ঢাকা :
জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা মোঃ ইসমাইল জবিউল্লাহর সাথে আজ সচিবালয়ে উপদেষ্টার কার্যালয়ে বাংলাদেশে চীনের বিদায়ি রাষ্ট্রদূত Yao Wen সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাতে উভয় দেশের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এগিয়ে নেয়ার বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
এসময় জনপ্রশাসন উপদেষ্টা বলেন, চীন বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ বাণিজ্য ও বিনিয়োগ অংশীদার। বাণিজ্য ও বিনিয়োগের পাশাপাশি শিক্ষা, প্রযুক্তি, মানবসম্পদ উন্নয়ন, প্রশাসন ও জ্ঞান-বিনিময়সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের সহযোগিতা বিস্তৃত হয়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়নে চীনের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ। যৌথ গবেষণা, প্রযুক্তি ও দক্ষতা বিনিময় এবং সাংস্কৃতিক যোগাযোগ বাড়ানোর মাধ্যমে দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক বোঝাপড়া ও বন্ধুত্ব আরো গভীর করা সম্ভব।
চীনের রাষ্ট্রদূত বলেন, সম্প্রতি বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধিদলের চীন সফরের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্ক আরো দৃঢ় হয়েছে। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের পর বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
রাষ্ট্রদূত মত প্রকাশ করেন যে, বাংলাদেশ-চীন বন্ধুত্ব আরো জোরদার করতে ‘চায়না-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ সোসাইটি’র উদ্যোগে বাংলাদেশে একটি সুশৃঙ্খল, সুনির্দিষ্ট ও পরিকল্পিত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে। এই ব্যবস্থায় বাংলাদেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দের জন্য প্রশিক্ষণের সুযোগ থাকবে। এর মাধ্যমে দুই দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যোগাযোগ ও পারস্পরিক বোঝাপড়া বাড়বে। রাষ্ট্রদূত চীনা কমিউনিস্ট পার্টি ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্বাক্ষরের কথা উল্লেখ করে দুই দলের সহযোগিতা আরো বৃদ্ধির উপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
সাক্ষাতে চীন দূতাবাসের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
-ত.বি.

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *