·২০২৪ সালে নাটোরের একটি ছোট প্রজেক্ট দিয়ে আমাদের কল সেন্টারের যাত্রা শুরু হয়েছিল। কয়েকটি টেলিফোন আর মাত্র চারজন নারী কর্মী নিয়ে সেই শুরুর মূল ভাবনাই ছিল- প্রতিভা বিকাশের জন্য ঘর ছেড়ে দূরে যাওয়ার প্রয়োজন নেই।সেই ছোট উদ্যোগটি আজ বড় আকার ধারণ করেছে। নাটোর, রাজশাহী ও খুলনায় অবস্থিত আমাদের কল সেন্টারগুলোতে এখন ১,৬০০ জনেরও বেশি নারী কাজ করছে। ইতালি, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মালয়েশিয়া, যুক্তরাষ্ট্রসহ ১৬টি দেশের ক্রেতা ও পরিবেশকদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ রেখে তারা প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের আন্তর্জাতিক সেলস পরিচালনা করছে। ২০২৭ সালের মধ্যে এই সংখ্যা ৫,০০০-এ নিয়ে যাওয়াই আমাদের লক্ষ্য।এগুলো শুধু নামমাত্র কিছু কাজ নয়। গ্রামীণ বাংলাদেশের তরুণীরা নিজেদের জেলায় বসেই কাস্টমার সার্ভিস ও গ্লোবাল সেলসের মতো জায়গায় নিজেদের শক্ত ক্যারিয়ার গড়ে তুলছে।এই পেশায় নিয়োজিত একজন নারীকে পরিবার আর ক্যারিয়ারের মধ্যে যেকোনো একটিকে বেছে নিতে হচ্ছে না। পরিবারে নতুন আয়ের উৎস তৈরি হচ্ছে, আর সমাজও দেখতে পাচ্ছে নারীরা কী অর্জন করতে পারে।আন্তর্জাতিক বাজারের একজন ব্যবসায়ীর সাথে বাংলাদেশের এক দূরবর্তী গ্রামের তরুণী যখন সফল চুক্তি করেন, তখনই বাস্তবে ফুটে ওঠে অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের আসল রূপ। Ahsan Khan Chowdhury পেজ থেকে Post Views: 33 Post navigation ২৬ আগস্ট ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদ্যাপনে জাতীয় কর্মসূচি প্রয়াসের মাসিক সমন্বয় সভা