নিউইয়র্ক, ২৮ অক্টোবর ২০২৬: টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রতিটি পর্যায়ে নারীর কার্যকর ও অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত আইরিন জুবাইদা খান। বুধবার জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে নারী, শান্তি ও নিরাপত্তাবিষয়ক (ডব্লিউপিএস) এক উন্মুক্ত বিতর্কে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এ আহ্বান জানান।
নিরাপত্তা পরিষদের ১৩২৫ নম্বর প্রস্তাবের অন্যতম মূল সহ-উদ্যোক্তা হিসেবে বাংলাদেশের ভূমিকা তুলে ধরে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান নারী, শান্তি ও নিরাপত্তাবিষয়ক এজেন্ডা বাস্তবায়নে দেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, সহিংসতা প্রতিরোধ, বিরোধের বিস্তার রোধ এবং টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠায় তৃণমূল পর্যায়ে নারীদের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ।
রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশ ছয় বছর আগে নারী, শান্তি ও নিরাপত্তাবিষয়ক জাতীয় কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করে। প্রথম পর্যায়ের বাস্তবায়ন সম্পন্ন হওয়ার পর বর্তমানে দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ চলছে। এ পর্যায়ে নাগরিক সমাজ ও নারী সংগঠনসহ সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে পরামর্শের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, সহিংসতা প্রতিরোধে কিশোরী ও তরুণীদের প্রশিক্ষণ ও সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে বিরোধ নিষ্পত্তি ও মধ্যস্থতায় তাঁদের সক্রিয় অংশগ্রহণ জরুরি। তৃণমূল পর্যায়ে নারীদের উদ্যোগ বিরোধের বিস্তার রোধ এবং শান্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
রাষ্ট্রদূত খান নারী অধিকারকর্মি ও সংগঠনগুলোর জন্য বাড়তি সহায়তা, সংঘাতকবলিত এলাকায় নারীদের সুরক্ষা এবং শান্তিরক্ষা কার্যক্রম ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য ধারাবাহিক অর্থায়ন নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, শান্তি ও নিরাপত্তাকে টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করতে সিদ্ধান্ত গ্রহণের সব পর্যায়ে নারীর কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা জরুরি।

-প্রেস বিজ্ঞপ্তি

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *