-মোঃ আতিকুর রহমান মুফতি

দেশের ১৭ কোটি মানুষের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিতে নিরন্তর ঘাম ঝরানো কৃষকরাই তাদের পরবর্তী প্রজন্মকে কৃষিকাজে আনতে দ্বিধাবোধ করেন। সোনাফলা মাটির প্রতি তাদের যে দরদ কমেছে, তা কিন্তু নয়। বরং কোনো কোনো ক্ষেত্রে কৃষিতে মূলধনের ঘাটতি, চাষাবাদের উপকরণ সহজলভ্য না হওয়া, প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত পরামর্শের অভাবসহ উৎপাদিত ফসলের ন্যায্য মূল্য না পাওয়াই এর জন্য দায়ী। কৃষকের সমস্যাগুলো সমাধানে একদল স্বপ্নবাজ তরুণ ২০১৯ সালে ‘আই-ফার্মার’ নামে কৃষিপ্রযুক্তি কোম্পানি গড়ে তোলেন। তাদের লক্ষ্যই ছিল মৌসুমের শুরুতেই কৃষক যেন সহজ শর্তে অর্থায়ন পায়, একই সাথে মানসম্মত কৃষি উপকরণ ও পরামর্শ সহজলভ্য হয় এবং নিশ্চিত হয় উৎপাদিত ফসলে সহজ বাজার ব্যবস্থাপনা ও ন্যায্য মূল্য । প্রথমেই তারা বুঝতে পারেন কেবল কৃষককে নিয়ে ভাবলে সমস্যার সমাধান হবে না, বরং কৃষক-পাইকার-সরবরাহকারী-খুচরা বিক্রেতা সবাইকে একটি প্লাটফর্মে নিয়ে কৃষির ভ্যালুচেইন-কে বদলাতে হবে।

গত ১৪ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত ‘তারুণ্য, স্টার্টআপ ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে দেশের এগ্রিটেক প্ল্যাটফর্ম ‘আই-ফার্মার’(iFarmer)’র সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী ফাহাদ ইফাজ এসব তথ্য তুলে ধরেন। তিনি জানান, ‘আই-ফার্মার’ প্রথমে সরকারি ও পরে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সহায়তা নিয়ে এখন ৩৫০ জন কর্মির একটি বাণিজ্যিক কোম্পানিতে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে দেশের ৪২টি জেলার তিন লাখ ২০ হাজার কৃষক এই প্লাটফর্মে যুক্ত। আগামী তিন বছরের মধ্যে কোম্পানিটি ১০ লাখ কৃষকের কাছে পৌঁছাতে চায়। প্ল্যাটফর্মটিতে যুক্ত কৃষকরা পার্টনার ব্যাংক ও ক্রাউড ফান্ডিংয়ের মাধ্যমে এপর্যন্ত প্রায় এক হাজার ৩০০ কোটি টাকা অর্থায়ন পেয়েছেন। তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারে অর্থায়ন পেতে কৃষকদের ব্যয় সাশ্রয় হয়েছে ২০ শতাংশ। একইসাথে, স্বাচ্ছন্দ্যময় হয়েছে তাদের উৎপাদিত ফসলের বিপণন ব্যবস্থাপনা। সফলতার ধারাবাহিকতায় ‘আই-ফার্মার’ ২০২৪ সালে ‘ফোর্বস এশিয়া হান্ড্রেড টু ওয়াচ’ তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে এবং ২০২৬ সালে কৃষিতে ইনোভেশনের জন্য পেয়েছে ‘ওপেক ফান্ড ইনোভেশন অ্যাওয়ার্ড’ ।

কেবল ‘আই-ফার্মার’ নয়, দেশের তরুণ উদ্যোক্তারা এখন আইডিয়া, ইনোভেশন, স্টার্টআপ নিয়ে কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছে। নামিদামি কোম্পানিতে চাকুরি করার পরিবর্তে নিজে উদ্যোক্তা হয়ে অন্যদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করছে। উদ্যোগগুলোর কথা ভেবেই আইসিটি বিভাগের মাধ্যমে সরকার বর্তমান বাজেটে ৫০০ কোটি টাকার স্টার্টআপ তহবিল বরাদ্দ রেখেছে। এ তহবিল থেকে একজন উদ্যোক্তাকে প্রকল্পের ধরন ও সম্ভাবনা অনুযায়ী পাঁচ লাখ থেকে পাঁচ কোটি টাকা পর্যন্ত সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

বর্তমান সরকার ২০২৬ সালের নির্বাচনি ইশতেহারে স্টার্টআপ ও উদ্যোক্তা উন্নয়নকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়। এরই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ক’দিন আগেই ‘জাতীয় স্টার্টআপ ও উদ্যোক্তা প্ল্যাটফর্ম’-এর উদ্বোধন করেছেন। যা উদ্যোক্তাদের জন্য একটি জাতীয় ডিজিটাল লঞ্চপ্যাড হিসেবে কাজ করবে। এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে উদ্যোক্তারা সরকারি সহায়তা কর্মসূচি, আবেদন প্রক্রিয়া, প্রশিক্ষণ, মেন্টরিং, বিনিয়োগের সুযোগ, অংশীদার প্রতিষ্ঠান এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সেবা সম্পর্কে তথ্য ও সেবা গ্রহণ করতে পারবে। এই একক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম থেকেই সব সেবা পাওয়ার সুযোগের ফলে উদ্যোক্তা উন্নয়ন কার্যক্রমে সমন্বয় আরও বৃদ্ধি পাবে, সেবাপ্রাপ্তি সহজতর হবে এবং একটি কার্যকর জাতীয় স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম গড়ে উঠবে।

