সানিয়া মির্জ়া ও ফরাহ খানের বন্ধুত্বের কথা অনুরাগীদের জানা। তাদের রসায়ন, খুনসুটি নজর কাড়ে। সানিয়ার ছেলেকে নিয়ে কী প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন ফরাহ? বিনোদন ডেস্ক : টেনিস তারকা সানিয়া মির্জ়া ও পরিচালক ফরাহ খানের বন্ধুত্বের রসায়ন বরাবরই নজর কেড়েছে। খোলামেলা আড্ডা থেকে মজার খুনসুটি— দু’জনের সম্পর্ক যেন দুই বোনের মতো। এ বার তাদের বন্ধুত্বের আরও এক মজার ঘটনা প্রকাশ্যে আনলেন সানিয়া। তার দাবি, ছেলে ইজ়হান মির্জ়া মালিক যখন সবে জন্মেছে, তখনই তাকে বলিউডে নায়ক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন ফরাহ।আনন্দবাজার ডট কম সম্প্রতি নেহা ধূপিয়া ও অঙ্গদ বেদীর পডকাস্ট অনুষ্ঠানে অতিথি হয়ে এসেছিলেন সানিয়া। সেখানেই তিনি জানান, প্রায় আট বছর আগে ইজ়হানের জন্য তাকে ১০০ টাকার একটি নোট দিয়েছিলেন ফরাহ। সানিয়ার কথায় ফরাহ তাকে ১০০ টাকার নোটটি দিয়ে বলেছিলেন, “ইজ়হান বড় হয়ে অভিনেতা হলে আমি ওর সঙ্গে ছবি করব।” সেই বিশেষ মুহূর্তের স্মৃতি হিসেবে এখনও নোটটি নিজের কাছে যত্ন করে রেখেছেন টেনিস তারকা। ওই ১০০ টাকা যেন ইজ়হানের জন্য ‘সাইনিং অ্যামাউন্ট’ (চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য প্রাপ্ত অর্থ)। এই প্রথম নয়, এর আগেও ছেলেকে বলিউডে নায়ক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করানোর ব্যাপারে ফরাহের প্রতিশ্রুতির কথা জানিয়েছিলেন সানিয়া। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ফরাহের ভ্লগে ছেলেকে নিয়ে হাজির হয়েছিলেন তিনি। সেখানেই ঘটনার কথা ভাগ করে নেন সানিয়া। ভিডিয়োয় দেখা যায়, চিউইংগাম চিবোতে চিবোতে ফরাহের সঙ্গে মজা করছে ইজ়হান। ইশারায় সে বোঝায়, ফরাহের সোফায় চুইংগাম লাগিয়ে দেবে! জবাবে ফরাহ বলেন, “ভুলে যেয়ো না, আমিই তোমাকে লঞ্চ করব। তুমি আমার হিরো!” ২০১৮ সালে সানিয়া ও তার প্রাক্তন স্বামী শোয়েব মালিকের জীবনে আসে ইজ়হান। এর আগে এক সাক্ষাৎকারে মাতৃত্বের অভিজ্ঞতা এবং ছেলেকে নিয়ে গর্বের কথা জানিয়েছিলেন সানিয়া। তিনি বলেছিলেন, “যে ভাবে ও বড় হয়ে উঠছে, ওকে নিয়ে আমি ভীষণ গর্বিত। ও খুব দয়ালু, ওর মধ্যে ভালবাসা ও সহমর্মিতা রয়েছে। ও আমাকে নিঃশর্ত ভালবাসার সবচেয়ে সুন্দর রূপটা দেখিয়েছে। ওকে বড় করে তোলার চেয়েও বেশি, মা হিসেবে ও আমাকে বড় করেছে। ওর জন্যই আমি আরও ভাল মানুষ হয়ে উঠেছি।” ছেলের খেলাধুলোর প্রতি আগ্রহের কথাও জানিয়েছিলেন সানিয়া। তার কথায়, “আমি যখন অন্তঃসত্ত্বা ছিলাম, তখন থেকেই এই প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়েছে। ও খেলাধুলো ভালবাসে, আর সেটা ওর রক্তেই রয়েছে। ফুটবল, টেনিস খেলতে এবং সাঁতার কাটতে ওর ভাল লাগে। ড্রামসও বাজায়। ও কী করবে, তা নিয়ে আমার কোনও মাথাব্যথা নেই। শুধু চাই, ও যা-ই করুক, আনন্দ করে করুক, ভাল সময় কাটাক এবং নিজের একশো শতাংশ দিক। নিজের পছন্দমতো জীবন বেছে নেয়ার সম্পূর্ণ স্বাধীনতা ওর রয়েছে। আমাকেও সে ভাবেই বড় করা হয়েছে।” Post Views: 33 Post navigation ‘দেখা করতে দেয় না’! সাত বছরের ছেলের সঙ্গে এক বছর দেখা হয়নি, কাঁদতে কাঁদতে জানালেন সোনম