দিনাজপুর প্রতিনিধি।।
বাবা ও ছোট ভাইকে হত্যার ৩ মাস পেরিয়েছে। মামলার ৭ জন আসামি জামিনে মুক্তি পেয়ে আরও হত্যাকাণ্ড ঘটনানোর হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। পুলিশ রিপোর্ট ও চার্জশীট দুর্বল করার গোপন তদ্বির চালাচ্ছে।
বুধবার দুপুরে দিনাজপুর প্রেসক্লাবে এমন অভিযোগ করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন জেলার চিরিরবন্দর উপজেলার মন্ডলপাড়া টেপাপাড়া এলাকার মৃত: শহিদুল হক দুলুর ছেলে হাবিবুর রহমান হাবিল। এ সময় তার ফুফাতো ভাই আব্দুস সামাদ, প্রতিবেশী ছাদেকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, চলতি বছরের ১২ মে চিরিরবন্দর উপজেলার ৩নং ফতেজংপুর ইউনিয়নের উত্তর পলাশবাড়ী বেকাপাড়া গ্রামের ফাকা জমিতে তার পিতা শহিদুল হক দুলু ও ছোট ভাই জয়নাল আবেদীন বিশু ওরফে কাবিলকে জমিজমা ও পারিবারিক বিষয় নিয়ে বিরোধের জের ধরে হত্যা করা হয়। এই ঘটনায় নিহত শহিদুল হক দুলুর ছেলে হাবিবুর রহমান হাবিল বাদী হয়ে সাদেকুল ইসলাম, (৩০), সাকিব (১৯), সাবিয়া বেগম (৫০), আব্দুল মমিন (৫৫), মহসীন আলী (৫৮), নার্গিস বেগম (৩২), লাকি বেগম (৩৫), লিপি ওরফে লিতা বেগম (৩১), মিতু (২১) ও নাছিমা বেগম (৪৮)কে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেন। এই জোড়া খুনের মূল আসামির রিমান্ড না মঞ্জুর এবং আসামিরা পর পর জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। আসামিদের মধ্যে মূল হোতা সাকিবের রিমান্ডের আবেদন নামঞ্জুর হয়েছে।
তিনি বলেন, গত ১০ আগস্ট এই মামলার ৭ জন আসামি একসাথে জামিনে মুক্তি লাভের ঘটনায় আমি এবং আমার পরিবারবর্গ হতাশাগ্রস্ত এবং আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছি। জামিনে মুক্তি পেয়ে আসামিরা আরও হত্যাকাণ্ড ঘটানোর হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। পুলিশ রিপোর্ট ও চার্জশীট দুর্বল করার গোপন তদ্বির চালাচ্ছে। এমতাবস্থায় এই জোড়া খুনের ঘটনায় ন্যায় বিচারের সাহায্য পেতে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি।
কথা হলে চিরিরবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহমুদুর নবী বলেন, এই মামলার ১নং আসামি গ্রেফতার হয়ে হাজতে রয়েছেন। ২নং আসামি সাকিবের বয়স কম হওয়ায় কিশোর সংশোধনাগারে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিরা আদালত থেকে জামিনে রয়েছে। মামলাটি এখন জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা তদন্ত করছে। তবে যদি আসামিরা জামিনে বের হয়ে হুমকি দেয় তাহলে বাদী সাধারণ ডায়েরি করলে আমরা সেই বিষয়ে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করবো।

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *