ব্যাডমিন্টন কোর্টে দ্রুত গতি, দীর্ঘক্ষণ মনোযোগ এবং একের পর এক কঠিন ম্যাচ সামলাতে শুধু শারীরচর্চাই যথেষ্ট নয়। তার সঙ্গে দরকার সঠিক খাবার এবং ঠিক সময়ে খাওয়া। টুর্নামেন্টের আগে লক্ষ্য কী খান?

স্পোর্টস ডেস্ক :

ব্যাডমিন্টনের বিশ্বচ্যাম্পিয়নশিপ থেকে বিদায় নিয়েছেন বাঙালি তারকা খেলোয়াড় লক্ষ্য সেন। কিন্তু তা বলে তার প্রস্তুতিতে কোনও খামতি ছিল না। আগামী দিনেও থাকবে না। তার ফিটনেস রুটিনের সম্পর্কে জানলে বোঝা যাবে, বড় লক্ষ্যের দিকে এগোচ্ছেন লক্ষ্য।আনন্দবাজার ডট কম

ব্যাডমিন্টন কোর্টে দ্রুত গতি, দীর্ঘক্ষণ মনোযোগ এবং একের পর এক কঠিন ম্যাচ সামলাতে শুধু শারীরচর্চাই যথেষ্ট নয়। তার সঙ্গে দরকার সঠিক খাবার এবং ঠিক সময়ে খাওয়া। টুর্নামেন্টের আগে তার ডায়েটের মূল কথা— সহজ, পরিচিত ঘরোয়া খাবার, পর্যাপ্ত প্রোটিন এবং বার বার অল্প পরিমাণে খাওয়া। টুর্নামেন্ট না থাকলে ‘চিট ডে’-র সুবিধা নেন তরুণ খেলোয়াড়।

অলিম্পিক্‌সের প্রস্তুতির সময় লক্ষ্যের মা তার সঙ্গেই ছিলেন। খেলা শুরুর দু’সপ্তাহ আগে যখন লক্ষ্য একটি মার্শাল আর্ট ক্যাম্পে অনুশীলনে ব্যস্ত ছিলেন, তখন তার মা নিজের হাতে সম্পূর্ণ ঘরোয়া খাবার তৈরি করে দিয়েছিলেন। লক্ষ্যের মতে, এই ঘরের খাবার তার পারফরম্যান্সে ভাল প্রভাব ফেলেছিল। এমনকি, বাড়িতেও নিয়মটা একই রকম। লক্ষ্য খেলা বা অনুশীলন শেষ করে আসার ঠিক পর পরই যাতে খেতে পারেন, সে ভাবেই তার মা সব সময়ে সঠিক সময়ে পুষ্টিকর খাবার তৈরি করে রাখেন।

লক্ষ্যের দিনযাপনটা ঠিক কেমন?

সকাল: বাঙালি ব্যাডমিন্টন তারকা খুব ভোরে ওঠেন। সকাল সাড়ে ৮টায় অনুশীলন শুরু হয়ে যায়। তাই ৭টা নাগাদ এক গ্লাস স্মুদি খেতে হয় তাকে। সঙ্গে ২-৩টি ডিমও খান তিনি। স্মুদিতে থাকে আপেল, কলা, কিউয়ি, ব্লুবেরি, স্ট্রবেরির মতো ফল। আমন্ডের দুধ আর কয়েকটি বাদাম দিয়ে পিষে নিয়ে খেয়ে নেন খেলোয়াড়। এর ফলে কার্বোহাইড্রেট, ফাইবার এবং অল্প পরিমাণে প্রোটিনও থাকে তাতে। প্রথম ২-৩ ঘণ্টার অনুশীলনপর্বের জন্য এমন হালকা প্রাতরাশ বেশ উপযুক্ত।

দুপুর : অনুশীলন থেকে ফিরে এসে বেলা ১২টার মধ্যে খাওয়াদাওয়া শেষ করে নেন লক্ষ্য। অতিরিক্ত খান না। কিন্তু তাতে অবশ্যই ভাত থাকে। সঙ্গে মাছ বা মাংসও থাকা জরুরি। কোনও কোনও দিন রেড মিটও খেয়ে নেন তিনি। দুপুরে খাওয়ার পর একটু ঘুম যে চাই-ই চাই। বাঙালির সন্তান বলে কথা, ভাতঘুম না হলে চলে?

বিকেল: বিকেলের অনুশীলনের আগে হালকা খাবার খান লক্ষ্য। হয় আর একটি স্মুদি অথবা ওট্‌স কিংবা ফল খান তিনি। সন্ধ্যা ৬টা থেকে সাড়ে ৬টার মধ্যে খেলার অনুশীলন শেষ হয় তার।

রাত: ফিরে এসে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে নৈশভোজ সেরে নেন লক্ষ্য। পেট ভরে খাবার খেয়ে দিনের মতো খাওয়ার পাট চুকিয়ে ফেলেন ২৫ বছরের খেলোয়াড়।

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *