গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় সরকার হস্তক্ষেপ করে না -- তথ্য প্রতিমন্ত্রী ঢাকা : তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, গণমাধ্যম এখন অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি স্বাধীনতা ভোগ করছে এবং সরকার গণমাধ্যমের কর্মকাণ্ডে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করছে না। তিনি বলেন, ‘সরকার গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছে না, আমরা কোনো হস্তক্ষেপও করি না।’ আজ জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)- এর সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসুদের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। আবদুল হান্নান মাসুদ প্রশ্নে বলেন, বিভিন্ন সময়ে কয়েকটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন পরবর্তীতে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ছেলেকে নিয়ে একটি সংবাদ প্রকাশের পর তা প্রত্যাহার এবং স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে নিয়ে একটি টেলিভিশন চ্যানেলে প্রচারিত প্রতিবেদনের ওয়েব সংস্করণ সাইবার হামলার কারণে দীর্ঘ সময় অপ্রকাশিত থাকার বিষয়ও তিনি উল্লেখ করেন। এ ধরনের ঘটনা—বিশেষ করে সরকার বা সরকারের মন্ত্রীদের সমালোচনামূলক প্রতিবেদন সাইবার হামলার শিকার হওয়া কিংবা সরিয়ে ফেলার ঘটনায়—বাকস্বাধীনতা নিয়ে জনমনে উদ্বেগ তৈরি হচ্ছে কি না, তা জানতে চান তিনি। জবাবে ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, বর্তমানে গণমাধ্যম অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ভোগ করছে। তিনি বলেন, সংবাদমাধ্যম সম্পূর্ণ স্বাধীন। কোন সংবাদ ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে, কোনটি সরিয়ে নেওয়া হবে, কী প্রকাশ করা হবে বা হবে না—এ সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান নিজেরাই নেবে। ‘বাংলাদেশ সরকার এ বিষয়ে কোনো হস্তক্ষেপ করে না,’ বলেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোনো সংবাদ প্রকাশের পর সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান যদি মনে করে সেটি সঠিক নয় কিংবা প্রকাশ করা উচিত হয়নি, তাহলে তারা নিজেরাই তা প্রত্যাহার করতে পারে। এ ক্ষেত্রেও সরকার হস্তক্ষেপ করে না এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে বলেই কোনো হস্তক্ষেপ করবে না। অপর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শে বিশ্বাসী অনেক সাংবাদিক প্রেস ক্লাবের সদস্য রয়েছেন। এটি স্বাভাবিক বিষয়। তিনি বলেন, প্রত্যেক ব্যক্তির নিজস্ব রাজনৈতিক মত বা আদর্শ থাকতে পারে। তবে সাংবাদিকতায় তাদের নিরপেক্ষতা বজায় রাখার প্রত্যাশা রয়েছে। ইয়াসের খান চৌধুরী আরো বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া অপতথ্য, মিথ্যা তথ্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য মোকাবিলায় বিভিন্ন ধরনের তথ্য যাচাই বা ফ্যাক্ট-চেকিং কার্যক্রমের মাধ্যমে মন্ত্রণালয় কাজ করছে। -ত.বি. Post Views: 7 Post navigation FutureMakers by Grameenphone Returns for Its 2nd Edition to Drive Youth-Led AI Solutions for Social Good