Home » জাতীয় » বাংলাবান্ধায় বিজিবি-বিএসএফের যৌথ রিট্রিট প্যারেড

বাংলাবান্ধায় বিজিবি-বিএসএফের যৌথ রিট্রিট প্যারেড

 

সাইদুজ্জামান রেজা, পঞ্চগড়:

বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে বিজিবি-বিএসএফের যৌথ রিট্রিট প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়েছে।


শুক্রবার (২৬ মার্চ) বিকেলে পঞ্চগড় ১৮ বিজিবি ব্যাটালিয়ন ও ভারতের ৫১ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ ফুলবাড়ি আইসিপি সীমান্তের জিরো পয়েন্টে বিজিবি-বিএসএফ যৌথ রিট্রিট প্যারেড আয়োজন করে। এসময় অতিথিদের উপস্থিতিতে ভ্রাতৃত্বের সেতু বন্ধনের অংশ হিসেবে বিজিবি-বিএসএফ প্যারেড কন্টিনজেন্ট চমকপ্রদ ও মনোমুগ্ধকর প্যারেড প্রদর্শন করে।
করোনার সংক্রমণ ও প্রাদুর্ভাবের কারণে সকল স্বাস্থ্যবিধি মেনে ও সামজিক দূরত্ব বজায় রেখে মহান স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্ত্রী ও মুজিব শতবর্ষের ছোঁয়ায় সুসজ্জিত করে অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করা হয়।
এসময় পঞ্চগড়-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. মজাহরুল হক প্রধান, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ রংপুরের উত্তর পশ্চিম রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. কায়সার হাসান মালিক, এনডিসি পিএসসি এবং আইজি বিএসএফ, নর্থ বেঙ্গল ফ্রন্টিয়ার শ্রী সুনিল কুমার, বিজিবির ঠাকুরগাঁও সেক্টর সদর দপ্তরের সেক্টর কমান্ডার এসইউপি কর্নেল এস এম আজাদ, পঞ্চগড় ১৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের পিএসসি সিও অধিনায়ক লে. কর্নেল খন্দকার আনিছুর রহমান ও বিএসএফ এর ডিআইজি শিলিগুড়ি সেক্টর শ্রী পরশু রাম, কমান্ড্যান্ট ৫১ ব্যাটালিয়ন বিএসএফ কে উমেশ এবং বিজিবি-বিএসএফ এর বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
সবশেষে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী স্মরণ করে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারতের অবদান উল্লেখ করে রংপুরের উত্তর পশ্চিম রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. কায়সার হাসান মালিক বক্তব্য ‌দেন। এ ধরণের অনুষ্ঠান দু’দেশের সম্পর্ক উন্নয়ন ও মানুষকে দেশপ্রেমে উদ্ভুদ্ধ করবে বলে তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন। এই মহতী অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে পেরে আইজি বিএসএফ-বিজিবিকে ধন্যবাদ পূর্বক দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বক্তব্য প্রদান করেন। বক্তাগণ তাদের বক্তব্যে এই স্মরণীয় দিনটিকে আরও গৌরবান্বিত করার লক্ষে দুই দেশের বন্ধুত্বের এই নিদর্শন যৌথ রিট্রিট প্যারেডের আয়োজনকে সাধুবাদ জানান। পরিশেষে বিজিবি-বিএসএফ ঐতিহাসিক জয়েন্ট রিট্রিট সেরিমনিকে স্বরণীয় করে রাখার জন্য স্বারকচিহ্ন বিনিময়ের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের পরিসমাপ্তি ঘটে।

0 Shares