এর পাশাপাশি, দেশে একটি শক্তিশালী, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই স্টার্টআপ এবং উদ্যোক্তা ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। প্রাথমিক আইডিয়া থেকে শুরু করে উদ্যোক্তা উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ, মেন্টরিং, অনুদান, অর্থায়ন, বিনিয়োগ সংযোগ এবং ব্যবসা সম্প্রসারণ একজন উদ্যোক্তার সম্পূর্ণ যাত্রাপথে প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে বিভাগটি সমন্বিত বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। এই ধারাবাহিক উদ্যোগকে আরও বেগবান করা, সরকারি সহায়তা কার্যক্রমকে সমন্বিতভাবে উপস্থাপন করা এবং দেশের তরুণ, শিক্ষার্থী, গবেষক, উদ্ভাবক, নারী উদ্যোক্তা, বিনিয়োগকারী ও শিল্পখাতের অংশীজনদের মধ্যে কার্যকর সংযোগ স্থাপনের লক্ষ্যেই ‘জাতীয় স্টার্টআপ ও উদ্যোক্তা প্ল্যাটফর্ম’ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে বলে সহজেই অনুমেয়।

দেশের আটটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৩০ জনের বেশি শিক্ষার্থীসহ অনেক সফল উদ্যোক্তার উপস্থিতিতে ‘তারুণ্য, স্টার্টআপ ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ’ শীর্ষক অনুষ্ঠাটিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, “যাঁরা উদ্যোক্তা অথবা উদ্যোক্তা হতে চাচ্ছেন, তাঁদের সহযোগিতার জন্য সরকার পাশে আছে। এখন কাজ করার সময়। যাঁরা নতুন উদ্যোক্তা অথবা উদ্যোক্তা হতে চান, তাঁদের জন্য কাজটি অনেক কঠিন। কিন্তু ইচ্ছাশক্তি থাকলে সম্ভব।” তিনি বলেন, “আপনাদের অনেক কষ্টের মধ্য দিয়ে যেতে হবে। তবে সরকার আপনাদের পাশে আছে সহযোগিতা করার জন্য। আপনাদের পথ দেখানোর জন্য। আমরা সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে আপনাদের পাশে থাকার চেষ্টা করব।”

