ঘুম থেকে ওঠার সময়ে ঘাড় শক্ত হয়ে যায় যখন তখন। সেই ব্যথা ঘাড় থেকে কাঁধেও নামে। একটানা দীর্ঘ সময় বসে যারা কাজ করেন, তাদের ঘাড়ে ব্যথা বেশি হয়। কী করলে এমন ব্যথা কমবে?

নিউটার্ন ডেস্ক :

ঘাড়, কাঁধের যন্ত্রণা এক বার শুরু হলে সারার নাম করে না। কম্পিউটার বা ল্যাপটপে একটানা কাজ করেন যারা অথবা দীর্ঘ সময় ধরে ঘাড় নিচু করে মোবাইল ঘাঁটাঘাঁটি করেন, তারা এমন ব্যথার সঙ্গে পরিচিত। ঘাড় ঘোরাতে গেলেই যন্ত্রণা আরও বাড়ে। সেই সঙ্গে মাথায় তীব্র ব্যথা হয়। মাইগ্রেন থাকলে বিপদ আরও। তখন মাথাব্যথার সঙ্গে মাথাঘোরা, বমি ভাব এ সব লক্ষণও দেখা দেয়। অনেকেই ভাবেন, ব্যথানাশক ওষুধ খেলেই ব্যথা কমে যাবে। আদতে তা হয় না। এর জন্য ব্যায়ামই সবচেয়ে বেশি কার্যকর।

নেক রিলিজ

আপনার ঘাড়টি প্রথমে ডান দিকে হেলিয়ে রাখুন। এক মিনিট রেখে তার পর বাঁ দিকে হেলান। একই ভাবে সামনে ও পিছনেও ঘাড়টি সঞ্চালন করুন। আপনার কাঁধের পেশিতে টান অনুভব করবেন। কাঁধের ব্যথা কমবে।

নেক স্ট্রেচ

চেয়ারে সোজা হয়ে বসে দুই কাঁধ টানটান রাখতে হবে। শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক রেখে ঘাড়-মাথা ডান দিকে থেকে বাঁ দিকে ঘুরিয়ে আনুন ১০ বার। মাথা সোজা করার পর বাঁ দিক থেকে ডান দিকে ঘুরিয়ে আনুন ১০ বার। এ বার মাথা পিছন দিকে হেলিয়ে দিন যথাসম্ভব। শেষে সামনের দিকে ঝোঁকান। এটাও ১০ বার।

ধনুরাসন

পেট উপুড় করে শুয়ে পড়ুন। তারপর হাঁটু ভাঁজ করে পায়ের পাতা যতখানি সম্ভব পিঠের উপর নিয়ে আসুন। এ বার হাত দুটো পিছনে নিয়ে গিয়ে গোড়ালির উপর শক্ত করে চেপে ধরুন। চেষ্টা করুন পা দুটো মাথার কাছাকাছি নিয়ে আসতে। এই ভঙ্গিতে মেঝে থেকে বুক হাঁটু ও উরু উঠে আসবে। তলপেট ও পেট মেঝেতে রেখে উপরের দিকে তাকান। এই ভঙ্গিতে স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাস নিয়ে ২০ থেকে ৩০ সেকেন্ড থাকুন। তার পর পূর্বের ভঙ্গিতে ফিরে যান। এই আসন বার তিনেক করতে পারেন।

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *