Home » জাতীয় » বিয়ের প্রলোভনে তরুণীকে ‘ধর্ষণ’

বিয়ের প্রলোভনে তরুণীকে ‘ধর্ষণ’

 

ভোলার মনপুরা উপজেলায় নানার বাড়ীতে বেড়াতে গিয়েছিলেন মো. রাকিব সওদাগর (২৪)। সেখানে এক তরুণীর সঙ্গে পরিচয় হয় তার। কথাবার্তা চলমান থাকায় গড়ে ওঠে প্রেমের সম্পর্ক। গত ৬ মাস ধরে বিয়ে প্রলোভন দেখিয়ে ওই তরুণীকে লাগাতার ‘ধর্ষণ’ করছিলেন রাকিব। পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছে।

আজ সোমবার দুপুর ১২টায় উপজেলার সোনারচর বাড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে রাকিবকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আদালতে তোলা হলে তাকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্তকারী মনপুরা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সঞ্জিব কুমার পাহলান।

এর আগে সকাল ১০টায় রাকিবের বিরুদ্ধে মামলা করেন ধর্ষণের শিকার ওই তরুণী। রাকিব হাজিরহাট ইউনিয়নের সোনারচর গ্রামের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা কাঞ্চন মিয়ার ছেলে।

এজাহারে ওই তরুণী লেখেন, ৬ মাস আগে নানার বাড়ি বেড়াতে আসেন রাকিব। সেখানে তার সঙ্গে পরিচয় হয়। মোবাইল নাম্বার আদান-প্রদানের পর দুজনের মধ্যে কথাবার্তা শুরু হয়। এক পর্যায়ে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে তাদের মধ্যে।

কয়েকমাস আগে আবারও নানার বাড়ি বেড়াতে এসে তাকে ধর্ষণ করেন রাকিব। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বিষয়টি কাউকে বলতেও নিষেধ করেন। এভাবে ৬ মাস ধরে তাকে লাগাতার ধর্ষণ করে আসছিলেন। গতকাল রোববার ফের রাকিব তার সঙ্গে দেখা করতে এসে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। কিন্তু তিনি মিথ্যা আশ্বাস দেখিয়ে ধর্ষণ করছেন বুঝতে পেরে তরুণী ডাক-চিৎকার শুরু করলে পালান রাকিব। পরে বিষয়টি পরিবারের লোকজনকে জানালে তারা মামলার সিদ্ধান্ত নেন।

ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাখাওয়াত হোসেন ধর্ষণ ও গ্রেপ্তারের ব্যাপারে নিশ্চিত করে বলেন, ‘মামলার এজাহারে ওই তরুণী যা বলেছেন, তার উপর ভিত্তি করে রাকিবকে গ্রেপ্তার করা হয়। আদালতে তোলার পর বিচারক তাকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। ধর্ষণের শিকার তরুণীকে দুপুরে পুলিশ হেফাজতের মাধ্যমে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ভোলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন আসার পর বাকি কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।

নিউটার্ন.কম/AR

14 Shares