পড়াশোনার পাট শেষ করার পর এক বছরের মধ্যে সাতটি চাকরি ছাড়েন জনৈক তরুণ। অবশেষে চলতি বছরের মে মাসে পিঠ চুলকে দেয়ার কাজ শুরু করেন তিনি। আর সে পথেই হয় বিপুল রোজগার। ঘটনাটি চিনের।

নিউটার্ন ডেস্ক :

সম্প্রতি অভিনব এক পরিষেবা দেয়া শুরু করেছেন জনৈক তরুণ। অর্থের বিনিময়ে পিঠ চুলকে দেন তিনি। আর সেই কাজ করেই লক্ষ লক্ষ টাকা উপার্জনও করেন। ঘটনাটি চিনের। যদিও ঘটনাটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।আনন্দবাজার ডট কম

সংবাদ প্রতিবেদন অনুসারে, ওই তরুণের নাম ঝাং শিয়াওচিয়াও। বয়স ৩২। চিনের হুবেই প্রদেশের বাসিন্দা তিনি। পড়াশোনার পাট শেষ করার পর এক বছরের মধ্যে সাতটি চাকরি ছাড়েন। ৩০ বছর বয়স হওয়ার আগেই তিনি দু’টি সংস্থা গড়ে তোলেন, কিন্তু সফল হননি। অবশেষে চলতি বছরের মে মাসে এই ব্যবসাটি শুরু করেন।

ঝাংয়ের দাবি, সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিয়োয় এক তরুণীকে তার স্বামীর পিঠ চুলকে দিতে দেখেন তিনি, সেখান থেকেই এই ব্যবসাটির ভাবনা মাথায় আসে তার। ওই ভিডিয়ো দেখে ঝাংয়ের মনে পড়ে যায়, এ ভাবেই ছোটবেলায় তাকে ঘুম পাড়াতেন তার বাবা।

বর্তমানে দু’টি শাখা রয়েছে তার সংস্থার। জানা গেছে, সেগুলি থেকে মাসে প্রায় ১,০০,০০০ ইউয়ান (ভারতীয় মুদ্রায় ১৪ লক্ষ টাকার কিছু বেশি) আয় হয়। শেনচেনের বাওআন জেলায় তার প্রথম চুলকানি নিরাময়ের দোকান খোলেন। এর এক মাস পরে ফুতিয়ান জেলায় খোলেন আর একটি শাখা। খবর, তার দোকানের কর্মিরা বিশেষ ভাবে তৈরি সুচালো নখ পরে থাকেন। এগুলি দিয়েই গ্রাহকদের শরীরে আলতো করে আঁচড় দেয়া হয়। ঘণ্টায় ৩০০ ইউয়ানের (ভারতীয় মুদ্রায় চার হাজার টাকা) বিনিময়ে এই পরিষেবা মেলে।

ঝাং জানিয়েছেন, বড় শহরগুলোতে বহু মানুষ মানসিক চাপে ভোগেন। এই পরিষেবাটির লক্ষ্য হল মানুষকে স্বস্তি দেয়া এবং শান্তিতে ঘুমোতে সাহায্য করা। তার গ্রাহকদের মধ্যে ৭০ শতাংশই পুরুষ বলে উল্লেখ করেছেন ঝাং। জানা গেছে, দেশ জুড়ে ১০০টি শাখা খোলার পরিকল্পনা রয়েছে ঝাংয়ের সংস্থার। চুলকানি সারানোকে একটি বহুলস্বীকৃত পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করারও আশা রয়েছে ঝাংয়ের।

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *