Home » সারাদেশ » ভোলার শশীভূষণে বিয়ের প্রলোভনে তরুণীকে ধর্ষণ,আটক ২

ভোলার শশীভূষণে বিয়ের প্রলোভনে তরুণীকে ধর্ষণ,আটক ২

 

ভোলা প্রতিনিধি:
ভোলার চরফ্যাশনের বিয়ের প্রলোভনে এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ভিক্টিমের পিতা বাদী হয়ে শশীভূষণ থানার তিনজনকে আসামি করে একটি ধর্ষক মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ মামলার প্রধান আসামী ধর্ষক আনোয়ার হোসেন ওরফে আপন (২৬) ও তার সহযোগী তুষার আহম্মেদ (২১) নামের দুই যুবককে আটক করেছে। এঘটনায় মামলায় অপর আসামি নুরুল ইসলাম(২৩) পলাতক রয়েছেন।
শুক্রবার (১৩ মে) দুপুরে ভিষ্টিমের পিতা বাদী হয়ে শশীভূষণ থানার এ মামলা দায়ের করেন।
আটক আনোয়ার হোসেন ওরফে আপন উপজেলার শশীভূষণ থানার রসুলপুর ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ড এলাকার মৃত ইউনুছ গাজীর ছেলে, তুষার আহম্মদ চরফ্যাশন থানার চরমাদ্রাজ ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ড এলাকার শহিদুল ইসলামের ছেলে ও পলাতক আসামি নুরুল ইসলাম রসুলপুর ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ড এলাকার দুলাল গাজীর ছেলে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শশীভুষণ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আবু হানিফ জানান, গত এক বছর আগে চরফ্যাশন উপজেলার চরমাদ্রাজ ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ড এলাকার এক তরুণীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে বিয়ে প্রলোভন দেখিয়ে বৃহস্পতিবার রাত ৮ টার দিকে ভিক্টিমকে বাড়ি থেকে শশীভূষণ থানার রসুলপুর ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড এলাকার একটি বিলের মাঝে নিয়ে রাত ১০ টার দিকে প্রেমিক আনোয়ার হোসেন ওরফে আপন জোড়পূর্বক ধর্ষণ করেন। এসময় তরুণীর ডাকচিৎকারে এলাকাবাসী ছুটে এসে ভিক্টিম ও ধর্ষণে সহযোগী তুষার আহম্মদকে আটক করেন।
পরে এলাকাবাসী পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে এলাকাবাসীর হাতে আটক ভিক্টিম তরুণী ও তুষার আহম্মদ নামের এক যুবককে উদ্ধার করেন। এবং তাদের দেওয়া তথ্য মতে ধর্ষক আনোয়ার হোসেন ওরফে আপনকে আটক করা হয়।
শশীভূষণ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান পাটোয়ারী এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ভিক্টিমকে ডাক্তারি পরিক্ষার জন্য ভোলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামি আটকে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

0 Shares