নিউটার্ন ক্রীড়া ডেস্ক : অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে সেঞ্চুরি করেন বাংলাদেশের মিডল অর্ডার ব্যাটার সোবহানা মোস্তারি। তার রেকর্ডময় সেঞ্চুরিতেও অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৯ উইকেটের বড় ব্যবধানে হার এড়াতে পারেনি টাইগ্রেসরা। তবে সোবহানার সেঞ্চুরি তার ও দলের জন্য অনেক বড় অর্জন বলে মনে করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি। ব্রিজবেনের অ্যালান বোর্ডার মাঠে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ৮ রানে ৩ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। চতুর্থ উইকেটে ২৪৩ বলে ১৯৫ রানের জুটি গড়ে ধ্বংসস্তূপ থেকে দলকে খেলায় ফেরান জ্যোতি ও সোবহানা। বাংলাদেশের ওয়ানডে ইতিহাসে যেকোন উইকেটে এটিই সর্বোচ্চ রানের জুটি। এই জুটি গড়ার পথে ১২৩ বল খেলে ১৫টি চারে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ৩৫তম ম্যাচে প্রথম সেঞ্চুরির স্বাদ নেন সোবহানা। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম ও ওয়ানডেতে বাংলাদেশের তৃতীয় সেঞ্চুরিয়ান সোবহানা। এর আগে ফারজানা হক দু’বার ও জ্যোতি একবার সেঞ্চুরি করেন। ইনিংসের ৪৮তম ওভারে আউট হবার আগে ১৮টি চারে ১৩৪ বলে ১১৮ রান করেন সোবহানা। বাংলাদেশের ওয়ানডে ইতিহাসে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রানের রেকর্ডও গড়েছেন সোবহানা। এর আগের রেকর্ডটি ছিল ফারজানার। ২০২৩ সালে মিরপুরে ভারতের বিপক্ষে ১০৭ রানের ইনিংস খেলেছিলেন ফারজানা। সোবহানার সেঞ্চুরি দিন ৭৪ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলেন জ্যোতি। তারপরও দলের হার রুখতে পারেননি তারা।তবে ম্যাচ শেষে সোবহানার প্রশংসা করেছেন জ্যোতি। তিনি বলেন, সোবহানা অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি পেয়েছে। আমার মতে, এটি তার জন্য একটি দারুণ অর্জন।’ তিনি আরও বলেন, ‘এটি সত্যিই ঐতিহাসিক এবং নিঃসন্দেহে তার ও দলের জন্য একটি বড় অর্জন। আমি তার সাথে ব্যাট করার সময় তাকে বারবার বলছিলাম যে, সেঞ্চুরি করতে হবে। আমার মনে হয় সেই অর্জনে আমিও কিছুটা অবদান রাখতে পেরেছি। তার জন্য আমি খুবই আনন্দিত, কারণ সে একজন চমৎকার খেলোয়াড় এবং দীর্ঘদিন ধরেই ব্যাটিংয়ে ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে। আমার মনে হয় এই সাফল্য তার প্রাপ্যই ছিল।’ নিজের সেঞ্চুরি নিয়ে খুশি সোবহানা, ‘আমার সেঞ্চুরি নিয়ে আমি খুব খুশি। এজন্য কোচ, সতীর্থদের ধন্যবাদ জানাতে চাই। তারা আমাকে সমর্থন দিয়েছে। গত ম্যাচে দ্রুত আউট হবার পর আমি আমার ভুল বুঝতে পারি এবং কোচ ও সতীর্থদের কাছ থেকে পরামর্শ নিয়েছি। পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলে সফল হয়েছি।’ দলের প্রধান কোচ ডেভিড হেম্পের কথা শুনে বড় ইনিংস খেলতে পেরেছেন বলে জানান সোবহানা। তিনি বলেন, ‘দ্বিতীয় পানি বিরতির সময় কোচ হেম্প আমাকে বলেন, ৪২ ওভার পর্যন্ত ব্যাট করতে হবে। আমি কোচের পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলার চেষ্টা করেছি। দ্রুত ৩ উইকেট পড়ে যাবার পর পরিস্থিতি ও বলের ধরণ বুঝে খেলার চেষ্টা করেছি। উইকেটে সেট হয়ে নিজের শক্তির জায়গাগুলো কাজে লাগানোর চেষ্টা করেছি।’নিউটার্ন/এআর Post Views: 8 Post navigation চট্টগ্রাম ওপেন তায়কোয়ানডোতে ১২টি পদক জিতল রাজশাহী তায়কোয়ানডো দোজাং