নিউটার্ন প্রতিবেদক : সরকারি দায়িত্ব ও রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনে ব্যস্ত সময় কাটলেও চিকিৎসক হিসেবে নিজ এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। ছুটির দিনেও দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার মতিহারা গ্রামে নিজের বাড়িতে রোগীদের চিকিৎসাসেবা দিচ্ছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার ও শনিবার (১১ অক্টোবর) সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি নিজ বাড়িতে রোগীদের সময় দেন মন্ত্রী। রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব ও রাজনৈতিক ব্যস্ততার মধ্যেও চিকিৎসক হিসেবে এলাকার মানুষের সেবা দেওয়ার এ উদ্যোগের প্রশংসা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

স্থানীয় বাসিন্দা সাহিন আলম বলেন, ‘মন্ত্রী মহোদয় অনেক ব্যস্ততার মধ্যেও গ্রামের মানুষের খোঁজখবর নেন। অসুস্থ রোগীদের পাশে দাঁড়ানো তার মানবিকতার পরিচয়।’ হাকিমপুর উপজেলার বাসিন্দা আনছার আলী বলেন, ‘আমরা চাই, তিনি এভাবেই সাধারণ মানুষের পাশে থাকুন। এলাকার মানুষের সুখে-দুঃখে তাঁকে কাছে পাওয়া আমাদের জন্য আনন্দের।’ এক রোগীর স্বজন বলেন, ‘সারা দিনের ব্যস্ততা শেষে রোগীদের সময় দেয়া সত্যিই প্রশংসনীয়। এতে রোগী ও তাদের স্বজনেরা সাহস ও ভরসা পান।’

এ বিষয়ে অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, ‘বিএনপি সরকার সাধারণ মানুষের সরকার। দেশের উন্নয়নের পাশাপাশি অসহায় মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে এ সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। আমি একজন চিকিৎসক। সরকারি ও রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনের পাশাপাশি নিজের এলাকার অসুস্থ মানুষের চিকিৎসাসেবা দেওয়ার চেষ্টা করছি। জনগণের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্য সামনে রেখেই দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি।’

তিনি আরো বলেন, ‘জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে মানুষের পাশে থাকা আমার দায়িত্ব। সরকারি দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নিজের এলাকার অসুস্থ ও অসহায় মানুষের খোঁজখবর নেওয়া এবং সাধ্য অনুযায়ী তাদের চিকিৎসাসেবা দেওয়ার চেষ্টা করি। সাধারণ মানুষ যেন প্রয়োজনের সময় চিকিৎসাসেবা পান, সেটিই আমার প্রত্যাশা।’ স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সরকারি দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নিজ এলাকার মানুষের সঙ্গে মন্ত্রীর এ যোগাযোগ ও চিকিৎসাসেবার উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে। তাদের মতে, জনপ্রতিনিধিরা মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকলে সাধারণ মানুষের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক আরো দৃঢ় হয়।
নিউটার্ন/এআর

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *