সদ্য ৫১-য় পা দিয়েছেন তেলুগু অভিনেতা মহেশ বাবু। তার জন্মদিন আসতেই আবার তাকে দেখে অনুরাগীদের প্রশ্ন, এত বছর পরেও কী ভাবে একই রকম তরুণ দেখায় তাকে? বিনোদন ডেস্ক :বছরের পর বছর চেহারায় কোনও পরিবর্তন নেই। বার্ধক্যের ছাপ পড়ার নামই নেই। এ দিকে সদ্য ৫১-এ পা দিয়েছেন তেলুগু অভিনেতা মহেশ বাবু। কে বলবে ১৯ এবং ১৪ বছরের পুত্র ও কন্যা রয়েছে তার! মহেশ বাবুর জন্মদিন আসতেই আবার তাকে দেখে অনুরাগীদের প্রশ্ন, এত বছর পরেও কী ভাবে একই রকম তরুণ দেখায় তাকে?আনন্দবাজার ডট কম ত্বকের যত্ন, শারীরচর্চা বা জিনের প্রভাব— অনেক কারণই এর পিছনে থাকতে পারে। কিন্তু মহেশ বাবুর খাদ্যাভ্যাস এখানে বড়সড় ভূমিকা পালন করে। তার পুরনো একটি সাক্ষাৎকারের বক্তব্য অনুযায়ী, দই-ভাত, পেস্ট্রি বা বার্গার— কোনওটিই তার খাবারের তালিকায় থাকে না কখনও। কারণ, তার ডায়েট থেকে দুগ্ধজাত খাবার এবং পাউরুটি একেবারে বাদ। তবে এর মানে এমন নয় যে, দই-ভাত অস্বাস্থ্যকর খাবার। বরং সঠিক ভাবে খেলে দই-ভাত বেশ পুষ্টিকর একটি খাবার হতে পারে। কিন্তু মহেশ বাবু দুগ্ধজাত খাবার খেতে পারেন না। তার অন্ত্রের জন্য সেই খাবার উপযুক্ত নয়। অন্যের জন্য দই-ভাত খুবই স্বাস্থ্যকর হতে পারে। কিন্তু তার থালায় মূলত শাকসব্জি থাকে। মহেশ বাবু নিজের শরীর বুঝে খাবার খেতে পছন্দ করেন। সেই কারণেই হয়তো তার অন্ত্রের সুস্বাস্থ্য বজায় থাকে এবং সেই ছাপ পড়ে ত্বকেও। অন্ত্রে অসংখ্য জীবাণু থাকে। এদের মধ্যে কিছু শরীরের জন্য উপকারী। খাবারে পর্যাপ্ত ফাইবার থাকলে এই উপকারী জীবাণুগুলি তা ব্যবহার করে শরীরের জন্য উপকারী কিছু উপাদান তৈরি করতে পারে। তাতে শরীরে প্রদাহ কমতে পারে। অন্য দিকে, দীর্ঘদিন অস্বাস্থ্যকর খাবার, মানসিক চাপ, অপর্যাপ্ত ঘুম বা অন্য কিছু কারণে অন্ত্রের স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট হলে শরীরে প্রদাহের মাত্রা বাড়তে পারে। আর অন্ত্রের স্বাস্থ্য, শরীরের প্রদাহ এবং ত্বকের স্বাস্থ্যের মধ্যে একটি যোগসূত্র রয়েছে— যাকে বলা হয় অন্ত্র-ত্বক সম্পর্ক। শরীরে প্রদাহ কম হলে ত্বকে তার ছাপ পড়বেই। ত্বকের গঠন ভাল থাকে, ঔজ্জ্বল্য বাড়ে এবং বার্ধক্যের ছাপ পড়ার গতি শ্লথ হয়ে যায়। অন্য দিকে, অন্ত্রে অস্বস্তি বা প্রদাহ থাকলে তার প্রভাব ত্বকেও পড়তে পারে। ব্রণ, লালচে ভাব, এগ্জ়িমা বা ত্বকের কিছু সমস্যার সঙ্গে অন্ত্রের জীবাণুসমষ্টির পরিবর্তনের সম্পর্ক নিয়ে গবেষণাও রয়েছে। তবে এর অর্থ এই নয় যে ত্বকের প্রতিটি সমস্যার কারণ অন্ত্রের অসুখ। ত্বকের সমস্যার নেপথ্যে হরমোন, বংশগত কারণ, পরিবেশ, প্রসাধনী এবং আরও অনেক বিষয় থাকতে পারে। কিন্তু অন্ত্রের স্বাস্থ্যের সঙ্গে ত্বকের সম্পর্ক খুবই গভীর। ত্বকের বার্ধক্যরোধের জন্য কী করা উচিত? ১. ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া: দিনে অন্তত ৩০ গ্রাম ফাইবার-সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া উচিত। ফল, শাকসব্জি, বাদাম, বীজ ইত্যাদি খাওয়া দরকার নিয়মিত। ২. রঙিন সব্জি খাওয়া: গাজর, টম্যাটো, ক্যাপসিকাম, পালংশাক, বিট, কুমড়ো— রঙিন সব্জিতে বিভিন্ন ধরনের উদ্ভিজ্জ উপাদান থাকে। এই উপাদানগুলির মধ্যে কিছু অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট হিসেবে কাজ করে। ৩. মানসিক চাপ কমানো: শুধু খাবার বদলালেই ত্বক ভাল থাকবে, এমন নয়। দীর্ঘ দিনের মানসিক চাপ শরীরে প্রভাব ফেলে। অন্ত্রের উপকারী জীবাণুর ভারসাম্যেও তার প্রভাব পড়তে পারে। আবার অন্ত্রের সমস্যা ত্বকের সমস্যাকে বাড়িয়ে দিতে পারে, যা নতুন করে মানসিক চাপ তৈরি করে। Post Views: 27 Post navigation ‘অল্প কাজ, বাছাই করা চরিত্রেই আমি খুশি’, শহরে নিজের ছবির প্রচারে এসে বললেন চন্দন রায় সান্যাল