Home » জাতীয় » সুনামগঞ্জে ধলাই খাল সেতু ভেঙ্গে যাওয়ার পর বাঁশের সাঁকোতে পারাপার, দুর্ভোগে ১৫ গ্রামের মানুষ
সুনামগঞ্জে ধলাই খাল সেতু ভেঙ্গে যাওয়ার পর বাঁশের সাঁকোতে পারাপার, দুর্ভোগে ১৫ গ্রামের মানুষ

সুনামগঞ্জে ধলাই খাল সেতু ভেঙ্গে যাওয়ার পর বাঁশের সাঁকোতে পারাপার, দুর্ভোগে ১৫ গ্রামের মানুষ

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:

ধলাই খালের উপর একটি সেতুর অভাবে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়ন ও পাশের রংগারচর ইউনিয়নের প্রায় ১৫টি গ্রামের মানুষের ভোগান্তি যেন শেষ নেই। একটি সেতুর অভাবে কার্যত অচল হয়ে পড়েছে এলাকার মানুষের স্বাভাবিক জীবন ব্যবস্থা। শুষ্ক মৌসুমে কোনও মতে পারাপার হওয়া গেলেও বর্ষা মৌসুমে তা মোটেও সম্ভব হয়না। এতে ওই দুটি ইউনিয়নের প্রায় ৭হাজার মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। খাল পার হতে গেলে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার শিকার হন পথচারিরা।

স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে ধলাই খালের ওপর সেতু নির্মাণ করা হয়। ২০১১ সালের বন্যায় সেতুটির আংশিক অংশ ভেঙ্গে যায়। পরে বাঁশের সাঁকোতে জোড়াতালি দিয়ে পারাপার হতে থাকেন এলাকাবাসী।

স্থানীয়রা বলেন, সেতু না থাকায় সদর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নারায়নতলা মিশন উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, পাশের বিজিব ক্যাম্প, ব্যবসায়ী, কৃষকসহ এলাকার সর্বস্তরের মানুষের জীবনমান উন্নয়নসহ সাংস্কৃতিক দিক দিয়ে অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছে এলাকাটি।

আরও পড়ুনঃ ঝিনাইদহে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী গরুর গাড়ির দৌড় প্রতিযোগিতা

খাগড়াছড়িতে পার্বত্য অঞ্চল টোয়েন্টিফোর ডটকম এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠান সম্পন্ন

কিন্তু কি কারণে যে এই জনবহুল রাস্তার উপর ভেঙ্গে যাওয়া সেতুটি নির্মাণ করা হচ্ছে না বুঝতে পারছি না। বর্তমান সরকারের প্রতিশ্রুতি গ্রামকে শহরে রূপান্তরিত করবেন। গ্রামকে শহরে রূপান্তরিত করার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হলে দ্রুত সেতুটির নির্মাণ করা প্রয়োজন। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ইসলামপুর, মালাইগাঁও, কুমিল্লা হাটি, খাসপাড়া, লম্বাহাটি, কাঁঠাল বাড়ি, ভৈরব হাটি, দূর্লভপুর, বনগাঁও, হাসাউর, চিনাউরাসহ ১৫টি গ্রামের প্রায় ৭হাজার মানুষ প্রতিদিন যাতায়াত করেন এই ভাঙ্গা সেতু দিয়ে।

এবিষয়ে সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান এডভোকেট আবুল হোসেন বলেন, সেতুটির কাজ খুব শীঘ্রই শুরু হবে। এই সেতুটি ভেঙ্গে যাওয়ার ফলে দীর্ঘদিন যাবত পথচারিদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। এবিষয়ে সদর উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ শাহাদাৎ হোসেন ভূঞা (ভারপ্রাপ্ত) বলেন, আমি কয়েকদিন যাবত সদর উপজেলার প্রকল্প অফিসের ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্বে আছি, সেতুটি নির্মাণের বিষয়ে আমি কিছু জানি না।

 

0 Shares