স্পোর্টস ডেস্ক :

স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ের উচ্ছ্বাসে লাল-হলুদ রঙ মেটলাইফ স্টেডিয়াম। দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার আনন্দে যখন সতীর্থদের সঙ্গে উদযাপনে মেতে উঠেছে পুরো দল, তখন ১৯ বছর বয়সী লামিনে ইয়ামালের চোখ যেন খুঁজছিল অন্য কাউকে।

শিরোপা হাতে সতীর্থদের ছেড়ে তিনি ছুটে যান গ্যালারির কাছে, যেখানে অপেক্ষা করছিল তার জীবনের সবচেয়ে কাছের মানুষগুলো। বিশ্বজয়ের সেই আনন্দ পরিবারের সঙ্গে ভাগ করে নেয়ার মুহূর্তই হয়ে ওঠে ফাইনালের সবচেয়ে আবেগঘন দৃশ্যগুলোর একটি।

উদযাপনের সবচেয়ে আলোচিত মুখ ছিল ইয়ামালের তিন বছর বয়সী ছোট ভাই কিয়েন। পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে গ্যালারিতে তার নিষ্পাপ হাসি, খুনসুটি আর ভাইকে উৎসাহ দেয়ার মুহূর্তগুলো সমর্থকদের মন কেড়েছিল। ফাইনালের পর বড় ভাইয়ের কোলে চড়ে মাঠ প্রদক্ষিণ করা ছোট্ট কিয়েন যেন নিজেও হয়ে ওঠে এক ক্ষুদে চ্যাম্পিয়ন। বিশ্বকাপ ট্রফি ছুঁয়ে দেখার সেই মুহূর্তটি ছিল নিখাদ পারিবারিক আনন্দের প্রতিচ্ছবি।

এই দীর্ঘ যাত্রায় ইয়ামালের সবচেয়ে বড় শক্তি ছিলেন তার মা শেইলা এবানা। গ্যালারি থেকে প্রতিটি ম্যাচেই ছেলেকে উৎসাহ জুগিয়েছেন । শিরোপা জয়ের পর মাকে জড়িয়ে ধরা ইয়ামালের হাসি যেন বলে দিচ্ছিল, এই সাফল্যের পেছনে কতটা অবদান পরিবারের।

পাশেই ছিলেন প্রেমিকা ইনেস গার্সিয়া। চলতি বছরের মে মাসে সম্পর্কের খবর প্রকাশ্যে আসে। ফ্যাশন ও বিউটি ইনফ্লুয়েন্সার হিসেবে পরিচিত ইনেস বিশ্বকাপজুড়ে স্টেডিয়ামে উপস্থিত ছিলেন।

জমকালো পোশাকের পরিবর্তে সহজ-সরল ও স্বাভাবিক সাজে হাজির হওয়ায় সমর্থকদের প্রশংসাও কুড়িয়েছেন তিনি। বিশ্বজয়ের রাতে ইয়ামালের পাশে দাঁড়িয়ে তিনিও ভাগ করে নেন জীবনের অন্যতম স্মরণীয় মুহূর্ত।

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *