বিশ্বের এক নম্বর জুটিকে হারিয়ে সিঙ্গাপুর ওপেন জয় করেছেন। তারকা ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় চিরাগ শেট্টীকে নিয়ে এখন আলোচনা সর্বত্র। ব্যাডমিন্টন কোর্টে তার অফুরন্ত প্রাণশক্তির রহস্য কী? কেমন খাওয়াদাওয়া করে এত ফিট থাকেন চিরাগ? স্পোর্টস ডেস্ক : ব্যাডমিন্টন কোর্টে তার ঝড়ের গতি, অফুরন্ত প্রাণশক্তি। সিঙ্গাপুর ওপেন জয় করেছেন। সাত্বিকসাইরাজ রনকীরেড্ডীর সঙ্গে জুটি বেঁধে বিশ্বের এক নম্বর জুটি দক্ষিণ কোরিয়ার কিম ওন হো ও সিয়ো সিয়াং জায়েকে হারিয়েছেন চিরাগ। ভারতের অন্যতম সফল ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় তিনি। চিরাগের ফিটনেস নিয়ে এখন আলোচনা সর্বত্রই। তিনি কী ধরনের শারীরচর্চা করেন, কেমন খাওয়াদাওয়া করেন, তা নিয়ে কৌতূহল বেড়েছে। চিরাগ জানিয়েছেন, তিনি মূলত প্রোটিন ডায়েটেই বেশি ভরসা করেন। পেশির জোর বৃদ্ধি করতে রোজ ১৫০ গ্রাম প্রোটিন থাকেই তার খাদ্যতালিকায়।আনন্দবাজার ডট কম সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে চিরাগ জানিয়েছেন, তার রোজের খাদ্যতালিকায় ১৪০ থেকে ১৫০ গ্রাম প্রোটিন থাকে। পেশাদার ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড়দের কোর্টে শক্তি ও গতি বজায় রাখার জন্য পেশি সচল ও সক্রিয় থাকা খুব জরুরি। সেই শক্তি আসে প্রোটিন থেকেই। তবে কৃত্রিম সাপ্লিমেন্ট নয় বা বাজারচলতি প্রোটিন শেক নয়, ঘরে তৈরি পুষ্টিকর খাবার খেয়েই ফিট থাকেন চিরাগ। কী কী খাবার থাকে চিরাগের পাতে? প্রাণিজ ও উদ্ভিজ্জ প্রোটিনের মধ্যে ভারসাম্য রেখেই খাওয়াদাওয়া করেন ব্যাডমিন্টন তারকা। প্রাণিজ প্রোটিনের মধ্যে ডিম, চর্বি ছাড়া মুরগির মাংস প্রায় রোজই খান। রেড মিট বাদ দিয়েছেন, বদলে ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের জন্য মাছ খেতেই বেশি পছন্দ করেন। উদ্ভিজ্জ প্রোটিনের মধ্যে ডাল, বিন, সয়াবিন, নানা রকম বাদাম ও বীজ থাকে তার পাতে। চিরাগ জানিয়েছেন, দীর্ঘক্ষণ খেলার পরে পেশির ক্লান্তি বাড়ে। প্রোটিন জাতীয় খাবার খেলে তা দূর হয়। শরীরের জোরও বাড়ে। তবে প্রোটিন মেপে খাওয়া জরুরি বলেই মনে করেন তিনি। ওজন কমাতে হোক বা পেশির জোর বৃদ্ধিতে প্রোটিন ডায়েটের জনপ্রিয়তা এখন বেশি। আগে খেলোয়াড়েরা এমন ডায়েটে অভ্যস্ত ছিলেন, কিন্তু এখন সাধারণ মানুষজনেরও প্রোটিন খাওয়ার ঝোঁক বেড়েছে। তবে প্রোটিন ডায়েট করার নিয়ম আছে। চিকিৎসকরা বলছেন, ভাত বা রুটি বাদ দিয়ে প্রোটিন জাতীয় খাবার যেমন মাছ, মাংস বা সয়াবিন, পনির খেয়ে পেট ভরিয়ে রাখার যে চেষ্টা চলছে, তা ঠিক নয়। প্রোটিন খেলে খিদে কম পায়, ক্যালোরি খরচ বেশি হয় ঠিকই, তবে তা দীর্ঘদিন চালিয়ে যাওয়া স্বাস্থ্যসম্মত নয়। ভাত, রুটি হঠাৎ বন্ধ করে দিয়ে কেউ যদি শুধু মাছ, মাংস বা ডিম খান, তা হলে একধাক্কায় ওজন কিছুটা কমে যাবে ঠিকই, তবে প্রোটিনের পাশাপাশি কার্বোহাইড্রেট ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাটও রাখতে হবে রোজের খাদ্যতালিকায়। প্রোটিন ডায়েট নিয়ম মেনে করলে মেটাবলিক রেট বা বিপাকের হার অনেকটাই বেড়ে যায়। তবে সমস্যা তৈরি হয়, যখন খাওয়ার পরিমাণ ঠিক থাকে না। অনেকটা মাংস খেয়ে ফেললে বা একবারে অনেকগুলি ডিম খেয়ে ফেললে, ক্যালোরি কমবে না, উল্টে বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।। তাই সচেতন থাকতে হবে। Post Views: 29 Post navigation দরজায় চিরকুট টাঙিয়ে জন্মস্থান ছাড়লেন স্কালোনি