৫২ বছর বয়সি অভিনেত্রীর ত্বকচর্চার রুটিনে মোটামুটি সাতটি ধাপ রয়েছে। রাতের বেলা কী কী প্রসাধনী দিয়ে ত্বকচর্চা করেন মলাইকা অরোরা? বিনোদন ডেস্ক :বয়সকে তুড়ি মেরে তাক লাগান প্রতিনিয়ত। ইনস্টাগ্রামে শারীরচর্চা থেকে যাপনের ভিডিয়ো দেখে রোজ নতুন করে বিস্মিত হন অনুরাগীরা। ছিপছিপে নির্মেদ চেহারা হোক বা ত্বক, এখনও যৌবনের ছাপ মেলে তাতে। গুণমুগ্ধদের প্রশ্নের উত্তর দিতেই নিজের রূপের রহস্য ফাঁস করলেন মলাইকা অরোরা। সম্প্রতি সমাজমাধ্যমে একটি ভিডিয়ো করে দেখালেন, রাতে কী ভাবে ত্বকচর্চা করেন তিনি।আনন্দবাজার ডট কম ৫২ বছর বয়সি অভিনেত্রীর ত্বকচর্চার রুটিনে মোটামুটি সাতটি ধাপ রয়েছে। সেখানে রয়েছে ডাবল ক্লিনজ়িং থেকে শুরু করে একাধিক সিরাম, চোখের চারপাশের ক্রিম, ঠোঁটের যত্ন এবং ময়েশ্চারাইজ়ার— কী নেই! মলাইকার কথায়, ‘‘দিনের বেলার চেয়ে রাতের রুটিন একটু বেশি দীর্ঘ আমার।’’ মলাইকার ত্বকচর্চার ৭ ধাপের রুটিন— ১. ডাবল ক্লিনজ়িং: রাতের রুটিন শুরু হয় মেকআপ তোলা দিয়ে। প্রথমে তিনি ক্লিনজ়িং বাম ব্যবহার করেন। তার পর হালকা গরম জলে ভেজানো কাপড় দিয়ে মুখ মুছে নেন। এর পর সাধারণ ক্লিনজ়ার দিয়ে দ্বিতীয় বার মুখ পরিষ্কার করেন। এই পদ্ধতিই ডাবল ক্লিনজ়িং নামে পরিচিত। ২. ফেস মিস্ট: মুখ পরিষ্কার করার পর মালাইকা ত্বকে মিস্ট ব্যবহার করেন। ৩. হায়ালুরোনিক অ্যাসিড: ফেস মিস্টের পর রয়েছে হায়ালুরোনিক অ্যাসিড-যুক্ত একটি প্রসাধনী। এর পর সেটিও মুখে মেখে নেন মলাইকা। ৪. পেপটাইড সিরাম: এ বার পেপটাইড সিরামের পালা। মলাইকার কথায়, এই মুহূর্তে পেপটাইড সিরাম তার পছন্দের তালিকার শীর্ষে রয়েছে। মালাইকার রুটিনে এখানেই শেষ নয়। পেপটাইড সিরামের পর তিনি ব্যবহার করেন একটি তেল-ভিত্তিক নাইট সিরাম। ৫. চোখের তলার ক্রিম: সিরামের পর্ব শেষ হলে চোখের তলায় ক্রিম মাখেন। শেষে হাতে যতটুকু পড়ে থাকে, তা হাতে মেখে নেন। ৬. ময়েশ্চারাইজ়ার: তার পর ময়েশ্চারাইজ়ার দিয়ে ত্বকের আর্দ্রতার প্রতি যত্নবান হন। ৭. লিপবাম: শেষে লিপবাম মেখে ঠোঁট শুষ্ক হয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করেন। চর্মরোগ চিকিৎসকদের মতে, মলাইকার মতো তারকাদের ত্বকচর্চার রুটিনে বেশ কিছু ভাল অভ্যাস রয়েছে বটে, কিন্তু বেশি প্রসাধনী ব্যবহার করলেই বেশি ভাল ফল পাওয়া যাবে, এমন ধারণা সঠিক নয়। একসঙ্গে একাধিক অ্যাক্টিভ উপাদান ব্যবহার করলে সেগুলি একে অপরের সঙ্গে কী ভাবে কাজ করছে, তা না বুঝলে ত্বকের সুরক্ষা স্তর ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এর ফলে লালচে ভাব, জ্বালা, খসখসে হয়ে যাওয়া, ব্রণ, অতিরিক্ত শুষ্কতা ইত্যাদি বেড়ে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে যাদের ব্রণ, এগ্জ়িমা, রোসেশিয়ার মতো রোগ রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে আরও সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। Post Views: 25 Post navigation ১৩৩টি খাবারে অ্যালার্জি স্বস্তিকার! রূপচর্চার পদ্ধতি তাই ‘অদ্ভুত’, ভরসা তাঁর পঞ্জাবি মায়ের ঘরোয়া টোটকায়