স্মার্টফোনের পারফরম্যান্সের কথা উঠলেই সবার আগে চোখের সামনে ভেসে ওঠে এর প্রসেসর। তবে ফোনটি টানা কেমন পারফর্ম করবে, তা অনেকটাই নির্ভর করে পর্দার আড়ালে থাকা একটি বিষয়ের ওপর। আর তা হলো ‘থার্মাল ম্যানেজমেন্ট’ বা তাপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা। টানা গেমিং, ভিডিও এডিটিং কিংবা ব্যাকগ্রাউন্ডে ভারী সব অ্যাপ একসঙ্গে চালানোর সময় প্রসেসর গরম হয়ে যাওয়াই মূলত স্মুথ পারফরম্যান্সের প্রধান অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়। স্মার্টফোনের ভেতরের তাপমাত্রা যখন অতিরিক্ত বেড়ে যায়, তখন হার্ডওয়্যারের সুরক্ষার জন্য স্বয়ংক্রিয়ভাবেই প্রসেসরের গতি কমে যায়। প্রযুক্তি দুনিয়ায় একে বলা হয় ‘থার্মাল থ্রটলিং’। ফোনের সুরক্ষার জন্য এটি জরুরি হলেও, এর ফলে গেমের ফ্রেম রেট কমে যায়, টাচ রেসপন্স ধীর হয়ে পড়ে এবং ফোনটি ল্যাগ করতে শুরু করে। বর্তমান সময়ে মোবাইল গেমিং ও কনটেন্ট ক্রিয়েশনের জনপ্রিয়তা যেভাবে বাড়ছে, তাতে স্মার্টফোন নির্মাতারাও এমন কুলিং সিস্টেম তৈরিতে জোর দিচ্ছেন, যা দীর্ঘক্ষণ ফোন ব্যবহারের পরও পারফরম্যান্স ধরে রাখতে পারে। ভোক্তাদের এই চাহিদার কথা মাথায় রেখেই ইনফিনিক্স তাদের নতুন ফোন ‘ইনফিনিক্স নোট ৬০ প্রো’-মডেলে যুক্ত করেছে ‘থ্রিডি আইসকোর ভেপার চেম্বার কুলিং সিস্টেম’। প্রসেসরের চারপাশের তাপকে এক জায়গায় জমতে না দিয়ে এই ভেপার চেম্বার তা পুরো ফোনে ছড়িয়ে দেয়। ফলে দীর্ঘ সময় ব্যবহারের পরও ফোনের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে। ইনফিনিক্সের লক্ষ্য শুধু কাগজে-কলমে বা বেঞ্চমার্ক স্কোরে চমক দেখানো নয়, বরং ব্যবহারকারী যখন দীর্ঘক্ষণ ফোনটি ব্যবহার করবেন, তখন যেন তিনি একটি নির্ভরযোগ্য পারফরম্যান্স পান। টানা গেম খেলার সময় এই প্রযুক্তির সুবিধা সবচেয়ে বেশি টের পাওয়া যায়। সাধারণ অনেক ফোনেই দেখা যায়, দীর্ঘক্ষণ খেলার পর তাপমাত্রা বাড়ার সাথে সাথে ফ্রেম ড্রপ হয় এবং ফোন স্লো হয়ে যায়। তবে উন্নত হিট ডিসিপেশন বা তাপ নির্গমন ব্যবস্থার কারণে ইনফিনিক্স নোট ৬০ প্রো ফোনে অতিরিক্ত তাপ জমতে পারে না। ফলে ভারী গেম খেলা, মাল্টিটাস্কিং বা প্রসেসরের ওপর চাপ ফেলে এমন কাজগুলো দীর্ঘ সময় ধরে বেশ স্মুথলি করা যায়। কুলিং টেকনোলজির এই গুরুত্ব কিন্তু স্মার্টফোন ক্রেতাদের চিন্তাভাবনাতেও একটি বড় পরিবর্তন আনছে। এখন শুধু প্রসেসরের ক্ষমতা দেখেই মানুষ ফোন কেনে না, বরং সেই ক্ষমতা ফোনটি টানা কতক্ষণ ধরে রাখতে পারছে, তা-ও সমান গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে বাংলাদেশের মতো উষ্ণ আবহাওয়ার দেশে, যেখানে বাইরের গরমের কারণে ফোন এমনিতেই দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, সেখানে এমন কার্যকর কুলিং সিস্টেমের প্রয়োজনীয়তা আরও অনেক বেশি। ইনফিনিক্সের পক্ষ থেকে নোট ৬০ প্রো-র মতো ডিভাইসে এমন উন্নত থার্মাল সলিউশন যুক্ত করার অর্থ হলো, তারা কেবল সাময়িক গতির চেয়ে ব্যবহারকারীর প্রতিদিনের নিরবচ্ছিন্ন অভিজ্ঞতার ওপর বেশি জোর দিচ্ছে। স্মার্টফোনে যখন কাজের চাপ দিন দিন বাড়ছে, তখন ফোন ঠান্ডা রাখার এই প্রযুক্তি আর কেবল গেমারদের শখের ফিচার হিসেবে সীমাবদ্ধ নেই। বরং এটি এখন একটি দ্রুতগতির, স্মুথ এবং নির্ভরযোগ্য স্মার্টফোন অভিজ্ঞতার জন্য অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি Post Views: 30 Post navigation ‘সিআইপিএস এশিয়া এক্সিলেন্স ইন প্রকিউরমেন্ট অ্যান্ড সাপ্লাই অ্যাওয়ার্ডে চার স্বীকৃতি বাংলালিংকের