আন্তর্জাতিক ডেস্ক : নেপালে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার দুই দিন পর শুক্রবার উদ্ধার হওয়া এক শিশুকন্যা হাসপাতালে তার বাবা-মায়ের সঙ্গে পুনর্মিলিত হয়েছে। কাঠমান্ডুর টিচিং হাসপাতালের এক কর্মকর্তা বিবিসিকে জানিয়েছেন, পাঁচ বছর বয়সী মানিশার অবস্থা এখন স্থিতিশীল।বিবিসি রাসুয়া জেলার সিয়াব্রুবেসির কাছে উদ্ধারকর্মিরা জীবিত কাউকে খুঁজছিলেন। এ সময় তারা মনে করেন, ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকা একটি বিড়ালের শব্দ শুনতে পেয়েছেন। নেপালের আর্মড পুলিশ ফোর্সের পুলিশ কর্মকর্তা সঞ্জু খাত্রি জানান, দলগুলো এলাকায় তল্লাশি চালায় এবং ধ্বংসাবশেষ সরানো শুরু করে। তখনই তারা মানিশাকে খুঁজে পান, যিনি ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়ে ছিলেন। তাকে উদ্ধার করতে প্রায় দুই ঘণ্টা সময় লাগে। একটি ভিডিওতে ধ্বংসস্তূপের ভেতর থেকে তাকে জীবিত উদ্ধার করার মুহূর্ত দেখা যায়। কর্মকর্তা জানান, শিশুটি জীবিত ছিল, তবে খুব সামান্য নড়াচড়া করছিল। উদ্ধারকারী দল একটি হেলিকপ্টার চেয়েছিল, কিন্তু প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে তাকে সেখান থেকে সরিয়ে নেয়া সম্ভব হয়নি। এরপর দলগুলো তাকে বাহিনীর উদ্ধার শিবিরে নিয়ে যায় এবং পানি দেয়। কিছুক্ষণ পর মানিশার জ্ঞান ফিরে আসে এবং তাকে চেতনা ফিরিয়ে আনতে সেদ্ধ ভাতের মাড় খাওয়ানো শুরু হয়। শিশুটি মানসিকভাবে আঘাতপ্রাপ্ত ছিল। Post Views: 24 Post navigation সুড়ঙ্গে আটকে থাকা শ্রমিকদের জন্য বাইরে থেকে বাতাস দেয়া হচ্ছে তিব্বতে ‘ভূমিধসে নদী অবরুদ্ধ হয়ে আরেকটি হ্রদের সৃষ্টি হয়েছে’