দিনভর ক্লাস, অফিসের মিটিং কিংবা একের পর এক মেসেজ ও রিমাইন্ডার, এত সব তথ্যের ভিড়ে দরকারি বিষয়গুলো মনে রাখা সহজ হলেও সঠিক সময়ে তা গুছিয়ে রাখাটা চ্যালেঞ্জের। হুট করে মাথায় আসা কোনো আইডিয়া খাতা পর্যন্ত পৌঁছায় না, মিটিংয়ের দরকারি সিদ্ধান্তটি হারিয়ে যায় মেসেজের ভিড়ে, কিংবা প্রয়োজনীয় নোটটি পরে আর খুঁজে পাওয়া যায় না। প্রতিদিনের কাজ সামলাতে স্মার্টফোনই এখন আমাদের প্রধান ভরসা। তাই প্রয়োজনীয় তথ্য দ্রুত নোট করে রাখা এবং তা সহজে গুছিয়ে ফেলার সুবিধাটি দিন দিন আরও জরুরি হয়ে উঠছে। এই ভাবনা থেকেই ইনফিনিক্স হট ৭০ প্রো ফাইভজি ফোনে আনা হয়েছে ‘ওয়ান-ট্যাপ এআই’ (One-Tap AI) ফিচার। হট ৭০ প্রো ফাইভজি ছাড়াও হট ৭০ সিরিজের অন্য মডেল এবং নোট ৬০ সিরিজের স্মার্টফোনগুলোতেও ওয়ান ট্যাপ এআই-এর এই সুবিধা রয়েছে। পুরো ব্যবস্থাটি মূলত ওয়ান-ট্যাপ বাটন, ফ্ল্যাশমেমো ও এআই মাইন্ডহাবের সমন্বয়ে কাজ করে। ইনফিনিক্স হট ৭০ প্রো ফাইভজি ফোনের ওয়ান-ট্যাপ বাটনে কেবল একবার প্রেস করলেই সরাসরি চালু হয়ে যায় ফ্ল্যাশমেমো কিংবা এআই মাইন্ডহাব। একাধিক অ্যাপে যাওয়া-আসার ঝামেলা ছাড়াই মুহূর্তের মধ্যে যেকোনো তথ্য সেভ করে নেওয়া সম্ভব। ফলে পড়াশোনার সময় দরকারি পয়েন্ট মিস করার ঝুঁকি থাকে না শিক্ষার্থীদের, আর কর্মজীবীরাও মিটিংয়ের আপডেট, রিমাইন্ডার বা কনট্যাক্ট নম্বর নোট করে রাখতে পারেন চোখের পলকে। প্রথাগত নোটপ্যাডের সীমাবদ্ধতা দূর করে ফ্ল্যাশমেমোতে যুক্ত করা হয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। এর এআই প্রযুক্তি স্ক্রিনে থাকা তারিখ, সময়, ঠিকানা, ইমেইল কিংবা ফোন নম্বর স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত করে এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কাজের সুযোগ তৈরি করে দেয়। যেমন কোনো তারিখ থাকলে তা থেকে সরাসরি ক্যালেন্ডার শিডিউল তৈরি, ঠিকানা থেকে ম্যাপ চালু কিংবা এক টাচেই ইমেইল ও ফোন নম্বরে যোগাযোগ করা সম্ভব। সেই সঙ্গে তথ্য সেভ করার পর তা পরে খুঁজে পাওয়ার ঝামেলা মেটাতে রয়েছে এআই মাইন্ডহাব। ফ্ল্যাশমেমোতে জমিয়ে রাখা সব স্ক্রিনশট, নোট ও প্রয়োজনীয় তথ্যকে এটি এক জায়গায় সুন্দরভাবে সাজিয়ে রাখে। ফলে শত শত মেসেজ বা অ্যাপের ভিড়ে নোট খোঁজার কোনো দরকার পড়ে না। মূলত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এসব কার্যকর সুবিধাই ব্যবহারকারীদের দৈনন্দিন কাজকে অনেকটা সহজ করে এনেছে। ওয়ান-ট্যাপ বাটন, ফ্ল্যাশমেমো আর এআই মাইন্ডহাবের মতো চমৎকার ফিচারের কারণে ইনফিনিক্স হট ৭০ প্রো ফাইভজির এই ওয়ান-ট্যাপ এআই প্রযুক্তি শিক্ষার্থী ও কর্মজীবীদের সময়ের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিতে বেশ কাজে দিচ্ছে।-প্রেস রিলিজ Post Views: 31 Post navigation সেরে উঠছে ওজ়োন স্তর! ছিদ্রের মাপ গত সাড়ে তিন দশকের ক্ষুদ্রতমগুলির মধ্যে একটি, সম্পূর্ণ সারতে আর ক’দিন?