Home » Uncategorized » ভারতীয়দের তাড়া খেয়ে করতোয়া নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়া ব্যক্তির ৩৬ ঘণ্টা পর মরদেহ উদ্ধার

ভারতীয়দের তাড়া খেয়ে করতোয়া নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়া ব্যক্তির ৩৬ ঘণ্টা পর মরদেহ উদ্ধার

 

পঞ্চগড় প্রতিনিধি :
পঞ্চগড়ের মীরগড় সীমান্তে ভারতীয়দের তাড়া খেয়ে করতোয়া নদীতে ঝাঁপ দিয়ে নিখোঁজ হওয়ার ৩৬ ঘণ্টা পর ভেসে উঠল লতিফুল ইসলাম ওরফে কংরেজের (৪২) মরদেহ।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে জেলার বোদা উপজেলার বেংহারী বনগ্রাম ইউনিয়নের সোনাচান্দি ঘাটে করতোয়া নদীতে মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা। পরে বোদা থানায় খবর দিলে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসাপাতাল মর্গে পাঠায়। লতিফুল ইসলাম মীরগড় পশ্চিমপাড়া এলাকার বাসিন্দা।

লতিফুল ইসলামে স্ত্রী সাহেদা বেগম ও স্থানীয়দের বরাত দিয়ে সদর উপজেলার ধাক্কামারা ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য মো. জাহের আলী বলেন, মঙ্গলবার বিকেলে লতিফুল ইসলাম ও তার স্ত্রী সাহেদা বেগম ভারতীয় সীমান্তের কাছে গরুর জন্য ঘাস কাটতে যান। এ সময় ভারতীয় চা বাগানে কাজ করা ভারতীয় নাগরিকরা তাদের গুলাল ও দা নিয়ে তাদের ধাওয়া করে। এতে প্রাণভয়ে পালানোর সময় তারা করতোয়া নদীতে ঝাঁপ দেয়। নদীতে প্রবল স্রোত থাকায় লতিফুল ওরফে কংরেজ নিখোঁজ হয়। এ সময় সেখান থেকে কিছু দূরে সাহেদা বেগমকে নদীর পানিতে হাবুডুবু খেতে দেখে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় লোকজন। পরে সাহেদার কথা অনুযায়ী তার স্বামীকে নদীতে খুঁজতে থাকে স্থানীয়রা। খবর পেয়ে সন্ধ্যার পর পঞ্চগড় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গেলেও ভারতীয় সীমান্ত এলাকায় হওয়ায় এবং স্রোতের গতি বেশি থাকায় তারা উদ্ধার অভিযান চালাতে পারেননি। আজ বৃহস্পতিবার বোদা উপজেলার সোনাচান্দি ঘাটে করতোয়া নদী থেকে উদ্ধার করা হয় লতিফুলের মরদেহ।

নদীতে ভাসমান অবস্থায় মরদেহ উদ্ধারের কথা স্বীকার করে বোদা থানার ওসি (তদন্ত) আবু সায়েম মিয়া বলেন, লাশের পরিচয় পাওয়া গেছে। তার বাড়ি পঞ্চগড় সদর উপজেলার মীরগড় পশ্চিমপাড়া গ্রামে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হবে।

0 Shares