সুগার আছে কি না, তা জানতে কোন কোন পরীক্ষা করবেন তা জানা থাকলেও, পেটের অসুখ ধরতে কী কী পরীক্ষা করা জরুরি তা অনেকেই জানে না। কোন কোন পরীক্ষার কথা বললেন চিকিৎসক? নিউটার্ন ডেস্ক : রাস্তার ধারে মোমো-চাউমিন-ফুচকা দেখলেই খেয়ে ফেলেন? তার পরেই অবধারিত অম্বল, পেটে ব্যথা, বুক জ্বালার কবলে পড়েন? বাঙালি এমনিতেই ভোজনরসিক। তার গ্যাস-অম্বলের সমস্যাও চিরন্তন। ডায়েটের ধার ধারেন না যারা, তারা চর্বচোষ্য যেমন খান, তেমনই ওষুধের উপরেও নির্ভরশীল হয়ে পড়েন। এতে আর যাই হোক পেট সারে না, উল্টে পেটের ক্ষতি হয়। এই কারণেই ক্রনিক পেটের রোগে ভোগেন কেউ কেউ। মুঠো মুঠো অ্যান্টিবায়োটিক খেতে খেতে ওষুধও এক সময়ে কাজ করা বন্ধ করে দেয়। অন্ত্রের স্বাস্থ্যের উন্নতির জন্য অনেকেই প্রোবায়োটিক, বিশেষ খাদ্যাভ্যাস বা সাপ্লিমেন্টের উপরে নির্ভর করেন। তবে চিকিৎসকরা বলেন, দীর্ঘস্থায়ী উপসর্গের ক্ষেত্রে কেবল অনুমানের উপর নির্ভর না করে মূল কারণটি সনাক্ত করা ভীষণ জরুরি। সুগার আছে কি না, তা জানতে কোন কোন পরীক্ষা করবেন তা জানা থাকলেও, পেটের অসুখ ধরতে কী কী পরীক্ষা করা জরুরি তা অনেকেই জানে না।আনন্দবাজার ডট কম গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজিস্ট সৌরভ শেট্টী অন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কিছু পরীক্ষার কথা বলেছেন। জেনে নিন কোন কোন পরীক্ষা রয়েছে সেই তালিকায়। ফিক্যাল ক্যালপ্রোটেক্টিন: এ ক্ষেত্রে মল পরীক্ষা করে জানা যায়, অন্ত্রে কোনও প্রদাহ বা ইনফ্ল্যামেশন আছে কি না। ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম বা আইবিএস আছে কি না, তা-ও ধরা পড়ে এই পরীক্ষায়। টিটিজি আইজিএ: এই রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে সিলিয়াক রোগ নির্ণয় করা যায়। অনেকের গ্লুটেন (গমজাতীয় খাবারে প্রাপ্ত প্রোটিন) থেকে অ্যালার্জি হয়। সিলিয়াক রোগ হল সেই সমস্যারই নাম। এই রোগে ক্ষুদ্রান্ত্রের ক্ষতি হয় এবং পুষ্টির যথাযথ শোষণ ব্যাহত হয়। এইচ পাইলোরি ব্রিদ টেস্ট: এই পরীক্ষার মাধ্যমে কোনও কাটাছেঁড়া বা জটিল প্রক্রিয়া ছাড়াই গ্যাস্ট্রাইটিস, আলসার এবং দীর্ঘমেয়াদি পাকস্থলীর সমস্যার জন্য দায়ী ব্যাক্টেরিয়ার সনাক্তকরণ সম্ভব হয়। প্যানক্রিয়াটিক স্টুল ইলাস্টেস: এই পরীক্ষা থেকে বোঝা যায় আপনি ঠিকমতো খাবার হজম করতে পারছেন কি না। ফ্যাট, প্রোটিন ও শর্করা ভেঙে ফেলার জন্য অগ্ন্যাশয় পর্যাপ্ত উৎসেচক তৈরি করছে কি না তা এই মল পরীক্ষার মাধ্যমে যাচাই করা হয়। Post Views: 21 Post navigation আইভিএফ পদ্ধতিতে সবসময় যমজ বা ট্রিপলেটের জন্ম হয়? কোন ক্ষেত্রে এটাই গর্ভধারণের একমাত্র পথ?