Home » জাতীয় » পাল্টে গেছে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সর দৃষ্যপট
পাল্টে গেছে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সর দৃষ্যপট

পাল্টে গেছে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সর দৃষ্যপট

এম এ রহিম,বেনাপোল:

এগোচ্ছে দেশ,স্বাস্থ্য ক্ষেত্রেও লেগেছে আধুনিকতার ছাপ। এর ধারাবাহিকতায় যশোরের শার্শা উপজেলার নাভারন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সেবার মান বেড়ে গেছে বহুগুন। গত এক বছরের ব্যাবধানে পাল্টে গেছে শার্শা উপজেলা কমপ্লেক্সের চিত্র। পরিস্কার পরিচ্ছন্ন সহ কেেমছ মানুষের দুর্ভোগ। শহরের ন্যায় চিকিৎসা সেবা পাচ্ছেন এলাকার মানুষ। হয়েছে অবকাঠামোগত উন্নয়ন সহ ইকুপমেন্ট ও চিকিৎসা সামগ্রী ও বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা বাড়ায় হাতের নাগালে ভাল সেবা পেয়ে খুশি ভুক্তভোগীসহ এলাকার মানুষ।

শার্শার আবদার আলী ও বেনাপোলের ফরিদা খাতুন বলেন,দন্ত,মহিলাগত সমস্যা-ওয়ার্ড সংকট-পরীক্ষনের অভাব সহ বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত ছিল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেটি। এখন সেবার মান বাড়ায় উপকৃত হচ্ছে গ্রাম ও শহর এলাকার মানুষেরা।

উপজেলা চেয়ারম্যান সিরাজুল হক মজ্ঞু বলেণ,স্বাস্ব্য বান্ধব সরকার মানুষের সেবার মান বাড়াতে বিভন্ন পদক্ষেপ গ্রহন করেছেন। বিদেশ নয় দেশ্ইে হবে সব চিকিৎসা এর ধারাবাহিকতায় হাসপাতাল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কমিউানিটি ক্লিনিক,মা ও শিশু স্বাস্থ্য সেবা-পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্রগুলোতে জনবল,ঔষধ ও চিকিৎসা সামগ্রী বৃদ্ধি করা হয়েছে। যা সর্বকালের রেকর্ড। এর সফল পাচ্ছেন সর্ব শ্রেনী পেশার মানুষ সহ সাধারন জনগন। এরা ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সবাইকে আন্তরিক হয়ে কাজ করা ও এগিয়ে আসার আহব্বান জানান তিনি।

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা: ইউছুপ আলম বলেন,উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত কর্মকর্তা কর্মচারী ও সব ষ্টাফদের আন্তরিকতার ফলে সব ধরনের সেবা পচ্ছে এলাকার মানুষ। বৃহস্পতিবার তার কর্মস্থলে একবছর পূর্তি অনুষ্টান পালন করা হয়েছে। কেক কেটে ও ফুল দিয়ে কাজের স্বিকৃতি স্বরুপ সন্মানিত করা হয়। নাভারন ডিগ্রি কলেজের অধ্যাক্ষ ইব্রাহিম খলিল সহ সহ কর্মিরা ফুল দিয়ে শুভেচা জানান। এসময় উপস্তিত ছিলেন,ডা: জাইদুল ইসলাম,বিচিত্র মল্লিক,ডা,আশরাফ আলী,শুভংকর কুমার মন্ডল,আজিম উদ্দিন,ডা: শুভাশিষ রায়,উপজেলা রিপোটার ক্লাবের সাধারন সম্পাদক এম এ রহিম,উপজেলা জার্নালিষ্ট এ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক আব্দুল মান্নান,সাংবাদিক শাহিন আলম,ইসমাইল হোসেন,আব্দুর রহমান,আলী হোসেন প্রমুখ।

আরও পড়ুনঃ গোলাপগঞ্জে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধে ভ্রামমাণ আদালতের অভিযান

কুমিল্লার তিতাসে লম্পট মোতালিব অপরহণ করেছে শাবনূরকে

ডা: ইউছুপ আলম বলেন,৫০ শর্যা হাসপাতালে উন্নত হয়েছে শার্শা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স,অধিকাংশ রুম প্রশস্ত ও টাইলসে মোড়ানো হয়েছে। এক্সরা ইসিজি,প্যাথলজি,বক্ষ আল্টাসনোগ্রাফ সহ আধুনিক অনেক মেশিন বসানো হয়েছে। আলাদা কমিউনিটি কর্নার,ভায়া কর্নার ফ্লু কর্নার এ এনসি কর্নার,ইপিআই কর্নার,শিশু কর্নার,ওআরটি কর্নার,প্রসুৃতি বিভাগ,সহ একাধিক বিভাগ খোলা হয়েছে।অধিকাংশ রুমে টাইলস ও থাইগ্লাস সংযোজন করা হয়েছে। জরুরী বিভাগের সংস্করন ও অতিরিক্ত ওটির ব্যাবস্থা করা হয়েছে। অফিসরুম সহ প্রশাসনকিও কনফারেন্সরুম সাজানো হয়েছে আধুনিক সাজে। বেড়েছে ঔষধের সরবরাহ। হাসপাতালের পরিবেশ ও নিরাপত্বা ব্যাবস্থা বাড়ানো হয়েছে। বিশখাওয়া রোগীর জায়গা সম্প্রসারন, আন্তবিভাগ,ডেন্টাল আয়ুবেদিক ও হোমিও প্যাথিক বিভাগ,নিরাপদ পানির ব্যাবস্থা,স্বাস্থ্য শিক্ষার ব্যাবস্থা,আলাদা বেষ্ট ফিডিং,দর্শনার্থীদের বসার ব্যাবস্থা,মুক্তিযোদ্ধারে সিট বরাদ্ধ,পুরানো বেড অপসারন, নতুন ফ্যান সংযোগ,পোষ্ট অপাঅেপারেট কেয়ার,পিপিএম ম্যানেজমেন্ট,সার্বক্ষনিক বিদ্যুতের ব্যাবস্থা, করোনা পরিরোধে নিরাপদ বুথ,জিন এক্সপার্ট ম্যাশিন,ডায়াগনষ্টিক ফ্যাসিলিটিজ,হামরুবেলা ক্যাম্পপেইন, জরায়ু ও মুখের ক্যানসার প্রতিরোধে ভায়া ক্যাম্পেইন,২৬শজনকে টেষ্ট করা হয়।হাসপাতালের বেহাত হওয়া ১৬শতক জমির অধিকাংশ উদ্ধার করা হয়েছে। বাকি জমি উদ্ধার করে মটরসাইকেল গ্যারেজ ও মার্কেট করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান তিনি।

তবে বেশ কয়েকজন রোগী ও স্বজনেরা জানান,কিছু টয়লেটের অবস্থা নাজুক,খাদ্যের মান ও খারাপ। ডাক্তারা ভাল হলেও অধিকাংশ নার্সের ব্যাবহার রুক্ষ,কর্কশ। একই স্থানে দীর্ঘদিন চাকুরীর সুবাদে সেবীকাদের খারাপ আচারনকে দাবী করেন স্থানীয়রা। এ ব্যাপারে একজন সিনিয়র নার্সের কাছে জানতে চাইলে বলেন দিনভর রোগীদের কাছ থেকে ভাল আচারন পাননা তারা। ফলে দু একজন জোরে কথা বলতে পারে। রোগীদের আপন করেই দেখেন তারা।

ডা”জাইদুল ইসলাম বলেন নাভারনের চিকিৎসা সেবার মান বেড়েছে বহুগুণ। এর ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে চেষ্টা করছেন তারা। তবে কিছু জনবল বৃদ্ধিসহ প্রয়োজনীয় সামগ্রী বাড়ানো দরকার বলে জানান চিকিৎসকেরা।r

 

 

0 Shares