Home » মতামত » বিশ্ব পরিবেশ সুরক্ষা ও বাংলাদেশ -ইরানী বিশ্বাস

বিশ্ব পরিবেশ সুরক্ষা ও বাংলাদেশ -ইরানী বিশ্বাস

 

 

 

পরিবেশের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছেন এমন রাষ্ট্রের নেতা, সুশীলসমাজের সদস্য ও বেসরকারি খাতের মোট পাঁচ ব্যক্তিকে প্রতিবছর জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক সর্বোচ্চ ‘চ্যাম্পিয়নস অব দ্য আর্থ’ পুরস্কার দেয়া হয়। ২০০৪ সাল থেকে পলিসি, বিজ্ঞান, ব্যবসা এবং সুশীলসমাজ এই চার ক্যাটাগরিতে পরিবেশ নিয়ে কাজের স্বীকৃতি হিসেবে সম্মানজনক এ পুরস্কার দেয়া হয়ে থাকে।
২০১৫ সালে পলিসি লিডারশিপ ক্যাটাগরিেিত রাজনৈতিক নেতা হিসেবে বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক সর্বোচ্চ-এ পুরস্কার ‘চ্যাম্পিয়নস অব দ্য আর্থ’ পেয়েছিলেন।
করোনা মহামারি শুরু হওয়ার পর থেকে পরিবেশসংরক্ষণ সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। সমগ্র পৃথিবীতে পরিবেশসংরক্ষণ ক্রমেই প্রাত্যহিক জীবনের অংশ হয়ে উঠছে। আর্থ-সামাজিক উন্নয়নসহ জীবনযাত্রার টেকসইমান নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে একটি স্বাস্থ্যকর ও নির্মল প্রকৃতি থাকা খুবই জরুরি।
বাংলাদেশ ঘনবসতিপূর্ণ একটি ছোট্ট দেশ। পরিবেশগত বৈচিত্র্যের আধার হিসেবে এ দেশটিকে বিবেচনা করা হয়। উত্তরে হিমালয় এবং দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের অবস্থান। জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ – অল্প জমিতে অধিকসংখ্যক মানুষের বসবাস। আয়তনে ছোট দেশটিতে ১৬ কোটি মানুষের খাদ্য উৎপাদন এবং অর্থনৈতিক কর্মকা- বৃদ্ধির কারণে সমগ্র দেশটিই কৃষিভূমি বা আবাসিক নগর হতে চলেছে। শেষ হয়ে যাচ্ছে দেশের অবশিষ্ট বনাঞ্চল, ভরাট হয়ে যাচ্ছে নদী-নালা, খাল-বিল। ভরাট হতে হতে অবশিষ্ট যে নদী-নালা, খাল-বিল টিকে আছে, দূষণের করাল গ্রাসে সেগুলোর জীববৈচিত্র্যও ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে।
বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দূষণ ও পরিবেশগত ঝুঁকির কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় বাংলাদেশ অন্যতম। বাংলাদেশে প্রতিবছর যতো মানুষের মৃত্যু হয়, তার শতকরা ২৮ শতাংশ মারা যায় পরিবেশ দূষণজনিত বিভিন্ন অসুখ-বিসুখে। কিন্তু সারা বিশ্বে এ ধরণের মৃত্যুর গড় মাত্র ১৬ শতাংশ। বাংলাশের শহরাঞ্চলে এই দূষণের মাত্রা উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের পরিবেশ বিষয়ক সংস্থা এনভায়রনমেন্টাল প্রটেকশন এজেন্সি (ইপিআই) গত বছর বিশ্বের ১৮০টি দেশে সরকারের পরিবেশ সুরক্ষায় ভূমিকা নিয়ে যে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, তাতে দেখা যায় ২০১০-১৮ সালের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৪০ ধাপ পিছিয়ে ১৭৯তম অবস্থানে নেমে এসেছে। শেষ ধাপে রয়েছে আফ্রিকার যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ বুরুন্ডি।
বিশ্বে পরিবেশ সুরক্ষায় বাংলাদেশের অবস্থান যেভাবে নিম্নমুখি হচ্ছে, তা অবশ্যই দেশের সাধারণ মানুষ এবং দেশের জন্য উদ্বেগ ও আতঙ্কের বিষয়। মনে রাখা খুবই জরুরি, পরিবেশদূষণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার হয় নারী, শিশু ও স্বল্প আয়ের প্রন্তিক জনগোষ্ঠী।
