Home » জাতীয় » যান্ত্রিক ট্রাকটরের দৌড়ত্বে হারিয়ে যাচ্ছে কাউনিয়ায় পরিবেশ বান্ধব গরু মহিষের হাল
যান্ত্রিক ট্রাকটরের দৌড়ত্বে হারিয়ে যাচ্ছে কাউনিয়ায় পরিবেশ বান্ধব গরু মহিষের হাল

যান্ত্রিক ট্রাকটরের দৌড়ত্বে হারিয়ে যাচ্ছে কাউনিয়ায় পরিবেশ বান্ধব গরু মহিষের হাল

সারওয়ার আলম মুকুল,কাউনিয়া (রংপুর):

গ্রাম বাংলার চির চেনা রূপ কৃষকেরা লাঙ্গল-জোয়াল-মই কাঁধে নিয়ে কাক ডাকা ভোরে হালুয়া (চাষি) কে গরু মহিষ হাল নিয়ে জমি চাষের জন্য মাঠে যেত। সেই চিরচেনা দৃশ্য কাউনিয়ার গ্রাম-গঞ্জে এখন আর সচরাচর দেখা যায় না। হঃ হঃ-ডাইন-ডাইন বাও-বাও বলে কৃষক গরু তারিয়ে নিতেও দেখা যায় না। যান্ত্রিক যুগে ট্রাকটর আর পাওয়ার টিলারের দাপটে হারিয়ে যাচ্ছে পরিবেশ বান্ধব গ্রামীন ঐতিহ্য গরু মহিষের হাল। আগে গ্রাম গঞ্জে প্রতিটি গৃহস্থ পরিবারে গরু মহিষের হাল ছিল।

আরও পড়ুনঃ আসল ব্র্যান্ডের পণ্যের সমাহার নিয়ে ১৭ জানুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে দারাজমল ফেস্টিভ্যাল

প্রাণ-আরএফএল গ্রুপে চাকরির সুযোগ

এক গৃহস্থ আর এক গৃহস্থের কাছে হাল ধার নিয়ে গাথা করে জমি চাষ করতো। এখন আর সে দৃর্শ্য চোখে পড়ে না। স্বল্প সময়ে অতি দ্রুত ট্রাকটর আর পাওয়ার টিলার দিয়ে অধিক পরিমান জমি চাষাবাদ করায় কাঠ বাঁশের লাঙ্গল এর হাল হারিয়ে যাচ্ছে। নাজির দহ গ্রামের কৃষক মনসুর আলী জানান গরু মহিষের দাম সহ গো খাদ্যের দাম বৃদ্ধি পাওয়ার পাশা পাশি হালের দাম কমে যাওয়ায় এলাকার চাষিরা হাল গরু বিক্রয় করে দিয়েছে।

এখন অল্প সময় গরুর হালের চেয়ে যান্ত্রিক চাষাবাদে সময় ও অর্থ কম লাগায় কৃষকেরা আর হালের জন্য গরু-মহিষ লালন পালন করে না। পল্লী মারী গ্রামের কৃষক আঃ সামাদ জানায় আগের মতো এলাকায় গো- চারন ভুমি নেই। কৃষকরা গরু মহিষ লালন পালনে উৎসাহ হারিয়ে ফেলেছে। কৃত্রিম গো খাদ্য দিয়ে গরু মহিষ পালন ব্যয়সাধ্য ও দুরহ হয়ে পড়েছে। তাই এলাকায় গরু মহিষের হাল হারিয়ে যাচ্ছে। গদাই গ্রামের কৃষক শাহজাহান মন্ডল জানান, আগের দিনের গৃহস্থ পরিবার গুলোর ঐতিহ্য ছিল গরু-মহিশের হাল। যার যত বেশী হাল ছিল সে তত বড় গৃহস্থ হিসেবে পরিচিত ছিল।

 

 

 

 

 

0 Shares