আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, কয়েকদিন আগে তিব্বতের একটি হ্রদে আরেকটি ভূমিধসের কারণে নতুন একটি বাঁধ তৈরি হয়েছে।

ভূমিধসের কারণে কোনো ঝর্ণা বা নদীর প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেলে অনেক সময় পানি জমে হ্রদের সৃষ্টি হয়ে যায়।বিবিসি

বুধবার আকস্মিক বন্যায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের পর নেপালের রাসুয়ার সাথে সংযুক্ত তিব্বতের কেরুং এ একটি হ্রদ সৃষ্টি হয়েছে।

ফলে এমন আশঙ্কা করা হচ্ছিল যে, হ্রদটি ভেঙে পড়ে আরেকটি বড় বন্যা ঘটাবে।

তবে, নতুন হ্রদটি এখন ভরে গেছে এবং নিজে থেকেই শুকিয়ে যাচ্ছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

চীনের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সিসিটিভির তথ্য অনুযায়ী, নজরদারির একটি ড্রোন বুধবার সৃষ্ট হ্রদটির দুই দশমিক আট কিলোমিটার ভাটিতে “প্রুকপু চিয়াং ঝাংবু” নদীতে একটি ভূমিধস সনাক্ত করেছে।

চীনের জরুরি ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়, দ্রুত পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করতে বিশেষজ্ঞদের নির্দেশ দিয়েছে।

তবে, সিসিটিভি আরও জানিয়েছে, কেরুং বন্দরের উদ্ধার কর্মিদের আপাতত একটি নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়া হয়েছে।

শুক্রবার পাহাড় থেকে পড়া বরফ ও তুষারে হ্রদটি ভরে যাওয়ায় জল উপচে পড়ে।

এরপর নেপালের ভাটিতে অবস্থিত ভোটেকোশী এবং ত্রিশূলী নদীর পানির প্রবাহও বাড়তে দেখা যায়।

এরপর থেকে চীনা বিশেষজ্ঞরা, ক্রমাগত হ্রদের পানির স্তর পর্যবেক্ষণ করছেন।

যদি হ্রদটি থেকে পানি উপচে পড়তে দেখা যায় তাহলে চীনা কর্তৃপক্ষ সতর্কবার্তা জারির ব্যবস্থাও নিয়েছে বলে জানা গেছে।

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *