নিউটার্ন ডেস্ক :যুদ্ধ ও যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্কের প্রভাবে রপ্তানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের আয় যখন কমেছে, তখন নতুন অর্থবছরের জন্য আগের চেয়ে ১৫ শতাংশ বেশি প্রবৃদ্ধি নির্ধারণ করল বিএনপি সরকার।বিবিসি সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে রপ্তানি আয় যেখানে প্রায় চার হাজার ৮০০ কোটি মার্কিন ডলার অর্জিত হয়েছে, নতুন লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে হলে সেখানে সাতশ’ কোটি ডলার বেশি রপ্তানি করতে হবে। “এই অর্থবছরে যেটা আমাদের রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা, সেটি হচ্ছে পণ্যের ক্ষেত্রেও ১৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি এবং সেবার ক্ষেত্রেও ১৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি। যদি আমরা সেটা অর্জন করতে পারি, তাহলে রপ্তানির পরিমাণ দাঁড়াবে প্রায় ৬৩ দশমিক ৪০ বিলিয়ন,” রোববার সচিবালয়ে বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। “তাতে পণ্য হবে ৫৫ দশমিক দুই বিলিয়ন এবং সেবা হবে আট দশমিক দুই বিলিয়ন। পণ্য এবং সেবা মিলিয়ে ৬৩ দশমিক চার বিলিয়ন হচ্ছে আমাদের এই অর্থবছরের রপ্তানির ঘোষিত লক্ষ্যমাত্রা,” যোগ করেন তিনি। এদিকে, বিদায়ী অর্থবছরে রপ্তানি আয় নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও প্রায় ১৩ শতাংশ কম অর্জিত হয়েছে। “এই যে অচল অবস্থা বা রপ্তানির ক্ষেত্রে একটা মন্দা অবস্থা, আশা করি এই অর্থবছরে সেটা কিছুটা হলেও আমরা এই বৃত্ত ভেঙে বেরিয়ে আসতে পারব,” বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী। Post Views: 69 Post navigation সুন্দরবনে বাড়ছে চোরা শিকারিদের দৌরাত্ম্য দাবানলে পুড়ছে ফ্রান্স – স্পেন