বাংলাদেশের পরিবেশ দূষণে পলিথিন একটি অত্যন্ত ক্ষতিকর বিষয়। মাটি ও পানিদূষণ নিয়ন্ত্রণে ২০০২ সালে পলিথিন ব্যাগের উৎপাদন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয় আমাদের দেশে। অথচ এখনো অবাধে পলিথিন ব্যবহার হচ্ছে, এমনকি পলিথিন উৎপাদন কারখানাগুলোও তাদের উৎপাদর অব্যাহত রেখেছে। বিশ্বে পলিথিনদূষণে বাংলাদেশের স্থান দশ। এই তালিকায় শীর্ষে রয়েছে চিন, ইন্দোনেশিয়া ও ভিয়েতনাম। ২০১৭ সালের সমীক্ষায় দেখা গেছে, বাংলাদেশের মাটি ও পানিতে ৬৫ লাখ টন প্লাস্টিক বর্জ্য জমা রয়েছে। জানা যায়, ঢাকা শহরে একটি পরিবারে দৈনিক গড়ে চারটি পলিথিন ব্যাগ ব্যবহার করা হয়, যা পরিবেশদূষণের অন্যতম কারণ। এ বিষয়ে আমাদের সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই।
নদী বাঁচলে দেশ বাঁচবে, বাঁচবে এ দেশের প্রাণ-প্রকৃতি, জীববৈচিত্র্য। নদীর সাথে মিশে আছে কৃষি, মৎস্যখামার ও শিল্পকারখানায় কর্মরত কোটি কোটি মানুষের জীবন-জীবিকা। এছাড়াও নদী সুপেয় পানির আধার, অথচ বেশি লাভের আশায় কারখানাগুলোতে ইটিপি ব্যবহার না করে শিল্পকারখানার তরল বর্জ্য সরাসরি নদী-নালা, খাল-বিলে ফেলে দেয়া হয়। এতে নদীর পানি দূষণ হয়ে ধ্বংস হচ্ছে মাছ, জলজপ্রাণী ও উদ্ভিদ। এই দূষিত পানি কৃষিজমিতে ব্যবহার করার ফলে মটিও দূষিত হচ্ছে। কেঁচোসহ উপকারী অনুজীব মারা যাচ্ছে। ফলে ক্রমেই জমি উর্বরতা হারাচ্ছে। অন্যদিকে দেশের জলাশয়, নদী ভরাট করেই নির্মাণ করা হচ্ছে বহুতল বিশিষ্ট ভবন।
সম্প্রতি হাইকোর্ট এক যুগান্তকারী রায় ঘোষণা করেছে। নদী দখলকারীদের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও ব্যাংক থেকে ঋণ পাওয়ার অযোগ্য বলে ঘোষণা করা হয়েছে তাতে। এমনকি সব জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদের প্রতি নির্দেশনা দেয়া হয়েছে নিজস্ব অধিভুক্ত এলাকায় নদী দখলদারদের নামের তালিকা পত্র-পত্রিকায় প্রকাশ করতে।
দেশের সিংহভাগ ইটভাটা ও যানবাহনের কালোধোঁয়া পরিবেশদূষণের জন্য দায়ী। পরিবেশ অধিদপ্তর ও বিশ্বব্যাংকের মতে, রাজধানীসহ দেশের সামগ্রিক বায়ুদূষণের ৫৬ শতাংশের উৎস ইটভাটা। ইটভাটাগুলোকে পরিবেশবান্ধব করতে ২০১৮ সালে ইট প্র¯ুÍত ও ভাটা নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ জারি করেছে সরকার। পরিবেশ সংরক্ষণ আইনে ইটভাটাগুলো কৃষি জমিতে স্থাপন এবং ইট তৈরির কাজে কৃষি জমির মাটি ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এছাড়া জনবসতি, বাজার ও অর্থনৈতিক তৎপরতা আছে, এমন স্থানে ইটভাটা স্থাপন করা যাবে না, এ মর্মেও নির্দেশনা রয়েছে। পরিবেশ অধিদপ্তরের হিসেব অনুযায়ী দেশের ৯৮ শতাংশ ইটভাটাই নতুন আইন অনুযায়ী অবৈধ।
মেয়াদোত্তীর্ণ যানবাহন, বিশেষত বাসগুলো সবচেয়ে বেশি বায়ুদূষণ ঘটায়। বাংলাদেশের সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষ ও পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে দূষণকারী যানবাহনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কথা থাকলেও তা যথাযথভাবে পালন করা হচ্ছে না।
