দিনাজপুর প্রতিনিধি।।
দিনাজপুর জেলার ফুলবাড়ী উপজেলায় ছোট যমুনা নদীর উপর নির্মিত ব্রিজটি দিনাজপুর সড়ক ও জনপদ বিভাগ সংস্কার না করায় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ১৯৫২ সালে তৎকালিন পাকিস্তান সরকার যাতায়াতের সুবিধার্থে এই ছোট যমুনা নদীর উপর ব্রিজটি নির্মাণ করেন। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পাক-বাহিনীর মাইন বিস্ফোরণে লোহার ব্রিজটি পূর্ব দিকের একটি পার্ট ধ্বংস হয়ে যায়। স্বাধীনতার পর দিনাজপুর সড়ক ও জনপদ বিভাগ পূর্ব দিকের পার্টটি গাডার পিলারের উপর ব্রিজটি নির্মাণ করেন। পাকিস্তান সরকারের সময় ফুলবাড়ী থেকে দিনাজপুর জেলায় যাতায়াতের জন্য ব্রিজটি নির্মাণ করার পর দিনাজপুর থেকে ফুলবাড়ী স্টেশন পর্যন্ত যানবাহন চলাচলের জন্য কংক্রির্ট ঢালাই রাস্তা নির্মাণ করে । শুরু হয় যাতায়াত ব্যবস্থা । কিন্তু ২০ বছর পূর্বে লোহার ব্রিজটির পাশে একটি ১৫০ ফিটের কংক্রির্ট গাডার ব্রিজ নির্মাণ করা হয়। বর্তমান দূর পাল্লার যানবাহন এই ব্রিজটি দিয়ে চলাচল করছে। আর লোহার ব্রিজটি দিয়ে রিক্সা ভ্যানসহ অন্যান্য হালকা যানবাহন চলাচল করছে। বর্তমান লোকসংখ্যা ও যানবাহন বেড়ে যাওয়ায় ব্রিজটির গুরুত্ব বেড়েছে। ভারী যানবাহন চলাচল না করলেও হালকা যানবাহন ও সাধারণ জনগণ চলাচল করছে। ব্রিজটির সুবিধা হচ্ছে ব্রিজটির দুই ধারে চলাচলের রাস্তা রয়েছে। ২৫ বছর ধরে এই লোহার ব্রিজটি সংস্কার না করায় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। অপরদিকে ব্রিজের দুই পাশে অর্থ্যাৎ পূর্ব ও পশ্চিম পাশে রাস্তাগুলিও চলাচলের যোগ্য নয়। প্রতিনিয়ত মানুষ চলাচল করতে গিয়ে হুমড়ি খেয়ে পড়ছে। দিনাজপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগ ব্রিজটি সংস্কার করলে এলাকার মানুষের যাতায়াতের একদিকে যেমন সুবিধা হবে অন্যদিকে শহরের যানজট কমবে। ফুলবাড়ীতে ছোট যমুনা নদীর উপর বিকল্প কোনো ব্রিজ নেই যাতায়াতের । কোনো দুঘর্টনা ঘটলে দূর পাল্লার যানবাহনগুলি কয়লাখনি হয়ে দিনাজপুর যেতে হয়। ব্রিজটি সংস্কারের খুবই প্রয়োজন। এ ব্যাপারে দিনাজপুর সড়ক ও জনপদ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী, ফুলবাড়ী সড়ক দিনাজপুর মোঃ আমানউল্লাহ আমান এর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তার ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। এ ব্যাপারে দিনাজপুর সড়ক ও জনপদ বিভাগের নেক দৃষ্টি কামনা করেছেন এই এলাকার সচেতন মহল।

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *