ডানেই এই ইংরেজি এল-আকৃতির ছায়াঘেরা রাস্তাটি চোখে পড়বে;
দৃষ্টিনন্দন গেট দিয়ে ভেতরে ঢুকেই হাতের ডান দিকে আপনার জন্যে অপেক্ষা করছে লতাপাতার ছায়ায় অন্ধকারাচ্ছন্ন এক প্রবেশপথ। চারিদিকে সবুজের সমারোহে হারিয়ে যখন আপনি সে পথের শেষ প্রান্তে আসবেন, তখন আধুনিক ধাঁচে গড়া কিছু দৃষ্টিনন্দন কটেজ আপনার দৃষ্টি কাড়বে। ভেতরে একটা লেকও আছে, তার পাশেই কয়েকটা কটেজ এবং লেকের ঠিক মাঝেই ব্রিজ পেরিয়ে যাওয়া যায় দৃষ্টিনন্দন বিশ্রামাগারে।

গাছগাছালির ভিড়ে এরকম দৃষ্টিনন্দন কটেজ আপনাকে মুগ্ধ করবে
ব্রিজ থেকে শুরু করে হাঁটার রাস্তা, লেক, বিশ্রামাগার, বাংলো, কাঠের কটেজ সবকিছুতেই আভিজাত্য আর নান্দনিকতার স্পষ্ট ছাপ পাবেন। খোলা মাঠে কিছু ঘোড়াকে দেখবেন ঘাস খেতে। ভুলেও সামনে যাবেন না, কেননা এই ঘোড়াগুলোর কামড় দেয়ার বাজে অভ্যাস আছে। আর বের হওয়ার সময় মীনা বাজারে চলে যাবেন। সেখানে আপনি অর্গানিক চা-পাতা এবং অর্গানিক মিষ্টি পাবেন।এমনই নান্দনিক
সৌন্দর্যের দেখা মিলবে কাজী এন্ড কাজী টি এস্টেটের কার্যালয়ে।এই সৌন্দর্যের ভেতর হারিয়ে গিয়ে কতটা সময় যে পার হয়ে গিয়েছে
বলতেই পারবেন না।


মহানন্দা নদীতে পাথর উত্তোলনের দৃশ্য!
পুরাতন বাজার হচ্ছে আগের হাট, যেটা এখন আর নেই। পুরাতন বাজারে অটো থেকে নেমেই প্রথমে চোখে পড়বে সামনে ভারতের সীমানা অতিক্রম করা নিষেধ। একটি প্রাচীন ঘাট আছে, যেটা দিয়ে নীচে নেমে কিংবা সেটার উপর থেকে দাঁড়িয়েই দেখা যায় হাঁটু-সমান মহানন্দা নদীর পানিতে পাথর উত্তোলনের দৃশ্য।

টারশিয়ারী যুগে সমুদ্রের এক প্রলয়ংকারী জলোচ্ছাস এবং প্লাবনে পশ্চিমবঙ্গসহ এ দেশের অনেক অঞ্চলই পানির নীচে তলিয়ে গিয়েছিল। সেজন্যে সমুদ্রজাত পাললিল শিলাস্তর দিয়ে এ দেশের বেশ কিছু অঞ্চল পরিপূর্ণ, যার মধ্যে পঞ্চগড় অন্যতম। তেঁতুলিয়া উপজেলার নির্দিষ্ট কয়েকটি জায়গায় ৫/৬ ফুট গর্ত করলেই দেখা মেলে পাথর এবং পানিশাল কাঠের। তাই এই অঞ্চলের অনেক লোকই পাথর উত্তোলন করে জীবিকা নির্বাহ করে থাকে।

পাথর উত্তোলনকারী;
পাথর উত্তোলনের জন্যে বিশালাকারের রাবারের টিউব নিয়ে মহানন্দা নদীর মাঝে চলে যান পাথর সংগ্রহকারীরা। নদীর মাঝ থেকে কখনো কয়েকজন মিলে, আবার কখনো নিজে একাই পাথর তুলে রাবার টিউব ভর্তি করে পাড়ে নিয়ে আসেন। তারপর বিভিন্ন আকৃতির পাথরগুলো থেকে ময়লা ছাঁকিয়ে একটা কাঠের বাক্সে ভর্তি করে নেয়। একটা কাঠের বাক্স একবার ভর্তি হলে সেটাকে এক সেপটিক বা এক ফেরা বলে।

নদীর পাথর উত্তোলনের মাঝে ওপাড়ে চোখ পড়তেই ভারতের কাঁটাতারের সীমানা ব্রিজ দেখবেন। সেটাকে অনেকে বড় ব্রিজ বলে, আবার অনেকে স্লুইস গেট বলে কেননা একইসাথে স্লুইস গেটের কাজ এবং যানবাহন চলাচলের কাজ হয় এই ব্রিজ দিয়ে। অনেকে আবার জলপাইগুড়ি ব্রিজ বলে, কেননা ধারণা করা হয়, ভারতের জলপাইগুড়ি অংশটা ঐদিকেই অবস্থিত।

এই তেঁতুল গাছের নামেই জায়গার নাম তেতুলিয়া হয়েছে!
তেঁতুলিয়া থেকে পঞ্চগড় সদর আসতে প্রায় সবকটা থানাই পেড়িয়ে আসতে হয়। এবং প্রত্যেকটা থানাতেই কিছু না কিছু দেখার আছেই। তবে দেখতে চাইলে অবশ্যই আপনাকে সময় নিয়ে আসতে হবে এবং গ্রামের ১০/১২ কিলোমিটার ভেতরে গিয়ে দেখতে হবে।

 

মহারাজার দিঘী!
রাজপ্রাসাদের সন্নিকটে ছিল একটি বড় পুকুর বর্তমানে যা ’মহারাজার দিঘী’ নামে পরিচিত। ’মহারাজার দিঘী’ একটি বিশালায়তনের জলাশয়। পাড়সহ এর আয়তন প্রায় ৮০০X৪০০ গজ। পাড়ের উচ্চতা প্রায় ২০ ফুট। জলভাগের আয়তন প্রায় ৪০০X২০০ গজ। পানির গভীরতা প্রায় ৪০ ফুট বলে স্থানীয় অধিবাসীদের বিশ্বাস। পানি অতি স্বচ্ছ। দিঘীতে রয়েছে মোট ১০টি ঘাট। ধারণা করা হয় পৃথূ রাজা এই দিঘীটি খনন করেন। কথিত আছে পৃথু রাজা পরিবার-পরিজন ও ধনরত্ন সহ ‘‘কীচক’’ নামক এক নিম্ন শ্রেণীর দ্বারা আক্রমণের শিকার হয়ে তাদের সংস্পর্শে ধর্ম নাশের ভয়ে উক্ত দিঘীতে আত্মহনন করেন। প্রতি বছর বাংলা নববর্ষে উক্ত দিঘীর পাড়ে মেলা বসে। উক্ত মেলায় কোন কোন বার ভারতীয় লোকের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।

পঞ্চগড়ের দর্শনীয় স্থান সমূহ
একটা পর্যটন নগরীর হওয়ার জন্যে যেসব উপাদানের প্রয়োজন তার সবকিছুই পঞ্চগড়ে আছে এবং পঞ্চগড়ে দর্শনীয় স্থানও অনেক আছে। তবে পঞ্চগড় ছোট জেলা হলেও দর্শনীয় স্থানগুলোর দূরত্বের উপর ভিত্তি করে একদিনে ঘুরে দেখা সম্ভব নয়।

১. ভিতরগড় দুর্গ;
২. মহারাজার দীঘি (প্রায় ১৫০০ বছর প্রাচীন) ও কাজল দীঘি;
৩. রকস মিউজিয়াম; (বাংলাদেশের একমাত্র পাথরের যাদুঘর)
৪. বাংলাবান্ধা স্থল বন্দর ও জিরো পয়েন্ট;
৫. তেঁতুলিয়া ডাক বাংলো এবং পিকনিক স্পট;
৬. মির্জাপুর শাহী মসজিদ; (প্রায় ৪০০ বছর পুরানো)
৭. ছেপড়াঝাড় পাহাড়ভাঙ্গা মসজিদ; (প্রায় ৪০০ বছরের পুরানো)
৮. বার আউলিয়ার মাজার;
৯. গোলকধাম মন্দির;
১০. বদেশ্বরী পিঠ মন্দির; (এ মন্দির বাংলাদেশে দুটি আছে কেবল। এটি এবং সীতাকুন্ডে একটি)
১১. জগবন্ধু ঠাকুরবাড়ি;
১২. সমতল ভূমির চা-বাগান এবং কাজী এন্ড কাজী টি এস্টেট বাংলো;
১৩. দেবীগঞ্জ সেতু ও ধরধরা রেল সেতু;
১৪. এশিয়ান হাইওয়ে, রবীন্দ্র চত্বর ও নজরুল চত্বর;
১৫. মীরগড়ের অবশিষ্ঠাংশ; হোসেনগড় বর্তমানে ভারতীয় ভূখন্ডে চলে গেছে। দেবেনগড়, রাজনগড় এবং মীরগড়ের বেশিরভাগ অংশই এখন বিলুপ্তপ্রায়।
১৬. মহানন্দী নদী, পাথর উত্তোলন এবং ভারতের জলপাইগুড়ি ব্রীজ;
১৭. কাঞ্চনজঙ্ঘা দর্শন; (হেমন্তকালে এবং শীতের শুরুতে কিংবা শেষের দিকে);
১৮. বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম স্টেডিয়াম;

পঞ্চগড়ের আঞ্চলিক সংস্কৃতির জনপ্রিয় গান হচ্ছে ‘হুলির গান’। অনেকটাই পালা শ্রেণীর গান। যদিও বা, সনাতন ধর্মের হুলি পূজার নাম থেকে এই নামের উৎপত্তি তা সত্ত্বেও এই গানে ফুটে ওঠে সমসাময়িক জীবনযাপনের অসংগতির চিত্র, দুঃখ-বেদনা-সুখ কিংবা প্রেমের ইতিহাস। কখনো তা রসাত্মকভাবে আবার কখনো তা ব্যাঙ্গত্মকভাবে উপস্থাপন করা হয়। এই গানে একজন ছোকরা (মেয়ের সাজে ছেলে) এবং একজন সং (জোকার) থাকেন যারা বিভিন্ন নাটকীয়তার সাথে সাথে কাহিনীর ধারাবাহিক বিন্যাস করেন। বর্ণিল পোশাকে সজ্জিত হতে হয় এই গানে অংশগ্রহণ করতে চাইলে। একেকটা গানে প্রায় ১০-১২ জন পর্যন্ত অংশগ্রহণ করে থাকেন। কাসর, সারঙ্গী, ঢোল বাঁশি সহ আরো বিভিন্ন বাদ্য যন্ত্র ব্যবহার করা হয় এ গানে।

আবাসন ব্যবস্থা
পঞ্চগড় পরিপূর্ণভাবে পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে উঠতে না পারলেও পঞ্চগড়ে আবাসন ব্যবস্থার স্বল্পতা নেই।
সরকারি আবাসনসমূহ!

১. পঞ্চগড় সার্কিট হাউজ;
২. জেলা পরিষদ ডাকবাংলো;
৩. তেঁতুলিয়া ডাকবাংলো;
৪. বাংলাবান্ধা ডাকবাংলো;
৫. পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের রেস্ট হাউজ;

এছাড়া, তেঁতুলিয়া পিকনিক কর্ণার, দেবীগঞ্জ ডাকবাংলো, বোদা ডাকবাংলো, আটোয়ারী ডাকবাংলো, কৃষি ফার্ম গেস্ট হাউজ, রেশম প্রকল্প গেস্ট হাউজসহ আরো অনেকগুলো সরকারিভাবে থাকার আবাসনের ব্যবস্থা আছে।

বেসরকারি আবাসনসমূহ

১. মৌচাক আবাসিক হোটেল;
২. সেন্ট্রাল গেস্ট হাউজ;
৩. হোটেল রাজনগর আবাসিক;
৪. হিলটন বোর্ডিং;
৫. হোটেল প্রীতম আবাসিক;

এছাড়া, হোটেল ইসলাম, এইচ কে প্যালেস, নীরব গেস্ট হাউজ, রোকসানা বোর্ডিং, ইসলাম আবাসিক হোটেল, মুন স্টার সহ আরো অনেকগুলো আবাসিক হোটেলে থাকা-খাওয়ার সুব্যবস্থা আছে।

পঞ্চগড়ের মানুষজন সহজ সরল এবং অতিথিপরায়ণ স্বভাবের। তাদের সাথে আন্তরিকভাবে কথা বললে তারা খুব খুশি হন এবং নিজে থেকেই যেকোনো সাহায্যের জন্যে এগিয়ে আসেন। পঞ্চগড়ের মানুষজনের আরেকটা স্বভাব হচ্ছে, তারা চান তাদের জেলাটাও যেন পর্যটনের নগরী হিসেবে পরিচিতি পায়। তাই তারা চান আরো বেশি পর্যটক আসুক। সাধারণত অন্যান্য জায়গায় অপরিচিত বা পর্যটক দেখলেই দাম বাড়িয়ে নেয়, কিন্তু পঞ্চগড়ে এটা খুবই কম। পঞ্চগড় দুর্যোগপ্রবণ জেলা নয়, আবার এখানকার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অন্য যেকোনো জেলার চাইতে শান্তিপূর্ণ। তবে পঞ্চগড়ে ঘুরতে হলে সবচাইতে ভালো হেমন্তকাল কিংবা শীতের শুরু অথবা শীতের একদম শেষে। দিনটা বড় থাকলে একদিনে অনেকগুলা দর্শনীয় স্থানে ভ্রমণ করা সম্ভব।

তবে পঞ্চগড়ের যাতায়াত ব্যবস্থা অন্যান্য পর্যটন নগরীর মতো উন্নত নয়। তাই যেখানেই যাবেন রিজার্ভ করে যাবেন যাতে ঘুরে দেখে বের হয়ে আবার অন্য কোথাও যেতে পারেন। অথবা দল বেঁধে গেলে মাইক্রো বা ভ্যান ভাড়া করে নিতে পারেন। যদিও অনেক জায়গায় মাইক্রো ছেড়ে অটোতেই উঠতে হতে পারে। আর পঞ্চগড়ের স্থানীয় বাসের ক্ষেত্রে সঠিক তথ্য দেয়াটা মুশকিল, কেননা আগে সাদা পতাকা লাগানো বাসগুলো ছিল গেটলক সার্ভিস। কিন্তু বর্তমানে কয়েক রঙের পতাকা লাগানো বাস আছে এবং সবাই-ই নিজেদের গেটলক বলে। আসলে কে যে গেটলক তা খুঁজে বের করা মুশকিল!

 

নিউটার্ন.কম/RJ

0 Shares