জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপি’র ভাইস চেয়ারম্যান হারুন-আল-রশিদের নামাযে জানাযা অনুষ্ঠিত
আজ (শুক্রবার) জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপি’র ভাইস চেয়ারম্যান হারুন-আল-রশিদের নামাযে জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। জানাযা নামায পরিচালনা করেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের পেশ ইমাম ক্বারী মোঃ আবু রায়হান।
জানাযার শুরুতেই মরহুম হারুন আল রশিদের সংক্ষিপ্ত জীবনী পাঠ করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ খালেদ হোসেন মাহবুব, এমপি।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদান করেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম, এমপি; বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, এমপি; বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, এমপি; বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চীফ হুইপ ও হুইপদের পক্ষে হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান, এমপি; বিরোধী দলীয় নেতার পক্ষে ঢাকা-৪ আসনের সংসদ-সদস্য সৈয়দ জয়নুল আবেদীন, এমপি এবং পরিবারের পক্ষে মরহুমের ভাতিজা কামাল হোসেন।
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পীকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম জানাযায় উপস্থিত সকলকে কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, হারুন আল রশিদ একজন বিশিষ্ট পার্লামেন্টারিয়ান ছিলেন এবং পাঁচ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি ব্যক্তি জীবনে অমায়িক, সজ্জন সাধারণ মানুষের জন্য নিবেদিতপ্রাণ ছিলেন।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, হারুন আল রশিদ দেশনেত্রী ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আস্থা ভাজন ছিলেন। তার মৃত্যুতে দেশ একজন জাতীয়তাবাদী ঘরাণার নিবেদিতপ্রাণ দেশপ্রেমিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে হারিয়েছে। এসময় তিনি মরহুমের শোক সন্তপ্ত পরিরাবের প্রতি সমবেদনা জানান।
জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, এমপি বলেন, হারুন আল রশিদ একজন অত্যন্ত প্রজ্ঞাবান রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন। সততা ও নিষ্ঠার জন্য তার জীবনাদর্শ আমাদের জন্য অনুকরণীয়। তিনি বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে হারুন আল রশিদের অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য।
জানাযা শেষে শ্রদ্ধাঞ্জলি প্রদান করেন স্পীকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম, এমপি; বিএনপির পক্ষে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, এমপি; ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, এমপি; চীফ হুইপ ও অন্যান্য হুইপবৃন্দের পক্ষে হুইপ এ.বি.এম আশরাফ উদ্দিন (নিজান), এমপি; প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে তার সামরিক সচিব এবং সংসদ সচিবালয়ের পক্ষে ব্যারিস্টার গোলাম সরওয়ার ভুঁইয়া ও কর্মকর্তাবৃন্দ।
শ্রদ্ধাঞ্জলি প্রদান শেষে মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
উল্লেখ্য, হারুন আল রশিদ ১৮ জুন, ২০২৬ রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।
জানাযা অনুষ্ঠানে মন্ত্রিপরিষদ সদস্যবৃন্দ, সংসদ-সদস্য, জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিবসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ার রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মি উপস্থিত ছিলেন।
Bangladesh Parliament-জাতীয় সংসদ,পেজ থেকে

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *