Home » জাতীয় » পটুয়াখালীতে ইটভাটায় হামলায় ভাংচুর, কোটি টাকার ক্ষতির আশংকা

পটুয়াখালীতে ইটভাটায় হামলায় ভাংচুর, কোটি টাকার ক্ষতির আশংকা

 

মু. জিল্লুর রহমান জুয়েল, পটুয়াখালী :

পটুয়াখালী সদর উপজেলার ছোট বিঘাই ইউনিয়নের চালিতা বুনিয়ার মাটিভাংঙ্গা গ্রামের একটি ইটভাটায় সন্ত্রাসীদের হামলা ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনায় প্রায় ২ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার খবর পাওয়া যায়। এসময় থানা পুলিশ ২ জনকে আটক করেছে।

আরও পড়ুন :

পটুয়াখালী মৌকরনে পৈত্রিক সম্পত্তি জবর দখলের চেষ্টা , থানায় অভিযোগ!

পটুয়াখালীর দশমিনায় ডুবে যাওয়া এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে জেলেরা

মামলা ও স্থানীয় প্রতিনিধির পাঠানো তথ্যে জানাযায়,গত ১৩ ফেব্রুয়ারি শনিবার পটুয়াখালী সদর উপজেলাধীন চালিতা বুনিয়ার মাটিভাংঙ্গা বাজারে সহীদ গাজীর ইটের ভাটায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সন্ত্রাসীরা হামলা ও ভাঙচুর এবং লুটপাটের ঘটনা ঘটায়।

 

উক্ত ঘটনার বিবরণে জানা যায়,একই এলাকার আজহার হাওলাদারের পুত্র মোঃ আলতাফ হোসেন হাওলাদার (৫৫) গংদের সাথে দীর্ঘদিন যাবৎ ব্যবসায়ীকসহ বিভিন্ন বিরোধ বিদ্যমান ছিলো। যার সূত্র ধরে গত শনিবার ইট ভাটার কাজের জন্য আনা ২শত ব্যাগ সিমেন্ট বোঝাই দুটি ট্রাক আলতাফ হোসেন হাওলাদারের নেতৃত্বে তার বাড়ির সামনের রাস্তা দিয়ে নেয়ার সময় গতি রোধ করে সিমেন্ট লুটপাট করে নিয়ে যায়। এবং ট্রাক দুইটির ক্ষতিসাধন করে। উক্ত ঘটনার প্রতিবাদ করলে ঐ দিন সন্ত্রাসীরা দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মাটিভাঙ্গা বাজের অবস্থিত সহীদ গাজীর ইটভাটায় সন্ধ্যা ৭ টার সময় অতর্কিত হামলা চালায়। সন্ত্রাসীরা ইটভাটায় ১ লক্ষ কাঁচা ইট,২টি ট্রলি,একটি স্কেভেটোর ও ইটভাটার হাওয়া মেশিনে আগুন লাগায়। এবং ইটভাটার ক্যাশ কাউন্টারে থাকা ১৪ লক্ষ ৩৫ হাজার টাকা লুট করে এবং যাওয়ার পথে বাজারে অবস্থিত মামুন মৃর্ধার দোকানে হামলা ও ভাংচুর করে এবং দেকানের ক্যাশ বাক্সে গচ্ছিত নগদ ৩ লক্ষ টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়।

 

উক্ত ঘটনার ব্যপারে শহীদ গাজী জানান, তার প্রায় ২ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। উক্ত ঘটনায় আলতাফ হোসেন হাওলাদারসহ ১৪ জনকে আসামিা করে পটুয়াখালী সদর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। (মামলা নং -১৭/১৪-২-২১) এবং সদর থানা পুলিশের অভিযানে রুবেল হাওলাদার(২৫)এবং গোলাম আহম্মদ( ৫০) নামে ২ জনকে আটক করতে সক্ষম হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়।

বিষয়টি নিশ্চিত করতে ছোটবিঘাই ইউপি চেয়ারম্যান মো, আলতাফ হোসেন হাং এর মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন,উক্ত ঘটনার সময় আমি পটুয়াখালী সদর থানায় উপস্থিত ছিলাম। তবে অত্র এলাকার জনসাধারণ এমনটা করেছে। এছাড়াও বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব এড়িয়ে ফোনটি কেটে দেন।

0 Shares