মুরছালিন হোসেন, বিরল (দিনাজপুর) প্রতিনিধি।।দিনাজপুর আইডিয়াল রেসিডেন্সিয়াল স্কুলে দেয়ালিকা উন্মোচন ও বিজ্ঞান মেলার উদ্বোধন করা হয়েছে।শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে দিনাজপুর সদর উপজেলার ষষ্টিতলায় দিনাজপুর আইডিয়াল রেসিডেন্সিয়াল স্কুলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে দিনব্যাপী দেয়ালিকা উন্মোচন ও বিজ্ঞান মেলার উদ্বোধন করেন দিনাজপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. লুৎফর রহমান।এসময় উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর আইডিয়াল রেসিডেন্সিয়াল স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মাহমুদ হোসেন, পরিচালনা পর্ষদের সদস্য শাহনেওয়াজ তালুকদার, এমদাদ হোসেন, আজগার আলী, রিপন, প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আলী, কো-অর্ডিনেটর রুকসানা খাতুনসহ অত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সকল শিক্ষক-কর্মচারী, শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকবৃন্দ।এসয় প্রধান অতিথি প্রফেসর মো. লুৎফর রহমান বলেন, একটি বিদ্যালয় শুধু পাঠ্যবই পড়ানোর স্থান নয়; এটি শিক্ষার্থীদের জ্ঞান, মেধা, সৃজনশীলতা, নৈতিকতা ও নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। একটি আদর্শ বিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের শুধু পরীক্ষায় ভালো ফল করার জন্য তৈরি করে না, বরং তাদের একজন ভালো মানুষ ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলে। এই দিক থেকে দিনাজপুর আইডিয়াল রেসিডেন্সিয়াল স্কুলের শিক্ষা কার্যক্রম, সাংস্কৃতিক চর্চা, সৃজনশীল কর্মকাণ্ড এবং বিজ্ঞানভিত্তিক আয়োজন সত্যিই প্রশংসনীয়।তিনি আরও বলেন, বিজ্ঞান মেলা শিক্ষার্থীদের কৌতূহলকে বাস্তব জ্ঞান ও উদ্ভাবনী চিন্তার সঙ্গে যুক্ত করার একটি চমৎকার মাধ্যম। বিজ্ঞানকে শুধু বইয়ের পাতায় সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তব জীবনের সমস্যা সমাধানে কীভাবে কাজে লাগানো যায়, বিজ্ঞান মেলার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তা হাতে-কলমে শেখার সুযোগ পায়। আমি মনে করি, আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের বিজ্ঞানী, গবেষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, শিক্ষক ও দেশ গড়ার কারিগর। তাই তাদের মধ্যে প্রশ্ন করার সাহস, যুক্তিবাদী চিন্তা এবং নতুন কিছু আবিষ্কারের আগ্রহ তৈরি করা অত্যন্ত জরুরি। আমি দিনাজপুর আইডিয়াল রেসিডেন্সিয়াল স্কুলের সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষার্থী এবং আয়োজকদের আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। বিশেষ করে যারা নিজেদের মেধা ও শ্রম দিয়ে দেয়ালিকা ও বিজ্ঞান মেলায় অংশগ্রহণ করেছে, তাদের প্রতি আমার শুভকামনা রইল। আমি আশা করি এই বিদ্যালয় ভবিষ্যতেও শুধু ভালো ফলাফল নয়, জ্ঞান, মানবিকতা, সৃজনশীলতা ও বিজ্ঞানমনস্কতায় সমৃদ্ধ একটি প্রজন্ম গড়ে তুলবে। আমি দিনাজপুর আইডিয়াল রেসিডেন্সিয়াল স্কুলের উত্তরোত্তর সাফল্য, সমৃদ্ধি এবং সকল শিক্ষার্থীর উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করছি।এসময় অত্র বিদ্যালয়ের পরিচালক মাহমুদ হোসেন বলেন, আজকের দেয়ালিকা শিক্ষার্থীদের চিন্তা, কল্পনা, সাহিত্যচর্চা ও সৃজনশীলতার একটি সুন্দর প্রকাশ। একটি দেয়ালিকা একটি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মেধা ও মননের প্রতিচ্ছবি হয়ে ওঠে। এখানে শিক্ষার্থীরা নিজেদের লেখা, চিন্তা ও প্রতিভা প্রকাশের সুযোগ পায়—যা তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। Post Views: 32 Post navigation নিখোঁজের একদিন পর নদীতে ভেসে উঠলো কিশোরের লাশ দিনাজপুর ও ঠাকুরগাঁও সীমান্তে পৃথক ২টি অভিযান চালিয়ে ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট, যৌন উত্তেজক সিরাপ. একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার