লালমনিরহাট :লালমনিরহাটের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ঐতিহ্যবাহী তীর্থস্থান সিন্দুরমতির দিঘিকে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত একটি আকর্ষণীয় ধর্মীয় ও পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।গতকাল লালমনিরহাট সদর উপজেলার পঞ্চগ্রাম ইউনিয়নের সিন্দুরমতির দিঘি ও পুকুরপাড়ের উন্নয়নকাজ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।এ সময় মন্ত্রী বলেন, সিন্দুরমতির দিঘি শুধু একটি ঐতিহাসিক স্থান নয়, এটি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ একটি তীর্থস্থান। তাই এর ঐতিহ্য অক্ষুণ্ন রেখে প্রয়োজনীয় উন্নয়ন করা হবে, যেন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা ভক্তরা নির্বিঘ্নে পূজা- পার্বণ ও পবিত্র স্নান করতে পারেন। দীর্ঘদিনের অযত্ন ও অবহেলায় ঐতিহ্যবাহী এ স্থানটি অনেকটা জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। অথচ এর সাথে স্থানীয় ইতিহাস, লোককথা ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় আবেগ জড়িয়ে রয়েছে।স্থানীয়ভাবে প্রচলিত ইতিহাসের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, একসময় এ অঞ্চলে পানির সংকট দেখা দিলে জমিদার নারায়ণ চক্রবর্তী এখানে একটি পুকুর খনন করেন। কিন্তু পুকুর খননের পরও পানি না ওঠায় তাঁর দুই কন্যা সিন্দুর ও মতি নিজের জীবন উৎসর্গ করেন বলে স্থানীয়ভাবে প্রচলিত রয়েছে। তাদের নাম অনুসারেই স্থানটির নাম ‘সিন্দুরমতি’ হয়েছে বলে ধারণা করা হয়তিনি আরো বলেন, আমরা ইতোমধ্যে এই ঐতিহ্যবাহী স্থানটির উন্নয়নকাজ শুরু করেছি। তবে এ বছর আগাম বৃষ্টির কারণে কাজ পুরোপুরি শেষ করা সম্ভব হয়নি। আগামী অক্টোবরের শেষ দিকে অথবা নভেম্বর মাসে পুনরায় উন্নয়নকাজ শুরু করা হবে। সিন্দুরমতির দিঘির উন্নয়ন শুধু অবকাঠামোগত কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। ভক্তদের ধর্মীয় কার্যক্রম নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করার পাশাপাশি স্থানটির নান্দনিকতা ও পরিবেশ উন্নয়নেও গুরুত্ব দেওয়া হবে।পরিদর্শনকালে সরকারি কর্মকর্তা এবং স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। -ত.বি. Post Views: 29 Post navigation Apex Introduces 100% biodegradable bags designed to decompose within seven months