Home » আন্তর্জাতিক » যৌবন ধরে রাখতে চান তাহলে যেসব খাবার খাবেন!

যৌবন ধরে রাখতে চান তাহলে যেসব খাবার খাবেন!

 

শাক- সবজির ;
শাক সবজি দুটো নিরামিষ পদ। তবে আমাদের নিত্য আহারে একটি অপরিহার্য অংশ। একটি বেলা চলে না শাকসবজি ছাড়া। মূলত শাক-সবজির বেশি খাওয়া সুস্বাস্থ্যের প্রতীক হিসেবে মানা হয়।

অলিভ অয়েল:
অলিভ তেল যৌবন ধরে রাখতে সাহায্য করে। রান্নায় অলিভ অয়েল ব্যবহার করলে শরীরে ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমে যায় এবং সহজে মেদ জমে না। এছাড়া প্রতিদিন ত্বকে অলিভ অয়েল ম্যাসাজ করে ঘুমালে ত্বকে সহজে বলিরেখা পড়ে না। যার ফলে যৌবন হয় দীর্ঘস্থায়ী।

সামুদ্রিক মাছ:
বর্তমানে দেশের হাটে বাজারে নদ-নদীর মাছের পাশাপাশি বিভিন্ন সামুদ্রিক মাছেরও দেখা মেলে। এসব মাছ যৌবন ধরে রাখতে সহায়ক। তাই নিয়মিত খাবার তালিকায় সামুদ্রিক মাছ রাখুন। তাতে শরীরে প্রয়োজনীয় প্রোটিনের চাহিদা পূরণ হবে পাশাপাশি ধরে রাখা যাবে যৌবনও।

টমেটো;
টমেটো হ’ল ভোজ্য, প্রায়শই লাল, উদ্ভিদটির বেরি সোলানাম লাইকোপারসিকাম, সাধারণত টমেটো গাছ হিসাবে পরিচিত known প্রজাতির উৎপত্তি পশ্চিম দক্ষিণ আমেরিকা এবং মধ্য আমেরিকাতে। নাহুয়াতল (অ্যাজটেক ভাষা) শব্দটি টমটল স্প্যানিশ শব্দ টমেটকে জন্ম দিয়েছে, যা থেকে ইংরেজি শব্দ টমেটো উদ্ভূত হয়েছিল

banana

কলা:
যৌবন ধরে রাখতে এই ফলটির জুড়ি নেই। এতে আছে ব্রোমেলিয়ান, যা শরীরের টেস্টোস্টেরনের মাত্রা বাড়িয়ে যৌবনকে সজীব করে। এছাড়া কলায় আছে ভিটামিন এ, বি, সি ও পটাশিয়াম। পটাশিয়ামের অভাবে ত্বক রুক্ষ হয়। কলা সেই অভাব পূরণ করে। ভিটামিন বি ও পটাশিয়াম মানবদেহের যৌনরস উৎপাদন বাড়ায়।


চা;
লাল চায়ে এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যা শরীরে ক্লান্তি দূর করার পাশপাশি হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। প্রসঙ্গত, লাল চায়ে থিয়োফিলাইন নামে একটি উপাদান থাকে। এটি শরীরকে সার্বিকবাবে চাঙ্গা করতে দারুন কাজে দেয়। এখানেই শেষ নয়। এই পানীয়র আরও কিছু উপকারিতা আছে।

ডালিম বা বেদানা ;
বেদানা বা ডালিমকে স্বর্গীয় ফল বলা হয়। কারণ এর মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধের জাদুকরী গুনাগুন। ডালিম বা বেদানা ফল মোটামুটি সারা বছর পাওয়া গেলেও এখন চলছে ডালিমের ভরা মৌসুম। আপেলের মতো ডালিমও রোগীর উপকারি ফল হিসেবে খুবই জনপ্রিয়। এর ইংরেজি নাম pomegranate। বৈজ্ঞানিক নাম Punica granatum। বেদানা, আনার বা ডালিম এক রকমেরই ফল। বাংলাদেশের অনেক স্থানে এটি বেদানা নামেও পরিচিত। পাঞ্জাব ও কাশ্মীরেও এ ফলকে বেদানা বলে। বেদানা আকারে ডালিমের চেয়ে অনেক ছোট এবং মিষ্টি স্বাদের। হিন্দি, উর্দু, ফার্সি ও পশতু ভাষায় একে আনার বলা হয়। কুর্দি ভাষায় ‘হিনার’ এবং আজারবাইজানি ভাষায় একে ‘নার’ বলা হয়।

হলুদ;
শুধু রান্নায় নয়, প্রসাধনের তালিকায়ও ঠাঁই করে নিয়েছে হলুদ। বিশেষ করে মেয়েদের কাছে ত্বকের উজ্জ্বলতা রক্ষায় হলুদ সমাদৃত। তবে শুধু মসলা কিংবা প্রসাধনে নয়, বিভিন্ন রোগের চিকিৎসাতেও হলুদের ব্যবহার বেশ। হালে মেয়েদের দেখা যায় ডেটল পানিতে শিশুদের গোসল করাতে। কিন্তু যখন ডেটল ছিল না তখন মায়েরা তেল-হলুদ মাখিয়ে শিশুদের গোসল করাতেন। যেন ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন বা চুলকানি, খোস-পাঁচড়া থেকে শিশুকে রক্ষা করা যায়। ভেষজবিদের মতে, দেশে যতগুলো ওষুধি মূল আছে তার মধ্যে হলুদ খুবই সহজলভ্য।

চিনাবাদাম;
বাদাম আমাদের খুবই পছন্দের খাবার। আর এই বাদামের মধ্যে রয়েছে হাজারো গুনাগুন। চিনাবাদামে আছে প্রোটিন, ফাইবার, ক্যালসিয়াম, আয়রন, সোডিয়াম, পটাসিয়াম, ভিটামিন-এ, বি, সি। আর এই ভিটামিন আমাদের দেহের জন্য অত্যন্ত উপকার।

নিউটার্ন.কম/RJ

32 Shares