বায়ুদূষণের কারণে পৃথিবীতে প্রতিবছর ৫৫ লাখ মানুষের অকাল মৃত্যু ঘটে। এ মৃত্যুর জন্য প্রধানত দায়ী কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, মিল-কারখানা, যানবাহন এবং কাঠ ও কয়লা পোড়ানো থেকে নির্গত ক্ষুদ্র কণিকা। এর ফলে হৃদরোগ, স্ট্রোক, শ্বাসতন্ত্রের সমস্যা, এমনকি ক্যান্সারের ঝুঁকিও বাড়তে পারে।
একটি দেশের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় মোট ভূমির কমপক্ষে শতকরা ২৫ ভাগ বনভূমি থাকা প্রয়োজন। বন অধিদপ্তরের মতে, দেশের মোট ভূমির ১৭ শতাংশ বনভূমি। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার মতে, বাংলাদেশের বনভূমির পরিমাণ ১৩ শতাংশ। সম্প্রতি প্রকাশিত গ্লোবাল ফরেস্ট ওয়াচ ও ওয়ার্ল্ড রিসোর্স ইনস্টিটিউটের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, গত ৭ বছরে বাংলাদেশে ৩ লাখ ৩২ হাজার একর বনভূমি উজাড় হয়েছে।
পরিবেশদূষণের ফলে মানুষ, জীবজন্তু ও বাস্তুসংস্থানের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে, এ কথা অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই। এরফলে মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে নানা জটিল রোগে। জীবজন্তুর বাসস্থান বিনষ্ট হচ্ছে। খাদ্য-শৃঙ্খল ধ্বংস হচ্ছে। ফলে অনেক প্রানী প্রকৃতি থেকে বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে।
বাংলাদেশের সংবিধানের ১৮(ক) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ‘রাষ্ট্র বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নাগরিকদের জন্য পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়ন করিবেন এবং প্রাকৃতিকসম্পদ, জীববৈচিত্র্য, জলাভূমি, বন ও বন্যপ্রাণীর সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা বিধান করিবেন।’
পরিবেশ সুরক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলা করে দেশের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ এবং নির্বাচনী অঙ্গীকার। জাতিসংঘে সাধারণ পরিষদের ৭৬তম অধিবেশনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সব দেশের প্রতি ‘পরিবেশ সুরক্ষা ও জলবায়ূ পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলা’র জন্য বারবার আহ্বান জানিয়েছেন। এজন্য বিশ্বব্যাপী আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু এখন বাংলাদেশ। শিল্পায়িত দেশ না হওয়া স্বত্ত্বেও এ দেশের পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনজনিত নাজুকতার মূল্য দিতে হচ্ছে। তাই ভৌগলিক অবস্থান ও জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সমস্যার সঙ্গে মোকাবিলা হয় প্রতিনিয়ত। তথাপি নেতৃত্বের কারণে বাংলাদেশকে ‘রেসিলিয়েন্স’ দেশ হিসেবে দেখা হয়।
পরিবেশ সংরক্ষণ নীতিমালা, আইনি অবকাঠামো নিয়ে ২০১০ সাল থেকে নেয়া পদক্ষেপগুলো তাত্ত্বিক কাঠামোতে স্থান পায়। পরিবেশ আদালত আইন-২০১০, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন-২০১২, ইটভাটা ও এর স্থাপনা নিয়ন্ত্রন আইন-২০১৩, জীববৈচিত্র্য রক্ষা আইন-২০১৭, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত তহবিল গঠন, পরিবেশ রক্ষায় এমনি আরো বহু গুরুত্বপূর্ণ দলিলের জন্য রয়েছে বর্তমান সরকারের অগ্রগণ্য ভূমিকা।
জীববৈচিত্র্য ও বন্যপ্রাণী রক্ষায় গত ১০ বছরে গৃহীত পদক্ষেপের কারণে সুন্দরবনে বাংলাদেশের অংশে আম্পান আঘাত হানলেও বাঁচিয়েছে মানুষ ও বিভিন্ন প্রজাতি। তবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে গেওয়া, গরান, সুন্দরীসহ প্রায় ১২ হাজার গাছ। বেড়িবাঁধগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে লবনাক্ত পানি ঢুকে ফসল নষ্ট হয়েছে।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তাৎক্ষণিকভাবে বেড়িবাঁধ নির্মানের কাজ শুরু করা হয়েছে। নদীর জায়গা ছেড়ে বাঁধ নির্মাণ ও বাঁধের উচ্চতা বাড়ানো হবে। বাঁধের পেছনে আরও বেশি ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল সৃষ্টি করা হবে। ফলে বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের ঘূর্ণিঝড়প্রবণ এলাকার প্রাকৃতিক পরিবেশ আবার ফিরে পাবে আগের চেহারা। এছাড়া মুজিববর্ষ উপলক্ষে সারা দেশে এক কোটি বৃক্ষরোপণ করা হয়েছে, যা পরিবেশ রক্ষায় বিশাল ভূমিকা রাখবে।
কাগজ ব্যবহারে বৃক্ষের ওপর চাপ বাড়ে। তাই তথ্যপ্রযুক্তিগত সেবা বাড়িয়ে সম্পূর্ণ ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়ন করার উদ্যোগ নিয়েছেন বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। তিনি কপ-২৫ এর ভাষণে বলেছেন, ‘পরিবেশের ক্রমাগত অবক্ষয়রোধে আমাদের প্যারিস চুক্তি যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। আর তাই নাজুক দেশগুলো নিজেরা তা চেষ্টা করবেই। বিশ্বের উন্নত দেশগুলো ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করে অর্থনৈতিক পরিকল্পনার মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে সহায়তা করবে। এর বিকল্প নেই।’
পরিবেশকে আমরা যদি শুধুমাত্র মানবকল্যাণের অংশ হিসেবে ধরে নেই, তাহলে বাংলাদেশের জীববৈচিত্র্য এখন পর্যন্ত যতটুকু টিকে আছে, তা রক্ষা করা প্রয়োজন আবশ্যিকভাবে। কারণ এর ভেতরের জীনগত সম্পদের বেশির ভাগই আমাদের অজানা রয়ে গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্বজুড়ে ক্যান্সার প্রতিরোধে জৈব গুণাবলী থাকায় পাটপাতা নিয়ে প্রচুর গবেষণা হচ্ছে। জাপানের বেশ কয়েকটি সংস্থা পাটপাতা থেকে ক্যান্সারের ঔষধ আবিষ্কারের কাজ প্রায় শেষ করে এনেছে। পরিবেশ বিপর্যয় এবং আমাদের অবহেলায় যদি পাটগাছ আমাদের দেশ থেকে কখনো বিলুপ্ত হয়ে যায়, তাহলে আমরা ক্যান্সার নিরাময়ের ঔষধ তৈরির কাঁচামাল হারাবো।
বিশ্ব পরিবেশ সুরক্ষায় অগ্রণী ভূমিকা রাখতে দেশের প্রতিটি মানুষের সচেতন হওয়া উচিত। প্রত্যেকের নিজের অবস্থান থেকে পরিবেশ সুরক্ষায় নিয়োজিত থাকতে হবে আন্তরিকভাবে। আমাদের মনে রাখতে হবে, বাংলাদেশের সকল নাগরিকের মঙ্গলের জন্য আইন তৈরি করা হয়, আর সে আইন মেনে চলা দেশের সুনাগরিক হিসেবে আমাদের সকলের অন্যতম প্রধান কর্তব্য।

-ইরানী বিশ্বাস, ফ্রিল্যান্স রাইটার, নয়াতলা, মগবাজার, ঢাকা।
পিআইডি- শিশু ও নারী উন্নয়নে সচেতনতামূলক যোগাযোগ কার্যক্রম (৫ম পর্যায়) প্রকল্প কার্যক্রম।

0 Shares