Home » অর্থনীতি » সরকারের চাপে আলিবাবা কি অস্তিত্বই হারাবে?
সরকারের চাপে আলিবাবা কি অস্তিত্বই হারাবে?

সরকারের চাপে আলিবাবা কি অস্তিত্বই হারাবে?

নিউটার্ন ডেস্কঃ

চীনের ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান আলিবাবা নিজের দেশে ও বিদেশে ব্যাপক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে, যা মোকাবিলা করতে না পারলে হয়তো এই কোম্পানির অস্তিত্ব সংকটের মুখে পড়বে। দুই দশক আগে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল প্রতিষ্ঠানটি।

আরও পড়ুনঃ জলবায়ু পরিবর্তন: তাপমাত্রা আরও ১.৫ ডিগ্রি বাড়ার ‘সম্ভাবনা বাড়ছে’

খাগড়াছড়ি’র হলুদ গুনে ও মানে,বাংলাদেশ সেরা ও লাভজনক চাষ হলুদ।

খুচরা বিক্রেতাদের জন্য বিশ্বের অন্যতম বড় প্ল্যাটফর্ম আলিবাবা। আলিবাবার একটি অংশ ‘আলিএক্সপ্রেস’। আলিবাবার প্রতিষ্ঠাতা জ্যাক মা এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে শীর্ষ ধনীর কাতারে লিখিয়েছিলেন নাম। অবশ্য এ বছরই তাকে সরিয়ে চীনের শীর্ষ ধনীর স্থানটি নিয়েছেন পানি ব্যবসায়ী ঝং শানশান।

আলিবাবা বেশ কিছুদিন ধরে নিজ দেশেই সরকারের খড়্গের মুখে পড়েছে। চীন সরকার বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগ এনে কোম্পানির বিরুদ্ধে তদন্ত করছে। সেই সঙ্গে চীনের বৃহত্তম অনলাইন সংস্থাগুলোর একচেটিয়া ব্যবসার ওপর নিয়ন্ত্রণ এনেছে দেশটির সরকার। বেইজিংয়ে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলোর ক্রমবর্ধমান প্রভাবের কারণে উদ্বেগ সৃষ্টি হওয়ায় নতুনভাবে এই নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে সরকার।

নতুন নিয়মে কেবল ই-কমার্স জায়ান্ট আলিবাবাই নয়, জ্যাক মার অ্যান্ট গ্রুপ, টেনসেন্ট ও মেটুয়ানের মতো টেক কোম্পানিগুলো বিপাকে পড়েছে।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, বেসরকারি প্রযুক্তি সংস্থাগুলোর ওপর বেইজিংয়ের প্রভাব বাড়ানোর আকাঙ্ক্ষায় এ-জাতীয় তদন্ত হয়তো হরহামেশাই করবে সরকার। এর আগেও বেসরকারি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানকে রাষ্ট্রীয় ব্যবসায় যুক্ত করতে বাধ্য করেছিল চীন সরকার। ২০১৮ সালে নতুন প্রযুক্তি আনার জন্য অ্যান্ট গ্রুপের আলিপেকে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ইউনিপের সঙ্গে জোট বাঁধতে হয়েছিল।

আলিবাবার ব্যবসা মূলত চীনে থাকলেও এর কার্যক্রমের যেকোনো বড় পরিবর্তন বিশ্বব্যাপী প্রভাব ফেলে। সংস্থাটি ২০১৪ সাল থেকে ওয়াল স্ট্রিটে ব্যবসা করছে। জাপানের সফট ব্যাংক এই কোম্পানির অন্যতম শেয়ারহোল্ডার। এখন দেখার বিষয় এত সব চাপের মুখে নিজেদের একচেটিয়া সাফল্য কতটুকু ধরে রাখতে পারে আলিবাবা।

 

 

 

নিউটার্ন২৪/Rp

 

0 Shares