কালীঘাট তৃণমূলের তরফে ঋতব্রত ছাড়াও অরূপ রায়, জাভেদ খান, সন্দীপন সাহা, বিপ্লব মিত্রের নামোল্লেখ করে অভিযোগ জানানো হয়েছে। এই প্রসঙ্গে ঋতব্রত বলেন, “অভিযোগ যে কেউ জানাতেই পারেন।” আন্তর্জাতিক ডেস্ক :দলের নাম, প্রতীক ভাঁড়িয়ে কর্মিদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবিরের নেতারা! এমন অভিযোগ তুলে দুই থানায় অভিযোগ জানাল কালীঘাট তৃণমূল। কালীঘাট তৃণমূলের তরফে সাংসদ দোলা সেন কালীঘাট এবং নিউটাউন থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। কালীঘাট তৃণমূলের তরফে ঋতব্রত ছাড়াও অরূপ রায়, জাভেদ খান, সন্দীপন সাহা, বিপ্লব মিত্রের নামোল্লেখ করে অভিযোগ জানানো হয়েছে। এই প্রসঙ্গে ঋতব্রত বলেন, “অভিযোগ যে কেউ জানাতেই পারেন। দেশে আইন এবং নির্বাচন কমিশন বলে কিছু ব্যাপার আছে। সেই আইন আর নির্বাচন কমিশনের উপর ভরসা থাকুক।”আনন্দবাজার ডট কম গত সোমবার (২২ জুন) নিউটাউনের একটি বিলাসবহুল হোটেলে তৃণমূলের ‘বিশেষ অধিবেশনের’ আয়োজন করেছিল ঋতব্রত শিবির। ওই বৈঠকে দলের বেশ কয়েক জন বিধায়ক, প্রাক্তন বিধায়কের উপস্থিতিতে জাতীয় কর্মসমিতিও গড়ে ফেলেন ঋতব্রতরা। সেই কর্মসমিতিতে ঠাঁই হয়নি তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। কালীঘাট তৃণমূল মনে করছে বিদ্রোহী শিবিরের এই পদক্ষেপের নেপথ্যে রয়েছেন অন্য কয়েক জন। নিউটাউন থানার ওসি-কে পাঠানো চিঠিতে এই ‘নেপথ্যচারীদের’ সনাক্ত করার আর্জি জানানো হয়েছে। ঋতব্রতেরা সোমবার যে হোটেলে বৈঠক করেছিলেন, সেটি নিউটাউন থানা এলাকায় অবস্থিত। সেই কারণেই ওই থানায় তৃণমূল অভিযোগ জানাল বলে মনে করা হচ্ছে। ঋতব্রত শিবিরের নেতাদের দলীয় পদাধিকারের বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে মমতার তৃণমূল। এ ক্ষেত্রে গত সোমবার বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্র বসুকে দেয়া ঋতব্রতের চিঠির কথা উল্লেখ করেছে তারা। ওই চিঠিতে ঋতব্রত নিজেকে তৃণমূলের ‘সাধারণ সম্পাদক’ বলে দাবি করেছেন। কিন্তু তৃণমূল তাকে এমন কোনও পদ দেয়নি বলে জানিয়েছে কালীঘাট তৃণমূল। কালীঘাট থানার ওসি-কে পাঠানো চিঠিতে তৃণমূলের অন্যতম জাতীয় যুগ্ম সম্পাদক দোলার অভিযোগ, নিজেদের দলের সাধারণ সম্পাদক বলে দাবি করে জাভেদ এবং সন্দীপন শনিবার বিকেলে কলকাতার সব তৃণমূল কাউন্সিলরকে বৈঠকে ডেকেছিলেন। দলের কর্মি-সমর্থকদের বিভ্রান্ত করতেই ঋতব্রতেরা অবৈধ ভাবে সমান্তরাল সংগঠন চালানোর চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ দোলার। কালীঘাট তৃণমূলের এ-ও অভিযোগ, দলের কর্মি-সমর্থকদের বিভ্রান্ত করার পাশাপাশি তৃণমূলের ভাবমূর্তি নষ্ট করছেন ঋতব্রত-সন্দীপনরা। দলের নাম এবং প্রতীক ব্যবহার করে অবৈধ কাজ করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ তুলেছেন দোলা। এই সূত্রেই ঋতব্রতরা কী ভাবে দলের হয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করছেন, তাদের ছাপার খরচ কে দিচ্ছেন, সমাজমাধ্যমে কোন কোন অ্যাকাউন্ট থেকে ‘বিদ্রোহী’ তৃণমূলের বার্তা ছড়ানো হচ্ছে— এই সব পুলিশকে খতিয়ে দেখার আর্জি জানিয়েছে মমতার তৃণমূল। দোলার আবেদন, তার অভিযোগের প্রেক্ষিতে এফআইআর দায়ের করে ‘স্বচ্ছ এবং সবিস্তার’ তদন্ত করুক পুলিশ। Post Views: 32 Post navigation ইরানে আবারো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হামলা, পাল্টা হামলা ইরানের