তরুণ উদ্যোক্তাদের এগিয়ে চলার পথকে সহজতর করতে ‘স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেড’ নামের প্রতিষ্ঠানটিও বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অধীন প্রতিষ্ঠিত একটি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ভেঞ্চার ক্যাপিটাল প্রতিষ্ঠান। এটি ৫০০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধন নিয়ে যাত্রা শুরু করে। দেশের প্রযুক্তিনির্ভর ও উদ্ভাবনী স্টার্টআপগুলোকে আর্থিক বিনিয়োগ, পরামর্শ এবং ব্যবসায়িক সহায়তা দিয়ে একটি শক্তিশালী স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম গড়ে তোলাই এর মূল লক্ষ্য। এটি মূলত প্রি-সিড, সিড এবং গ্রোথ স্টেজের স্টার্টআপে বিনিয়োগ করে। প্রতিষ্ঠানটি ইকুইটি, কনভার্টিবল ডেট (Convertible Debt) এবং বিশেষ ক্ষেত্রে গ্রান্টের মাধ্যমে অর্থায়ন করে। শুধু অর্থায়নই নয়, উদ্যোক্তাদের জন্য ব্যবসায়িক কৌশল নির্ধারণ, করপোরেট গভর্ন্যান্স, মেন্টরশিপ, বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে সংযোগ এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের সুযোগ তৈরিতেও সহায়তা করে। প্রতিষ্ঠানটি ই-কমার্স, ফিনটেক, হেলথটেক, এডটেক, এগ্রিটেক, লজিস্টিকস, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা(এআই) এবং সফটওয়্যারভিত্তিক বিভিন্ন স্টার্টআপে বিনিয়োগের মাধ্যমে নতুন উদ্যোক্তা তৈরি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণে কাজ করছে। স্টার্টআপ বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য হলো বাংলাদেশকে দক্ষিণ এশিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ স্টার্টআপ ও উদ্ভাবনকেন্দ্রে পরিণত করা। এজন্য তারা দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারী, উদ্যোক্তা, করপোরেট প্রতিষ্ঠান এবং উন্নয়ন সহযোগীদের মধ্যে একটি কার্যকর সংযোগ তৈরি করছে, যাতে উদ্ভাবনী ব্যবসাগুলো দ্রুত বিকাশ লাভ করতে পারে।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠানকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে আগামী নয় বছরের জন্য মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন। তাতে স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠানকে ২০৩৫ সাল পর্যন্ত স্থানীয় পর্যায়ে ১৫ শতাংশ ভ্যাট দিতে হবে না। একইভাবে সেবা আমদানি এবং স্থান ও স্থাপনা ভাড়ার ক্ষেত্রেও ১৫ শতাংশ ভ্যাট থেকে সম্পূর্ণ অব্যাহিত পাচ্ছে স্টার্টআপ। শুধু তা-ই নয়, স্টার্টআপ, উদ্ভাবনী উদ্যোগ ও প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবসার ক্ষেত্রে টার্নওভার কর শূন্য শতাংশ করার প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী। বর্তমানে শুধু তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ফ্রিল্যান্সিংয়ের ওপর কর অব্যাহতি আছে, যা অন্যসব ফ্রিল্যান্সিং আয়ের ক্ষেত্রেও এখন প্রযোজ্য হবে। এতে ফ্রিল্যান্সাররা তাঁদের আয় বৈধ পথে ব্যাংকিং চ্যানেলে দেশে আনতে উৎসাহিত হবেন। এ ছাড়া ফ্রিল্যান্সারের সেবার ওপর আরোপ করা ১৫ শতাংশ ভ্যাট অব্যাহতি সুবিধাও পাবেন বলে বাজেটে বলা হয়। কনটেন্ট ক্রিয়েটররা সেবার ওপর আরোপ করা ১৫ শতাংশ ভ্যাট অব্যাহতি সুবিধাও পাবেন। প্রযুক্তিখাতে প্রতিবছর দুই লাখ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। এ ছাড়া কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায় থেকে ফ্রিল্যান্সিং ও ক্রিয়েটিভখাতে ব্যাপক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আরও আট লাখ পরোক্ষ কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির লক্ষ্য রয়েছে। এ জন্য যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় থেকে যুবকদের ফ্রিল্যান্সিং, মোবাইল সার্ভিসিং, কেয়ারগিভিং ও ভাষা প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। বাংলাদেশে ইতোমধ্যে দুই লাখের বেশি ফ্রিল্যান্সার রয়েছেন, যদিও কোথাও কোথাও বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সারের সংখ্যা ১০ লাখ পর্যন্ত বলা হয়, যারা সরকার প্রদত্ত এসব সুবিধার সুফল পাবেন।

২০২২ সালের জনশুমারি ও গৃহগণনার চূড়ান্ত প্রতিবেদনে দেশের জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৯৮ লাখ। জনসংখ্যার দিক থেকে বিশ্বে সপ্তম হলেও আয়তনে ৯১তম অবস্থানে থাকা দেশটি বিশ্বের অন্যতম ঘনবসতিপূর্ণ রাষ্ট্র। ১৯৪৭ সালে পূর্ব পাকিস্তানের জনসংখ্যা ছিল প্রায় চার কোটি ৪০ লাখ; ১৯৭১ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় সাত কোটিতে। স্বাধীনতার পর গত পাঁচ দশকে জনসংখ্যা বেড়ে প্রায় ১৭ কোটিতে পৌঁছেছে। কিন্তু এই বিপুল জনসংখ্যার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ কর্মসংস্থান তৈরি না হওয়ায় বেকারত্ব ক্রমেই উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ত্রৈমাসিক শ্রমশক্তি জরিপ অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) দেশে বেকারত্বের হার বেড়ে ৪.৬৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৩.৯৫ শতাংশ। একই অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) এই হার ছিল ৪.৪৯ শতাংশ। তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে বেকারের সংখ্যা ছিল ২৫ লাখ ৫০ হাজার, যা ২০২৪ সালে বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৭ লাখে। ২০২৪ সালে স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষিত বেকারত্বের হার দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৩.৫ শতাংশ-যা প্রমাণ করে, উচ্চশিক্ষা অর্জন করেও দেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিত হচ্ছে না। তাই পেশাগত শিক্ষার প্রসার বা তরুণ-যুবাদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলা অপরিহার্য।

স্টার্টআপ ও উদ্যোক্তা বিকাশে সরকারের গৃহীত উদ্যোগসমূহের পাশাপাশি অতিশীঘ্রই কার্যকর ন্যাশনাল ফিনটেক পলিসি তৈরি, ক্রাউড ফান্ডিং এর জন্য লাইসেন্স প্রদান এবং এখাতের জন্য উপযুক্ত ট্যাক্স ও ভ্যাট পলিসি প্রণয়নের বিকল্প নেই। মনে রাখা দরকার, দেশের বেকারত্ব হ্রাসে উদ্যোক্তা বিকাশই সহজ সমাধান হতে পারে। বর্তমান সরকার সে চেষ্টাই করছে। কারণ, দেশের উদ্যোক্তরা ইতোমধ্যেই প্রমাণ করেছে, তারা ছোটো করে শুরু করেন কিন্তু বড়ো সমস্যা সমাধানের স্বপ্ন দেখান।

লেখক-সহকারী তথ্য অফিসার, পিআইডি

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *