গত ২৫ অক্টোবর পিরোজপুর সদর উপজেলার শংকর পাশা ইউনিয়নের চিতলিয়া গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে মানিক পাশরীর দাফন ও গার্ড অব অনার দেয়ার সময় স্থানীয় জামায়াতে ইসলামী ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মিরা তার দাফনে বাধা দেন এবং খোড়া কবরও ভরাট করে ফেলে।

পরবর্তীতে পরিবারের নারী সদস্যরা মোবাইল ফোনের আলো জ্বালিয়ে রাতে অন্য জায়গায় কবর খুঁড়েন এবং পুলিশি নিরাপত্তায় তাকে দাফন করা হয়। জামাতে ইসলামির এমন বর্রবর আচরণের প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছেন গণফরামের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সুব্রত চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক ডা. মো. মিজানুর রহমান।

গণফোরাম নেতৃবৃন্দ এক বিবৃতে বলেন, জামাত ৭১ এর পরাজয় মেনে নিতে পারেনি বলেই বার বার মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধের প্রতি অসম্মান প্রদর্শন করছে। একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার লাশ নিয়ে জামাত যে বর্বরতার পরিচয় দিয়েছে তাতে প্রমাণ করে জামাত কোন রাজনৈতিক দল হতে পারেনা এবং জামাত জনগণের শত্রু হিসেবে বিবেচিত হবে।

মুক্তিযুদ্ধের মর্যাদা ও মৌলিক মানবাধিকারের ওপর আঘাত হেনে জামাত টিকে থাকতে পারবে না। এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে অপরাধিদের আইনের আওতায় এনে কঠিন বিচারের দাবি জানান গণফোরাম নেতৃবৃন্দ।
-প্রেসবিজ্ঞপ্তি

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *